ঢাকা, বৃহস্পতিবার 6 September 2018, ২২ ভাদ্র ১৪২৫, ২৫ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ইবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারকলিপি

ইবি সংবাদদাতা: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। একই দাবিতে মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন বরাবর স্বারকলিপি দিয়েছে আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা। আইন ও শরিয়া অনুষদভুক্ত বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের অধীনে গ্রহনের সিন্ধান্ত নেয়ার প্রতিবাদে এ অবরোধ ও স্বারকলিপি প্রদান করে তারা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, আইন ও শরিয়াহ অনুষদভুক্ত বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা থিওলজি অনুষদের মাধ্যেমে গ্রহন করার সিন্ধান্ত সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আল-ফিকহ বিভাগে আইন বিভাগের সমপরিমান আইন সম্পর্কিত কোর্স পড়তে হয়। এটি আল-ফিকহ বিভাগকে থিওলজি অনুষদভুক্ত বিভাগে রুপান্তরিত করার হীন চক্রান্ত। আমরা প্রশাসনের কাছে এ সিন্ধান্ত প্রত্যাহার করার জোর দাবি জানাই। অন্যথায় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চালিয়ে যাওয়া হবে।’
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক ও সমাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের অধীনে গ্রহনের সিন্ধান্তের প্রতিবাদে অনুষদের ডিন বারাবর স্বারকলিপি দিয়েছে বিভাগের শিক্ষার্থীরা। স্বারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদভুক্ত বিষয়গুলো ধর্মতত্ত্ব সম্পর্কিত। কিন্তু আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ সাহিত্য সম্পর্কিত। সাহিত্যের সাথে ধর্মতত্ত্ব কোন সম্পর্ক নেই। ভর্তি পরীক্ষা মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে বহাল রাখার জোর দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও শরিয়াহ অনুষদভুক্ত আল-ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ এবং মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের অধীনে গ্রহনের সিন্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটি। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ সোমবার আল-ফিকহ বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগের সামনে অবরোধ পালন করে।
আল-ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি ড. একে মোহাঃ নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি অসুস্থতার কারণে ক্যাম্পাসে আসতে পারিনি। ক্যাম্পাসে গিয়ে বিভাগের একাডেমিক কমিটির সাথে বসে সিন্ধান্ত নেব।’
আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন,‘থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের সাথে আরবী ভাষা ও সাহিত্যের কোন সম্পর্ক নেই।
মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অন্য কোন অনুষদের অধীনে গ্রহন করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আমরা প্রশাসনের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের দাবি জানিয়েছি।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন,‘শিক্ষার্থীদের উচিৎ তাদের শিক্ষকদের সাথে কথা বলা। বিভাগের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে এ সিন্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বিভাগের শিক্ষকদের মাধ্যেমে বিষয়টি লিখিত ভাবে প্রশাসনকে জানাতে হবে। যদি একান্তই সমস্যা হয় তবে সমাধান করা হবে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ