ঢাকা, শনিবার 8 September 2018, ২৪ ভাদ্র ১৪২৫, ২৭ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

উইঘুর মুসলমানদের নির্যাতন ধর্ষণে বিশ্বমুসলিম ক্ষুব্ধ

গতকাল রাজধানীতে ইসলামী আন্দোলন, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে চীনের ইউঘুর মুসলমানদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয় -সংগ্রাম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল সৈয়দ মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেছেন, চীন সরকার কর্তৃক উইঘুর মুসলমানদের বন্দী করে নিপীড়ন-নির্যাতন, ধর্ষণ, ঘরবাড়ি ধ্বংস, লুটপাট ও বিতাড়ন মুসলমান ও বিশ্ববাসীকে ব্যথিত ও মর্মাহত করছে। তাদের পাশে দাঁড়ানো মুসলিম ও বিশ্ববাসীর মানবিক দায়িত্ব। চীন যদি বন্দী মুসলমানদের মুক্তি না দেয় তাহলে মুসলিম বিশ্বে চীনের সকল পণ্য বর্জনের কর্মসূচি আসতে হবে। তিনি দেশে দেশে মুসলিম নির্যাতন, হত্যা বন্ধে বিশ্বমুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
গতকাল বাদ জুমা বায়তুল মুকাররম উত্তর গেইটে চীনের উইঘুর মুসলমানদের বন্দী ও নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়ার দাবীতে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। নগর উত্তর সভাপতি মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, শ্রমিকনেতা মাওলানা খলিলুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমান, ডা. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ, মাওলানা মাসউদুর রহমান, মাওলানা এইচএম সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম নাঈম, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, প্রকৌশলী মুহা. গিয়াস উদ্দিন, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মুফতি ফরিদুল ইসলাম, ডা. মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকার দলীয় গোলামী কমিশনে পরিণত হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হবে। এই সময়ে ইসি কেন বা কার স্বার্থে ইভিএম নিয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন, টাকার বিনিময়ে উখিয়া-টেকনাফের সরকারি বনভূমিতে ঘর তুলে ভাড়া দেওয়া এখন প্রভাবশালীদের নিয়মিত বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে। বিদেশি এনজিও’র পক্ষ থেকে পাহাড়ি বনভূমি দখল করে রোহিঙ্গাদের জন্য আবাসন ব্যবস্থার পেছনে রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় প্রভাবশালী নেতারা। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিয়ে এসব বাণিজ্য বন্ধ না করলে দেশপ্রেমিক ইসলামী জনতা নীরবে বসে থাকবে না। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ