ঢাকা, শনিবার 8 September 2018, ২৪ ভাদ্র ১৪২৫, ২৭ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খালেদা জিয়াকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিশেষায়িত হাসপাতালে নেয়ার আহ্বান আইনজীবীদের

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিশেষায়িত হাসপাতালে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ দাবি করেন।
এর আগে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে জয়নুল আবেদিনসহ খালেদা জিয়ার চার আইনজীবী কারাগারে পৌঁছে সাক্ষাতের অনুমতি চান। বিকেল ৫টার কিছুক্ষণ আগে তারা কারাগারে প্রবেশ করেন। প্রায় ১ ঘণ্টা সাক্ষাৎ শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে আইনজীবীরা বেরিয়ে আসেন। সাক্ষাতে যাওয়া অন্য আইনজীবীরা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার, এজে মোহাম্মদ আলী ও আব্দুর রেজাক খান।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জয়নুল আবেদিন। তিনি বলেন, আজ সাক্ষাতে ম্যাডামকে যেভাবে দেখেছি, তাতে তিনি কিভাবে আগের দিন আদালতে এসেছেন, সেটাই ভাবছি। তিনি বাম হাত নাড়াতে পারছেন না। বাম পাশ পুরো অবশ হয়ে গেছে। চোখেও প্রচণ্ড ব্যথা হয়। চোখের ভবিষ্যৎ কি সেটা বলা যাচ্ছে না।
জয়নুল আবেদিন বলেন, আমরা মনে করি, কারাগারের ভেতরে রেখে তাকে চিকিৎসা না দেয়ায় এই অবস্থা হয়েছে। তার জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। তা না হলে খালেদা জিয়া প্যারালাইজড হয়ে যেতে পারেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই আইনজীবী। জয়নাল আবেদীন আরও বলেন, খালেদা জিয়ার সারা শরীরে ব্যথা। অবিলম্বে তার চিকিৎসা দরকার।
তিনি আরো বলেন, আমরা মনে করি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে নেয়া হোক। ইউনাইটেড, অ্যাপোলো বা যে কোনো বেসরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হোক। আগে চিকিৎসা, তারপর বিচার। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তিনি তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। এরপর থেকে তাকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের একটি কক্ষে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানি হয়। ওই শুনানিতে হুইল চেয়ারে করে আদালতে হাজিরা দেন খালেদা জিয়া।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ