ঢাকা, রোববার 9 September 2018, ২৫ ভাদ্র ১৪২৫, ২৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আধাঘণ্টা ট্রেন থামিয়ে রেখে দলীয় পথসভা করলেন ওবায়দুল কাদের

* বিএনপি-জামায়াত নয় বছরে নয় মিনিটও আন্দোলন করতে পারেনি
স্টাফ রিপোর্টার : এবার ট্রেন সফরে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। গতকাল শনিবার দেশের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। দলের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে নির্বাচনী ট্রেন অভিযাত্রা শুরু হয়। সকালে নীলসাগর ট্রেনে করে কমলাপুর থেকে তাদের সফর শুরু করে। টাঙ্গাইলে ট্রেন আধাঘন্টা স্টেশনে থামিয়ে রেখে পথসভা করেন ওবায়দুল কাদের। এছাড়া সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, নাটোর, পাবনা, ঈশ্বরদী, জয়পুরহাটে পথসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি। ঈশ্বরদীর মুলাডুলি স্টেশনে অনুমতি ছাড়াই সভামঞ্চ করে আওয়াম লীগ। সেখানে বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন স্টেশনে ১১টিরও বেশি পথসভা করেন। নীলফামারী গিয়ে তার সফর শেষ হয়। আওয়ামী লীগেরে নির্বাচনী ট্রেন সফর নিয়ে আমারদের সংবাদদাতাদের পাঠানো তথ্য
টাঙ্গাইল : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী ট্রেন যাত্রাকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল রেলস্টেশনে সাধারণ যাত্রীদের গতকাল সকালে বিস্তর দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সাধারণত নীলসাগর ট্রেনটি টাঙ্গাইল স্টেশনে দুই মিনিটের জন্য থামে। কিন্তু ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে ট্রেনটি ৩০ মিনিট দেরিতে ছেড়ে যায়। দলীয় সাধারণ সম্পাদকের আগমন উপলক্ষে সকাল থেকেই আওয়ামী লীগের শত শত নেতা-কর্মী রেলস্টেশনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করে। প্রচুর লোকের ভিড়ে রেলস্টেশনের টিকিট বিক্রিসহ স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয়।
নীলসাগর ট্রেনটি স্বাভাবিক অবস্থায় সকাল ১০টা ১০ মিনিটে টাঙ্গাইল স্টেশনে প্রবেশ করে এবং ২ মিনিট যাত্রাবিরতি দিয়ে ১০টা ১২ মিনিটে টাঙ্গাইল স্টেশন ত্যাগ করে। কিন্তু আজ স্টেশনে প্রবেশ করে ১০টা ৩৩ মিনিটে। সেখান থেকে ছাড়ার কথা ছিল ১০টা ৩৫ মিনিটে। কিন্তু ওবায়দুল কাদের ট্রেন থেকে নেমে স্টেশন চত্বরে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত পথসভায় বক্তৃতা করেন। বক্তৃতা শেষে কাদের ট্রেনে ওঠার পর ১১টা ৫ মিনিটে ট্রেনটি ছেড়ে যায়, অর্থাৎ ৩০ মিনিট দেরিতে স্টেশন ছেড়ে যায়।
নির্বাচনী ট্রেন অভিযাত্রায় উত্তরবঙ্গ সফরের অংশ হিসেবে ওবায়দুল কাদের টাঙ্গাইল রেলস্টেশনে পথসভায় বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনে ব্যর্থ। তারা নয় বছরে নয় মিনিটও আন্দোলন করতে পারেনি। তাই তারা ২০১৪ সালের মতো আবারও সন্ত্রাস-নৈরাজ্য করে দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেল দিতে তৎপরতা শুরু করেছে। আওয়ামী লীগ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের এই সন্ত্রাস প্রতিরোধ করবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে আগামী ডিসেম্বরে বিজয়ের মাসে পরাজিত শক্তিকে আবারও পরাজিত করে বিজয়ী হব।’
দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দলের সঙ্গে কেউ বিরোধিতা করবেন না। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাঁরা দলের মনোনীতদের বিরোধিতা করবেন, তাঁদের তাৎক্ষণিক দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জনগণ আর বিএনপির দুঃশাসনে যেতে চায় না। দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। তাতে জনগণ আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনবে। বিএনপি-জামায়াতের একমাত্র পুঁজি গুজবসন্ত্রাস। তারা গুজবসন্ত্রাস চালিয়ে আপনাদের বিভ্রান্ত করছে। আপনারা এই গুজবসন্ত্রাস থেকে সতর্ক থাকবেন।’
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খানের সভাপতিত্বে পথসভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম। ওবায়দুল কাদেরের সফরসঙ্গী হিসেবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, প্রচার সম্পাদক হাসান মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসিম কুমার উকিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া অফিস: ‘ঘরের মধ্যে ঘর বানানোর চেষ্টা করবেন না। মশারির মধ্যে মশারি টানানোর চেষ্টা করবেন না। শেখ হাসিনার অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন।’ শেখ হাসিনা প্রতিশ্রুতি দিলে তা বাস্তবায়ন করেন। আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এলে দেশের শতভাগ উন্নয়ন হবে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে। শনিবার বিকেলে বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনে আদমদীঘি উপজেলা আওয়ামীলীগের পথসভায় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপি এখন নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। তবে বিএনপির সকল ষড়যন্ত্র জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত ও নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণ আর বিএনপি প্রশাসন চায় না। বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নে আশ্বস্ত জনগণ। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
আদমদীঘি উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাড: শেখ কুদরত-ই-ইলাহী কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড: হাসান মাহমুদ এমপি, বিএম মোজাম্মেল হক এমপি, অসীম কুমার উকিল, আহমেদ হোসেন, ব্যারিস্টার বিল্পব বড়–য়া, আনোয়ার হোসেন, বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন।
ঈশ্বরদী : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী ট্রেন যাত্রাপথে অনুমতি না নিয়ে পাবনার ঈশ্বরদীর মুলাডুলি স্টেশনে সভামঞ্চ তৈরি করা হয়। শনিবার দুপুরে ওই সভামঞ্চে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের।
মুলাডুলি স্টেশনে আন্তনগর নীলসাগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির সময় ২ মিনিট। রেলের সময়সূচি অনুযায়ী ১২টা ৭মিনিটে এসে ১২টা ৯মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা ট্রেনটির। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের ৫৩ মিনিট দেরিতে বেলা ১টার দিকে মুলাডুলি স্টেশনে আসে নীলসাগর ট্রেন। ছেড়ে যায় ১টা ২৮ মিনিটে। টাঙ্গাইল থেকে মুলাডুলি স্টেশনে পৌঁছাতে ট্রেনটির ১ ঘণ্টা ২৮ মিনিট বিলম্ব হয়েছে। মুলাডুলি রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার মনিরুজ্জামান বলেন, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের পশ্চিমে আওয়ামী লীগের লোকজন একটি সভামঞ্চ তৈরি করেন। লিখিত অনুমতি ছাড়াই মঞ্চ তৈরি করে স্টেশনে পথসভা করা হয়।
স্লোগানে মুখরিত স্টেশন
নীলসাগর ট্রেনটি বেলা ১টায় মুলাডুলি স্টেশনে এসে পৌঁছালে দলের শত শত নেতা-কর্মী প্ল্যাটফর্মে এসে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। ওবায়দুল কাদের ট্রেন থেকে নেমে প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্মিত সভামঞ্চে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। দলীয় সাধারণ সম্পাদকের পথসভা উপলক্ষে সকাল থেকেই ঈশ্বরদী, পাবনা, নাটোর ও আশপাশের এলাকা থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা ব্যানার, প্লাকার্ড নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে স্টেশন প্ল্যাটফর্মে জড়ো হতে থাকেন। এই পথসভার কারণে ট্রেনযাত্রী ও মুলাডুলি স্টেশন সড়কের পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। মুলাডুলি রেলগেট থেকে স্টেশন ও স্টেশন সড়কের কিছু দূর পর্যন্ত পদচালিত ভ্যান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ হালকা যানবাহন চলাচল সীমিত করা হয়। এর ফলে বৃদ্ধ ও শিশুদের কষ্ট করে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। মুলাডুলি বাজারের আমির হোসেন নামের এক ভ্যানচালক বলেন, স্টেশন রাস্তায় দুপুর পর্যন্ত ভ্যান যেতে দেওয়া হয়নি।
দলীয় সাধারণ সম্পাদকের পথসভাকে কেন্দ্র করে পাবনা-৪ আসনে এবার মনোনয়নপ্রত্যাশী পাঞ্জাব আলী বিশ্বাস, আবদুল আলিম, রবিউল আলম (বুদু), রফিকুল ইসলাম লিটন, নজরুল ইসলাম (রবি), মিজানুর রহমানের (স্বপন) বিভিন্ন ব্যানার, পোস্টার ও বিলবোর্ডে ছেয়ে যায় মুলাডুলি স্টেশন এলাকা।
জনগণ আ’লীগের সঙ্গে আছে
পাবনা : পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফের সভাপতিত্বে ওবায়দুল কাদের সভামঞ্চে উঠেই স্লোগান দিয়ে বলেন, ‘শেখ হাসিনার সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন।’ তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার নির্বাচনের আগেই দেশে শতভাগ বিদ্যুৎ ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণেই আজ মানুষের হাতে হাতে মোবাইল, ইন্টারনেট, গ্রামে গ্রামে ডিজিটাল সেবা সেন্টার, উন্নত রাস্তাঘাট। মানুষজন স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ছাড়া নারীদের এত বড় সম্মান আর কেউ দেয়নি। আগে শুধু বাবার নাম লেখা হতো। এখন বাবার সঙ্গে মায়ের নামও লেখা হয়।
তিনি বলেন, এসব উন্নয়ন দেখে খালেদা জিয়া ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে। আগামী নির্বাচনে ইনশা আল্লাহ আওয়ামী লীগ আবার জয়লাভ করবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণ আর বিএনপির দুঃশাসন দেখতে চায় না।
নাটোর : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আন্দোলনে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ। তারা ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা, রোজার ঈদ আর কোরবানীর ঈদেও কথা বলে শুধুই কাল ক্ষেপন করেছে। গত দশ বছরে বিশটি ঈদ চলে গেলেও তারা আন্দোলন করতে পারে নাই। এরপরে তারা কোটা সংস্কার আর ছাত্রদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের ওপর ভর করেও কোন সুবিধা করতে পারে নাই। মীর্জা ফখরুল সাহেবরা ভেবেছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া জেলে গেলে সারা দেশে হয়তো বঙ্গপোসাগরের মতো ঢেউ তুলবেন কিন্তু সেটাতো দূরের কথা বিএনপি ছোট একটা নদীর ঢেউ তুলতেও পারেনি। তিনি দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ট্রেনে শনিবার দেশের উত্তরাঞ্চল সফরের সময় নাটোর রেল স্টেশনের দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত দলীয় এক পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এমপি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম শিমুলের সঞ্চালনায় পথ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জুনাঈদ আহমেদ পলক এমপি এবং নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবুল কালাম আজাদ। এর আগে সকাল থেকেই জেলার সদর ও নলডাঙ্গা সহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও সমর্থক রেল স্টেশনে উপস্থিত হওয়ায় পথসভাটি জনসভায় পরিণত হয়ে যায়।
জয়পুরহাট: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিহবন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পোস্টার, ব্যানার, সম্পদ দেখে নয় জনগণের কাছে যিনি বেশি গ্রহণযোগ্য তাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। জয়পুরহাটে এসেছি প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের কথা বলার জন্য। প্রধানমন্ত্রী জয়পুরহাটবাসীর জন্য ফোরলেন রাস্তার অনুমোদন দিয়েছেন তিনি উন্নয়নের ক্ষেত্রে এলাকা ভেদে কোথাও কম বেশি করেননি। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের ছোট-খাটো ভুল থাকতে পারে তাই নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে বলেন, যারা জনগণ ও দলের নেতা কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন তাদেরকে সংশোধন হতে হবে ও সংশোধন ছাড়া কাউকে মনোনয়ন দেয়া হবে না। জয়পুরহাটে আন্দোলনের নামে যারা নাশকতা করে তাদেরকে প্রতিরোধ করার আহ্বান জানান। তিনি শনিবার রেল যোগে উত্তরবঙ্গে সফরের অংশ হিসেবে জয়প্রুহাট রেল স্টেশনে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জয়পুরহাট-১ আসনের এ্যাড. সামছুল আলম দুদু এমপি’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্যদেন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি। পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সোলায়মান আলী, সহ-সভাপতি মোমিন আহমেদ চৌধুরী জিপি, এ্যাড. নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল পিপি, অধ্যক্ষ খাজা সামছুল আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, জয়পুরহাট পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ