ঢাকা, রোববার 23 September 2018, ৮ আশ্বিন ১৪২৫, ১২ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আওয়ামী লীগ তিন দফায় সারের দাম কমিয়েছে: শেখ হাসিনা

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়া-এরশাদ ও খালেদা জিয়ার সরকারগুলোর চিন্তা ছিল বৈরী। বিএনপি যখন সরকারে ছিল, সারের জন্য কৃষকদের ধরনা দিতে হয়েছে। গুলি খেয়ে ১৮ জন কৃষককে প্রাণ দিতে হয়েছিল। কিন্তু এখন সারের জন্য ধরনাও দিতে হয় না। সারই কৃষকের হাতের মুঠোয় পৌঁছে যায়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তিন দফায় সারের দাম কমিয়েছে।

আজ (শনিবার) সকালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন ৬ষ্ঠ জাতীয় কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পচাত্তরের পরবর্তী সরকারগুলোর চিন্তা ছিল ব্যবসা। তাঁরা চায়নি বাংলাদেশ নিজ পায়ে দাঁড়াক। তারা চেয়েছিল বাঙালি বিক্ষুক জাতি হিসেবে থাকুক। তাই তো বিএডিসি বন্ধ করে দিয়েছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে কৃষিকে গুরুত্ব দেওয়া শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন। এক সময় সারের জন্য কৃষককে জীবন দিতে হয়েছে। আজ সার কৃষকের দোঁড়গোড়ায় পৌছে দেওয়া হচ্ছে।

কৃষিক্ষেত্রে তাঁর সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ ২ কোটি ১৩ লাখেরও বেশি মানুষ কৃষি উপকরণ কার্ড পেয়েছে। তাঁদের কাছে কৃষি উপকরণ পৌছে যাচ্ছে। আমরা কৃষকদের ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আজ বর্গাচাষীরা জামানতবিহীন ঋণ পাচ্ছে। ১ কোটি কৃষক ভর্তুকি পাচ্ছে।

কৃষি উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা লাভের পর অল্প সময়ের মধ্যে জাতির পিতা এ দেশকে গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু তার নেয়া সব উন্নয়ন পরিকল্পনা বন্ধ করে দেয় জিয়াউর রহমান ও তৎপরবর্তী হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও খালেদা জিয়ার সরকারও।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীদের উদ্দেশ্যই ছিল এদেশের মানুষকে শোষণ করা। এদেশের মানুষ ভিক্ষা করবে, এটাই চেয়েছিল ক্ষমতা দখলকারীরা।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর এদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে কৃষির উন্নয়নে নানা প্রকল্প-পদক্ষেপ গ্রহণ করে। জমির সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। অর্থনৈতিকভাবে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি ড. মির্জা জলিল, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ