ঢাকা, শনিবার 8 September 2018, ২৪ ভাদ্র ১৪২৫, ২৭ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অর্থবছরের আড়াই মাস পর কেসিসির ৬৩৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা ১৩ সেপ্টেম্বর

খুলনা অফিস : অর্থবছরের আড়াই মাস পর ঘোষণা হতে যাচ্ছে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) নতুন অর্থবছরের বাজেট। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় সিটি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এই বাজেট ঘোষণা করবেন।
বাজেট শাখা থেকে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের জন্য এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় বাজেট তৈরি করেছে খুলনা সিটি করপোরেশনে (কেসিসি)। বাজেটের আকার দাঁড়িয়েছে ৬৩৭ কোটি টাকা। নতুন বাজেটে রাজস্ব তহবিল থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৪ কোটি টাকা। এছাড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সরকারের থোক বরাদ্দ ও প্রকল্পে বরাদ্দ থেকে ২৭১ কোটি টাকা এবং বিদেশী দাতা সংস্থার কাছ থেকে ১৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যাবে বলে আশা করা হয়েছে।
কেসিসির মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানসহ চলতি পরিষদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর। মেয়াদ শেষের মাত্র ১২ দিন আগে ঘোষণা করা এই বাজেট বাস্তবায়ন করতে হবে নতুন পরিষদের। এজন্য বাজেটে তাদের মতামতকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কেসিসি’র ৩০তম বিশেষ সভায় (বাজেট) সভাপতিত্ব করেন সিটি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। সভায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত খসড়া বাজেট উপস্থাপন করেন কেসিসি’র অর্থ ও সংস্থাপন স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর শেখ মো. গাউসুল আজম।
সভা থেকে জানা গেছে, চলতি বাজেটে নিজস্ব আয়ের বাইরে সরকারের কাছ থেকে ৪৬ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ এবং ২৫ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছে। বিদায়ী অর্থ বছরে এই দুই খাত থেকে পাওয়া গেছে ২০ কোটি। এর আগের বছর পাওয়া গিয়েছিল মাত্র ১২ কোটি টাকা।
বর্তমানে কেসিসিতে সরকারি অনুমোদিত কোনো প্রকল্প নেই। গত মাসে জলাবদ্ধতা নিরসন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নে ৮৪৩ কোটি এবং সড়ক মেরামত ও উন্নয়নে ৬০৮ কোটি টাকার দু’টি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ দু’টি প্রকল্প থেকে ২০০ কোটি টাকা পাওয়া যাবে-এমন ধরে নিয়েই বাজেট তৈরি করা হয়েছে। বাজেটে বিদেশী দাতা সংস্থা থেকে অনুমোদিত ১২টি প্রকল্প থেকে ১৮৩ কোটি টাকা পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বিদায়ী অর্থবছরে এই খাত থেকে ৫৫ কোটি এবং এর আগের বছর ৪৮ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল।
এর মধ্যে ন্যাশনাল আরবান প্রোভার্টি রিডাকশন প্রোগ্রাম থেকে ৮ কোটি, বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড প্রকল্প থেকে ১১১ কোটি, নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প পার্ট-২ থেকে ৩০ কোটি, নিরাপদ পথ খাবার কর্মসূচি থেকে ৮ লাখ, আরবান পাবলিক এন্ড এনভারমেন্টাল হেলথ সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প থেকে ১০ কোটি, সিটি ওয়ার্ড ইনক্লুসিভ স্যানিটেশন এনভারমেন্ট ইন খুলনা প্রকল্প থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, আরবান ম্যানেজমেন্ট অব মাইগ্রেশন ডিউ টু ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ ইন খুলনা সিটি করপোরেশন থেকে ৫০ লাখ টাকা, সোলার স্ট্রিট লাইট প্রকল্প থেকে দুই কোটি এবং খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুল নির্মাণ প্রকল্প থেকে ৩ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। এছাড়া এনগেজিং মাল্টি সেক্টরাল পাটনার্স ফর ক্রিয়েটিং অপারচুনিটিজ ইমপ্রুভিং নামের একটি প্রকল্প থেকে ১৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং লোকাল গভর্নেন্স ফর চিলড্রেন নামের একটি প্রকল্প থেকে ৭১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ