ঢাকা, রোববার 9 September 2018, ২৫ ভাদ্র ১৪২৫, ২৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও জনগণের ভোটের অধিকার ফিরে পেতে বুকের রক্ত দেয়ার প্রস্ততি নিতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান

খুলনা অফিস : কারাগারে গুরুতর অসুস্থ দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং লুট হয়ে যাওয়া জনগণের ভোটের অধিকার ফিরে পেতে বুকের রক্ত দেয়ার প্রস্ততি নিতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। 

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার অধীনে দেশে আর কোন ৫ জানুয়ারীর মতো নির্বাচন হবেনা। এ ধরনের কোন চক্রান্ত ষড়যন্ত্রই সফল হবেনা। অক্টোবর মাস থেকে অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে এবং জনগণ সে পরিবর্তন টের পাবে। তিনি বলেন, অবৈধ সরকারকে যারা টিকিয়ে রেখেছিল তারাও মত পরিবর্তন করতে বাধ্য হবে। 

সংবিধান লংঘন করে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে কারাগারের ভেতরে আদালত বসিয়ে বিএনপির চেযারপারসন ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার বিচার কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিবাদে খুলনায় শনিবার অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বেলা ১১টায় কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। 

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, তাদের মিত্র হিসেবে পরিচিতরাই এখন বলছেন, বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। ওই দলের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, নির্বাচনে জিততে না পারলে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করা হবে। মঞ্জু বলেন, লুটেরা, তাবেদার, দখলবাজ, দুর্নীতিবাজ, হাজারো অপকর্মে জড়িত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভেতর এখন চরম আতংক ও ভয় বিরাজ করছে। আর তাই যে কোন মূল্যে খালেদা জিয়াকে জেলে আটকে রেখে, বিনা চিকিৎসায় হত্যার চক্রান্ত করে, তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে না দিয়ে এবং সারা দেশের লাখ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আবারও ক্ষমতার মসনদ দখলে রাখতে চায়। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের যারা অপকর্মের সাথে জড়িত তাদের তালিকা করা হচ্ছে। অবৈধ সরকারকে টিকিয়ে রাখতে পুলিশ ও প্রশাসনের যে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন তাদেরও তালিকা করা হচ্ছে। একদিন তাদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে। 

সভা থেকে শুক্রবার রাতে খানজাহান আলী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম এবং ছাত্রদল নেতা সবুজ হাওলাদারকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়। 

বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় কর্মসূচি বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন কেসিসির মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, এডভোকেট এস আর ফারুক, শাহজালাল বাবলু, এডভোকেট ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, ফখরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, মেহেদী হাসান দীপু, মহিবুজ্জামান কচি, শফিকুল আলম তুহনি, শাহিনুল ইসলাম পাখী, আজিজুল হাসান দুলু, এডভোকেট গোলাম মাওলা, আব্দুর রহিম বক্স দুদু, ইকবাল হোসেন খোকন, মুজিবর রহমান, সাদিকুর রহমান সবুজ, এহতেশামুল হক শাওন, শেখ সাদী, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, মুর্শিদ কামাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, কে এম হুমায়ুন কবির, একরামুল কবির মিল্টন, একরামুল হক হেলাল, হাসানুর রশিদ মিরাজ, এডভোকেট মশিউর রহমান নান্নু, ইশতিয়াকউদ্দিন লাভলু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, এডভোকেট তৌহিদুর রহমান চৌধুরী তুষার, এডভোকেট হাসিবুর রহমান, শরিফুল ইসলাম বাবু, হেলাল আহমেদ সুমন, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মুজিবর রহমান ফয়েজ, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, মীর কবির হোসেন, হাফিজুর রহমান মনি, জহর মীর, জামিরুল ইসলাম, হাসান মেহেদী রিজভী, শমসের আলী মিন্টু, মো. ওহেদুজ্জামান, বদরুল আনাম, আফসারউদ্দিন মাস্টার, এডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, হাসানউল্লাহ বুলবুল, আবু সাঈদ হালাদার আব্বাস, হাবিব বিশ্বাস, আবুল কালাম শিকদার, বেলায়েত হোসেন, আফজাল হোসেন পিয়াস, নিঘাত সীমা, শফিকুল ইসলাম শাহিন, তরিকুল্লাহ খান, রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাহউদ্দিন মিজু, মহিউদ্দিন টারজান, নাসির খান, ওয়াহিদুর রহমান দীপু, শাহাবুদ্দিন মন্টু, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আবুল হোসেন, ইমতিয়াজ আলম বাবু, মোস্তফা কামাল, কাজী মাহমুদ আলী, জাহিদ কামাল টিটু, মাহবুব হোসেন, সরদার ইউনুস, আরমান হোসেন, বাচ্চু মীর, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, মেহেদী হাসান সোহাগ, লিটন খান, সাব্বির হোসেন, কাজী শাহনেওয়াজ নীরু, মিজানুর রহমান খোকন, আলমগীর হোসেন, কাজী নেহিবুল হাসান নেহিম, জি এম রফিকুল হাসান, রবিউল ইসলাম রুবেল, মাজেদা বেগম, নুরে আব্দুল্লাহ, মুনতাসির আল মামুন, মুছা খান, কাজী নজরুল ইসলাম, হেদায়েত হোসেন হেদু, জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।

এর আগে সকাল ১০টায় একই স্থানে অভিন্ন দাবিতে প্রতিবাদ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে খুলনা জেলা বিএনপি। সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, খান জুলফিকার আলী জুলু, কামরুজ্জামান টুকু, চৌধুরী কওসার আলী, খান আলী মুনসুর, সাইফুর রহমান মিন্টু, এডভোকেট শরিফুল ইসলাম জোয়াদ্দার, এডভোকেট মাসুম আল রশিদ, ডা. আব্দুল মজিদ, এস এ রহমান বাবুল, মোস্তফা উল বারী লাভলু, এডভোকেট শহিদুল আলম, শামসুল আলম পিন্টু, মুর্শিদুর রহমান লিটন, ওয়াহিদুজ্জামান রানা, শামীম কবির, তৈয়েবুর রহমান, আতাউর রহমান রনু, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, শেখ হাফিজুর রহমান, খায়রুল ইসলাম খান জনি, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, মোল্লা সাইফুর রহমান, খন্দকার ফারুক হোসেন, নুরুল আমিন বাবুল, সাইফুল হাসান রবি, এডভোকেট আব্দুস সবুর, কামরুল ইসলাম সিপার, আরিফুর রহমান, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, গোলাম, কিবরিয়া আশা, শেখ আব্দুস সালাম, রফিকুল ইসলাম বাবু, জসিমউদ্দিন লাবু, শামসুল বারিক পান্না, ফরহাদ হোসেন, আব্দুল মালেক, এডভোকেট আলফাজ হোসেন, এডভোকেট মাসুদ করিম, রাহাত আলী লাচ্চু, তারভিরুল আযম রুম্মান, শাহানুর রহমান আরজু, জায়েদা বেগম, ডা. আলমগীর হোসেন, আবুল বাশার, শাহাদাত হোসেন ডাবলু, সরদার আব্দুল মতিন, শরীফ মোজাম্মেল হোসেন, আসলাম পারভেজ, মোফাজ্জেল হোসেন মফু, বিকাশ মিত্র, গাজী জািকর হোসেন, মোল্লা বিল্লাল হোসেন, মাওলান ফারুক হোসেন, সফিকুর রহমান, হারুন রশিদ, জাহাঙ্গীর গোলদার, স ম মনিরুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান খান, হাবিবুর রহমান, আবু হানিফ, গাজী মাসুম, মো. ইউসুফ, সরদার আব্দুল মালেক, শরিফুল ইসলাম বকুল, সাইফুল ইসলাম মোড়ল, শেখ সরোয়ার হোসেন, সাইফুল পাইক, মশিউর রহমান লিটন, মিঠু মোল্লা, এডভোকেট সেতারা সুলতানা, রেহেনা পারভীন, মনিরা পারভীন, দিদারুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম তারেক, গাজী ইউনুস, কুদরতে ইলাহী স্পীকার, ফারুক হোসেন, আব্দুর রহমান, বাদশা গাজী, গাজী শহিদুল ইসলাম, আবু জাফর, আনোয়ার হোসেন আনু, মোল্লা রিয়াজ, আবু বক্কর সিদ্দিকী নীরু, বাহাদুর মুন্সি, শামীম, সবুর, রবিউল ইসলাম, আব্দুর রব আকুঞ্জি, রেজাউল হক খোকন, মোস্তাকিন বিল্লাহ প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ