ঢাকা, শুক্রবার 7 September 2018, ২৩ ভাদ্র ১৪২৫, ২৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

এনআইডি প্রদানে নির্বাচন কমিশনের নষ্ট সিস্টেম

আবু মহি মুসা : ‘আমরা মনেপ্রাণে ননসেন্স হয়ে গেছি’। এ শিরোনামে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল সত্তর দশকের শেষের দিকে। বিষয়টি ছিল অক্ট্রয়ে (নগরশুল্ক) ডিউটি আদায় প্রসঙ্গে। ব্রিজের যেমন টোল তোলা হয়, ঠিক তেমনি অক্ট্রয় ডিউটি তোলা হতো রাজধানীর বিভিন্ন রোডে। বিমানবন্দর থেকে শেষ গন্তব্য স্থান পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অক্ট্রয় ডিউটি আদায়ের জন্য অনেকগুলো অক্ট্রয় পোস্ট বসানো ছিল। এ পোস্টগুলো একটি নির্দিষ্ট মূল্যে সরকারের কাছ থেকে ডাক নিতো কন্ট্রাকটররা। প্রবাসীরা যখন দেশে ফেরেন, বিদেশ থেকে আনা মালের উপর ডিউটি বসানো হতো এবং তারা তা আদায় করতো। এর নিয়ম ছিল, বিমান বন্দর থেকে কোনো প্রবাসীর গন্তব্য স্থান যদি যাত্রাবাড়ী হতো, ওই পর্যন্ত যেমন পাঁচটি অক্ট্রয় পোস্ট রয়েছে। চারটি পোস্ট অতিক্রমের জন্য প্রবাসীকে একটি পাস দেয়া হতো এবং শেষের অক্ট্রয় পোস্ট ডিউটি আদায় করতো। কোনো কোনো মালের অক্ট্রয় ডিউটি দিতে হবে তার একটা তালিকা টানিয়ে রাখা হতো। কিন্তু, ওই অক্ট্রয় পোস্টের মালিক বা নিযুক্ত কর্মচারীরা প্রবাসীদের সঙ্গে আনা সব মালেরই ডিউটি আদায় করতো। এমন কি পাসপোর্ট পর্যন্ত চেক করতো, যা আইনবহির্ভূত। যেমন, যারা ওভার ব্রিজের টোল আদায় করে, তারা যদি কারো পাসপোর্ট চেক করে, সেটা যেমন আইনবহির্ভূত, তেমনি অক্ট্রয় পোস্টে নিযুক্ত কর্মচারীরা পাসপোর্ট চেক করলে সেটাও ছিল আইন বহির্ভূত। বাঙালিদের যে স্বভাব। তাতে প্রবাসীরা হয়রানীর শিকার হতো। দেশের প্রতি তাদের ঘৃণাবোধ সৃষ্টি হতো। এ সংক্রান্তে একবার এক অভিযোগ চলে গেল সি.আই.ডির কাছে। অভিযোগকারী ছিলেন তখনকার সি.আই.ডি. ডি.আই.জির আত্মীয়। ডিআইজি এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন এবং সিআইডি বিষয়টি তদন্ত করে যাত্রীদের হয়রানি করার সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে। এই হয়রানী করার কারণে ওই বিষয়টি নিয়ে একটি উপসম্পাদকীয় লেখা হয়েছিল, যার শিরোনাম ছিল ‘আমরা মনেপ্রাণে ননসেন্স হয়ে গেছি’। পরবর্তীকালে এ বিষয়টি নিয়ে সংসদের আলোচনা হয় এবং অক্ট্রয় পোস্টগুলো তুলে দেয়া হয়। সে সময় কোনো বিষয়ে অসঙ্গতি বা দুর্নীতি নিয়ে লেখা হলে সাথে সাথে তার একটা কার্যকরি ব্যবস্থা নেয়া হতো। 

এই উদ্ভট শিরোনামটির একটি সূত্র ছিল। ঢাকার মগবাজার নয়াটোলাতে ‘ননসেন্স কøাব’ নামে একটি ক্লাব গড়ে উঠছিল ঠিক ওই সময়ে। এ ক্লাবে অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি ছিলেন এর সদস্য। লায়ন্স ক্লাবের সদস্যদের যেমন লায়ন বলা হয়, ঠিক তেমনি ননসেন্স ক্লাবের সদস্যদের বলা হতো ননসেন্স। ওই ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন আমার এক বন্ধু, তাকে মামা বলে ডাকতাম। রসিকতা করে কখনো তাকে ‘ননসেন্স মামা’ বলতাম। ওই মামা তখন মিট মিট করে হাসতেন। অকারণে কোনো ব্যক্তিকে যদি ‘ননসেন্স’ বলা হয় নিশ্চয়ই সে ক্ষিপ্ত হবে। কিন্তু মামা কখনো ক্ষিপ্ত হতেন না। প্রশ্ন ছিল, ননসেন্স নামে ক্লাব’ করা হলো কেন? মামা উত্তর করলেন, অন্যায় করতে করতে আমাদের অনুভূতি এতটা ভোঁতা হয়ে গেছে যে, আমরা ভালো মন্দ বুঝতে পারি না। কাজেই ওই রকম কোনো বিশেষণে অভিহিত করা হলেও আমাদের মধ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় না। এ কারণেই ক্লাবটির নাম রাখা হয়েছে ননসেন্স ক্লাব। মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য মূলত এ ক্লাবের নামকরণ। 

ক্লাবের নাম ননসেন্স ক্লাব, নামকরণে একটা বৈচিত্র্য আছে। এই নামকরণের যথার্থতা আছে। ১৭ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশ। এর মধ্যে নারী পুরুষ মিলিয়ে দশ কোটি মানুষ ভোটার। প্রত্যেক ভোটারের আইডি কার্ড থাকতে হবে। ভোটার আইডি কার্ড না থাকলে ভোট দেয়া যাবে না। এর কার্যকরি ভূমিকা কতটুকু এ নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন নেই। এই ভোটার আইডি কার্ড এতটাই প্রয়োজন যে, পাবলিক টয়লেট ইউজ করতে হলেও এই ভোটার আইডি কার্ডের প্রয়োজন হতে পারে। কাজেই এই দশ কোটি ভোটারকে ভোটার আইডি কার্ড দিতে হবে। গত নির্বাচনের আগে আর্মিদের সহায়তায় ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করে প্রদান করা হয়। কিন্তু তড়িঘড়ি করে সেই ভোটার আইডি কার্ড দিতে গিয়ে ভুল ভ্রান্তি হয়। নাম, বাবার নাম, জন্ম তারিখ, মেয়েদের নাম, স্বামীর নাম ভুলভ্রান্তিতে ছিল ভরা। বিভিন্ন সময়ে ভোটার আইডি কার্ডের সাথে বিদেশগামী যাত্রীদের পাসপোর্ট অথবা মেয়েদের ক্ষেত্রে কাবিননামা মিলাতে গিয়ে এই অসঙ্গতিগুলো ধরা পড়ে। ফলে বিদেশ যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নিয়ম চালু করার পর সর্বক্ষেত্রে এনআইডি কার্ডের ফটো কপি দিতে হয়। ভোটার আইডি কার্ড বা এনআইডি না থাকার কারণে জীবন প্রবাহ থেমে গেছে অনেকের ক্ষেত্রে। সেল ফোনের একটা সিম কিনতে হলে তাকে ছবিসহ এনআইডির একটি ফটো কপি দিতে হবে। এনআইডির ফটো কপি না দিতে পারলে সিম পাওয়া যাবে না। কাজেই এর গুরুত্ব অপরিসীম। 

সমগ্র বাংলাদেশে জনগণের এনআইডি কার্ড প্রিন্ট হয় ঢাকা প্রধান নির্বাচন কমিশন অফিস, আগারগাঁও থেকে। সংশোধনের ক্ষেত্রে যার বাড়ি টেকনাফ অথবা তেতুলিয়া সে টেকনাফ অথবা তেতুলিয়া থেকে এনআইডি কার্ড সংগ্রহ করেছে। কার্ডটিতে যদি কোনো ভুলভ্রান্তি থাকে সেক্ষেত্রে তাকে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশন অফিসের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। সে আবেদন চলে আসবে ঢাকা প্রধান নির্বাচন কমিশন অফিসে। কতদিন পর সে কার্ড প্রিন্ট হয়ে টেকনাফ অথবা তেতুলিয়া যাবে তার দিন তারিখের নিশ্চয়তা নেই। সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা গেছে, এক বছরেও এনআইডি কার্ড পাননি হাজার হাজার লোক। এই এনআইডি কার্ড না পাওয়ার কারণে ওই আবেদনকারীকে পথে পথে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। ব্যাংকে একাউন্ট করতে হলে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি দিতে হবে। এক বছরের মধ্যে যদি এনআইডি কার্ড না পাওয়া যায়, তার অর্থ ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যাবে না। এটা একটি উদাহরণ। 

ঢাকাতে যারা বসবাস করেন, তাদের অধিকাংশের স্থায়ী ঠিকানা গ্রামে। এনআইডি কার্ডে শুধু অস্থায়ী ঠিকানা থাকে। স্থায়ী কোনো ঠিকনা এনআইডি কার্ডে নেই। যেমন, একজন দোলাইপাড় নির্বাচনী এলাকায় অস্থায়ী ঠিকানায় বাস করছেন। এনআইডি কার্ডে দোলাইপাড় যে বাসা ভাড়া থাকেন সে বাসার ঠিকানা দিয়ে কার্ড করেছেন। কিন্তু তিনি বাসা পরিবর্তন করে মিরপুর চলে গেছেন। সেক্ষেত্রে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে? এনআইডি কার্ডে স্থায়ী ঠিকানা না থাকলেও আবেদনপত্রে স্থায়ী ঠিকানা আছে। পাসপোর্টে স্থায়ী এবং অস্থায়ী দুটো ঠিকানাই থাকতে হবে। যদি স্থায়ী ঠিকানা না থাকে, তাতে সমস্যা হতে পারে। বিদেশে যদি কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হয় তখন তাকে স্থায়ী ঠিকনায় পাঠানো হয়। 

যাহোক, প্রদত্ত এনআইডি কার্ডে এসব ভুলত্রুটি সংশোধনের কারণে তাকে নতুন করে এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশন অফিসের মাধ্যমে। আবেদনের সাথে জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট, এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এফিডেভিট দিতে হবে। একজন এনআইডি কার্ডে আবেদনকারীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, তার বাড়ি বরিশালে। সরকারি চাকরি করতেন। অবসর নিয়েছেন। তার বয়স ৬৭ বছর। তার জন্মসন ৫০ এর পরিবর্তে ৫১ সাল লেখা হয়েছে এনআইডি কার্ডে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধান। তিনি পেনশনভোগী। তার আবেদনে ৫১ সালের পরিবর্তে ৫০ সাল তার জন্ম তারিখ পরিবর্তনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। এ সংক্রান্তে তাকে জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট, সার্ভিস রেকর্ড দেয়ার পরও তাকে আবার এসএসসি পাসের সার্টিফিকেট দিতে বলা হয়েছে। শুধু জন্মনিবন্ধনের সার্টিফিকেটের উপর ভিত্তি করে তার জন্মসন পরিবর্তন করা যায় না? নাকি জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেটের ওপর আস্থা রাখা যায় না? 

একজন পেনশনভোগী, তার পেনশনের জন্য সার্ভিসবুক ফিকসেশন করতে গিয়ে সার্ভিস রেকর্ড এবং এনআইডি কার্ডের মধ্যে গরমিল দেখা গেছে। ফলে এই কার্ডের জন্য তিনি পেনশন তুলতে পারেননি দীর্ঘ দিন। সব কিছু দেয়ার পরও তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘদিন এনআইডি কার্ড পেতে। অনেকে এক বছরেও এনআই কার্ড পাননি, যারা বিভিন্ন জেলা থেকে আবেদন করেছেন। অনেকে ঢাকা এসে তদবির করেন। টাকা-পয়সার লেনদেনও হয় দালালের মাধ্যমে। এই এনআইডি কার্ড পেতে কখনো কখনো ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এটা কল্পনা করা যায়? 

উল্লেখ্য যে, এই এনআইডি কার্ডের মেয়াদ রাখা হয়েছে মাত্র দু’বছর। দু’বছর পর আবার সেই হয়রানি। আবার টাকা জমা দিতে হবে কার্ডের জন্য। প্রতি দু’বছর পর কি এনআইডি কার্ডের জন্য নির্বাচন কমিশন অফিসে ধর্ণা দিতে হবে? পৃথিবীতে কি এমন অসভ্য সিস্টেম আর কোথাও আছে? এনআইডি কার্ডের সিস্টেম যখন ছিল না, তখন দেশ চলেনি? একটা পাসপোর্টের মেয়াদ থাকে ৫ বছর। মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে এরপর টাকা জমা দিয়ে রিনিউ করা হয় পরবর্তী ৫ বছরের জন্য। এ বিষয়ে বলার কিছু নেই। কিন্তু এনআইডি কার্ডের মেয়াদ কি কারণে মাত্র ২ বছর করা হলো? এটা কি কোনো পত্রিকার চাকরি যে আইডি কার্ডের মেয়াদ থাকবে ৬ মাস অথবা ১ বছর। এর মধ্যে সে অন্য কোনো পত্রিকায় চলে যেতে পারে। কিন্তু যিনি এ দেশের নাগরিক তাকে কেন ২ বছরের মেয়াদের জন্য এনআইডি কার্ড ইস্যু করা হয়। এনআইডি কার্ড ইস্যু হবে, যার মেয়াদ থাকবে সারা জীবন। হারিয়ে গেলে জরিমানা দিয়ে তাকে কার্ড তুলতে হবে। আর এই কার্ড তুলতে কি পরিমাণ হয়রানির শিকার হতে হয়, ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ এটা উপলব্ধি করতে পারবেন না। 

এরকম হয়রানি হতে হয় পাসপোর্ট করার সময়। যেখানে সন্ত্রাসীরা ইচ্ছে করলেই পাসপোর্ট করতে পারে টাকার বিনিময়, যেখানে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশী পাসপোর্ট পেতে পারে টাকার বিনিময়, সেখানে পাসপোর্টের ইনকোয়ারীর কি প্রয়োজন? এনআইডি কার্ডেও স্থায়ী ঠিকানা থাকবে, এনআইডি কার্ডের ফটো কপি পাসপোর্ট আবেদনের সাথে জমা দিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাকে পাসপোর্ট প্রদান করার নিয়ম চালু করা উচিত। ঘাটে ঘাটে ইনকোয়ারী আর ঘাটে ঘাটে টাকা দিয়ে ইনকোয়ারী অফিসারদের খুশি করা, এটা কি কোনো সভ্য দেশের সিস্টেম হতে পারে? বাংলাদেশের সব নাগরিকের পাসপোর্ট গ্রহণে উৎসাহিত করা এবং সহজ পদ্ধতিতে পাসপোর্ট প্রদান করা হলে সরকার লাভবান হবে। অনেক লোক আছে পাটপোর্ট করে রেখেছে কিন্তু বিদেশে যায়নি। আদৌ কোনো দিন যেতে পারবেন কিনা তা অনিশ্চিত। যাক বা না যাক, তার ইচ্ছা হয়েছে পাসপোর্ট করার, সুযোগ পেলে বিদেশে যাবে। বিদেশের মাটিতে এই পাসপোর্ট হচ্ছে তার আইডি কার্ড। বিদেশে কোনো কারণে পাসপোর্টটা হরিয়ে গেলে তাকে হয়রানির শিকার হতে হবে। কিন্তু পাসপোর্ট করতে গিয়েও যে পরিমাণ সময় নষ্ট হয়, যাদের কাছে সময়ের মূল্য আছে তারা বুঝতে পারে কতটা হয়রানির ব্যাপার।

পরিবহন সেক্টরে হয়রানি দুর্নীতির নিয়ে বহুবার লেখা হয়েছে। পৃথিবীতে আর কতটি দেশ আছে যেখানে মহানগরীতে লোকাল বাস ‘গেট লক’ অথবা ‘সিটিং সার্ভিস’ হিসেবে চলে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে। ফলে অফিসগামী যাত্রীদের বাসের অপেক্ষায় সকালে এবং বিকালে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এক ঘণ্টা দেড় ঘণ্টা। এ আইন কি সরকারের? সরকারের কি লাভ এতে? সরকার যদি জনবান্ধব হতো তাহলে এর বিরুদ্ধে কি কোনো পদ্ধক্ষেপ নিতে পারতো না? কেন পদক্ষেপ নিচ্ছে না, তার কারণ পরিবহন সেক্টর কোনো সাধারণ মানুষের নিয়ন্ত্রণে নয়। অধিকাংশ গাড়ির মালিক কোনো রাজনীতিবিদ এবং বড় কর্মকর্তা। এখন মনে হচ্ছে পুরো বাংলাদেশে মগবাজারের ‘ননসেন্স ক্লাবের’ শাখা বিস্তৃতি ঘটেছে। সব সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ননসেন্স ক্লাবে পরিণত হয়ে গেছে। আমরা কি কোনো দিনও আশা করতে পারি ক্লাবের নামের সাথে ‘ননসেন্স’ শব্দটি বাদ দিয়ে ‘জনবান্ধব’ নামটি জুড়ে দিয়ে ‘জনবান্ধব ক্লাব’ নামকরণ করা?

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ