ঢাকা, শুক্রবার 7 September 2018, ২৩ ভাদ্র ১৪২৫, ২৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ভুটানকে হারিয়ে সেমির সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখলো নেপাল

স্পোর্টস রিপোর্টার: ভুটানকে হারিয়ে সাফ সুজুকি কাপের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখলো নেপাল। গতকাল বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপাল ৪-০ গোলে সহজ ব্যবধানে ভুটানকে হারিয়েছে। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা নেপাল দ্বিতীয়ার্ধে আরো দুর্বার হয়ে উঠে দুটি পরিবর্তনে। নিরাঞ্জন খাড়কা ও ভারত খাওয়াজ প্রথমার্ধে গরম করেছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চ। এ দুই জন মাঠে নামার পরই বদলে যায় খেলার দৃশ্যপট। দ্বিতীয়ার্ধের ৩ গোলের দু’টি করেন তারা। পাকিস্তানের কাছে ইনজুরি সময়ের গোলে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল নেপাল। দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত জয়ে তারা ঘুরে দাঁড়ালো প্রথম শিরোপা জয়ের মিশনে। দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট ঝুলিতে নিয়ে নেপাল শেষ ম্যাচ খেলবে ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।

মাঝমাঠে বিশাল রাজ, সুজাল শেরেস্তার দারুণ সেতুবন্ধ তেরি করলেন রক্ষণ আর আক্রমণভাগের মধ্যে। বিমল, সুনিল ও অঞ্জন মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো বলগুলো ধরেই বারবার হানা দিচ্ছিলেন ভুটানের রক্ষণে। ১৫ মিনিটের মধ্যে দু'দুটি সংঘবদ্ধ আক্রমণে ফল না আসলেও ২১ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে এগিয়ে যায় হিমালয়ের দেশটি। সুনিলের কর্নারে অনন্ত তামাংয়ের হেড এগিয়ে দেয় নেপালকে। ৬৪ মিনিটে সেন্দা দর্জি নেপালের জালে বল পাঠিয়ে গোলের উল্লাস করতে করতে তাকিয়ে দেখেন সহকারী রেফারি অফসাইটের পতাকা উঁচিয়ে রেখেছেন।

তার আগে ভুটানের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড চেনচো গোল করার মতো সুযোগ পেয়েও কিছু করতে পারেননি। দুই ম্যাচে চেনচো বুঝিয়েছেন তাকে নিয়ে যতটা আলোচনা হয়, ততটা সামর্থ্য তার নেই। ৬৮ মিনিটে ডান দিক থেকে বিমালের ক্রসে অঞ্জন বিস্তার নেয়া জোড়ালো শট ফিরে আসে ক্রসবারে লেগে। পরের মিনিটেই পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেপাল। ভুটানের নিমা ওয়াংদি বক্সে বলবিহীন ফাউল করে নিরাঞ্জনকে ফেলে দেন। ভারতীয় রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। বিমানের নেয়া পেনাল্টি কিক ভুটানের গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেননি। দৌঁড়ে এসে ফিরতি বলে গোল করেন সুনিল বল। ৭৯ মিনিটে নেপালের তৃতীয় গোল করেন বদলি ফরোয়ার্ড ভারত খাওয়াজ। মাঠে নামার মিনিটে তিনেকের মধ্যেই গোল করে নেপালের জয়ের ব্যবধান বাড়ান তিনি। দলের জয়েকে ৮৮ মিনিটে  চতুর্থ গোল করে আরো সহজ করে নেন আরেক বদলি নিরাঞ্জন খাড়কা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ