ঢাকা, শুক্রবার 7 September 2018, ২৩ ভাদ্র ১৪২৫, ২৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানার ওসির পর এবার ঘুষের দায়ে পুলিশের তিন সদস্য প্রত্যাহার

 

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় শীর্ষ এক মাদকব্যবসায়ীকে আটকের পর টাকা, রূপার গয়না ও মোবাইলফোন হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে দামুড়হুদা মডেল থানার তিন পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিন পুলিশ সদস্য হলেন, উপপরিদর্শক (এসআই) শ্যামল চন্দ্র সমাদ্দার, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কার্তিক কুমার বসু ও কনস্টেবল মো. সাজ্জাদ হোসেন।

আলোচিত ঘটনা তদন্তে দামুড়হুদা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু রাসেলকে প্রধান করে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্য হলেন, ডিআইও-১ পরিদর্শক গোলাম মোহাম্মদ। তদন্ত কমিটিকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

জানাগেছে-দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার শান্তিপাড়ার বাসিন্দা শীর্ষ মাদকব্যবসায়ী সোহেলকে (২৮) গত রোববার ২১টি ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে এসআই শ্যামল চন্দ্র সমাদ্দারসহ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা। পরদিন গত সোমবার মাদক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।

এদিকে অভিযোগ ওঠে সোহেলকে আটকের সময় তার কাছে থাকা ২৬ হাজার ৫শ টাকা, একটি স্মার্ট মুঠোফোন ও একটি রূপার চেইন পুলিশ জমা রাখে। যা পরবর্তীতে সোহেলের স্ত্রী অথবা মায়ের কাছে ফেরত দেয়ার কথা ছিলো। অথচ তা ফেরত না দিয়ে পুলিশের ওই তিন সদস্য আত্মসাত করে।

অপর একটি সূত্র জানায়, সোহেলকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে পুলিশ সদস্যরা তার পরিবারের কাছ থেকে ৪৯ হাজার ৫ শত টাকা নেয়ার গুজবটি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানার পর পুলিশ সুপার অভিযুক্তদেরকে মঙ্গলবার রাতেই পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করেন।

পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

উল্লেখ্য যে, কিছুদিন আগে উক্ত মডেল থানার ওসি আকরাম হোসেনকে ঘুষ গ্রহণের দায়ে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ