ঢাকা, শুক্রবার 7 September 2018, ২৩ ভাদ্র ১৪২৫, ২৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

এসসি/এসটি আইন সংশোধনের বিরুদ্ধে ভারতে উচ্চ বর্ণের বনধ

৬ সেপ্টেম্বর, এনডিটিভি/হিন্দুস্তান টাইমস : ভারতের তফশিলি জাতি ও উপজাতির নির্যাতন রোধ আইনে (এসসি/এসটি) কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাবিত সংশোধনীর বিরুদ্ধে কয়েকটি রাজ্যে আন্দোলন চলছে। ভারতজু ড়ে বনধের ডাক দিয়েছে করণি সেনা, সবর্ণ সমাজের মতো বেশ কিছু উচ্চবর্ণ সংগঠন। গতকাল বৃহস্পতিবার আন্দোলনকারী টায়ার পুড়িয়ে দেয় ও রাস্তা অবরোধ করে। থামিয়ে দেওয়া হয় ট্রেনও। 

গত ২০ মার্চ তফশিলি জাতি ও উপজাতি নির্যাতন আইনের কয়েকটি ধারার উপর কিছু নির্দেশিকা জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। তাতে বলা হয়, এই আইনে কোনও সরকারি কর্মীকে গ্রেফতার করতে গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের থেকে আগে অনুমতি নিতে হবে। পাশাপাশি তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরে কোনও অত্যাচারের ঘটনায় মামলা করতে গেলে তদন্ত হবে ডিএসপি পর্যায়ে। সুপ্রিম কোর্টের ওই নির্দেশিকা জারির পরই দেশজুড়ে বনধ ডাকে বেশ কয়েকটি দলিত সংগঠন। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়। সুপ্রিম কোর্টের ওই নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করে ওই আইনে কিছু সংশোধনী এনেছে মোদির সরকার। এই সিদ্ধান্তেরই বিরোধিতায় নেমেছে মধ্যপ্রদেশের বেশ কিছু তথাকথিত উচ্চবর্ণের সংগঠন। মঙ্গলবার থেকে মধ্যপ্রদেশে চলছে বিক্ষোভ ৷ এবার সেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে পুরো ভারতে।

মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রদেশের দশটি এলাকায় ১৪৪ধারা জারি করা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ ছাড়াও বিহার ও উত্তর প্রদেশ থেকেও সহিংসতা খবর পাওয়া যাচ্ছে। রাজাস্থান, ঝাড়খ- ও মহারাষ্ট্রেও এমন ঘটনা ঘটেছে। বিহারের দারভাঙ্গা ও মাঙ্গারে ট্রেন থামিয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। পাটনার রাজেন্দ্রনগর টার্মিনাল রেলওয়ে স্টেশনে অবরোধ করেছে তারা। মোকামায় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে।

মধ্যপ্রদেশের ৩৫টি জেলায় জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন জেলায় পুলিশের বিশেষ সশস্ত্র বাহিনীর ৩৪টি কোম্পানিও ৫ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশের মহাপরিদর্শক মাকরান্দ দেউশেকার বলেন, ৬ সেপ্টেম্বর বনধকে কেন্দ্র করে কয়েকটি জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ