ঢাকা, রোববার 9 September 2018, ২৫ ভাদ্র ১৪২৫, ২৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২ ছাত্রকে আটকের ৪ দিন পরও আদালতে হাজির করা হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীতে টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটি ও ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২ জন ছাত্রকে গ্রেফতারের ৪ দিন পরও কোনো খবর না পাওয়ায় বা আদালতে হাজির না করায় উদ্বেগ জানিয়েছেন তাদের পরিবার। তারা অবিলম্বে তাদের সন্ধান দাবি করেছেন।
জানা জায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর তেজগাঁওয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বহু ছাত্রকে আটক করে। এদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১২ জনের ব্যাপারে গতকাল শনিবার পর্যন্ত কোনো খবর পায়নি তাদের অভিভাবকরা। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কেমিক্যাল ডিপার্টমেন্টের ৮ম পর্বের ছাত্র ইফতেখার আলম, সিভিলের ৭ম পর্বের ছাত্র রায়হানুল আবেদীন জুয়েল, মেকানিক্যালের ৫ম পর্বের ছাত্র তারেক আজিজ ও একই বিভাগের তারেক আজিজ, কম্পিউটারের ৩য় পর্বের মাহফুজ আহমেদ, অটোমোবাইল ৫ম পর্বের মেহেদী হাসান রাজিব, একই ইনস্টিটিউটের বোরহান উদ্দিন, সরকারী তিতুমীর কলেজের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটির ২য় বর্ষের ছাত্র মুজাহিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইলের সরকারী সাদাত কলেজের অনার্স ফলপ্রার্থী সাইফুল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিইচ্ছু জহিরুল ইসলাম হাসিব এবং আল-আমিন।
গ্রেফতারকৃতদের অভিভাবকদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও আদালতে হাজির করেনি। পুলিশ কর্মকর্তারা কখনো আশ্বাস দিচ্ছে আবার কখনো গ্রেফতারের কথা অস্বীকার করছে। যা পরিবারের উদ্বেগকে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। গ্রেফতারকৃত মুজাহিদুল ইসলামের পিতা মাহবুবুল আলম বলেন, আমার সন্তানকে গ্রেফতারের পর অস্বীকার, দেখা করতে না দেয়া এবং আদালতে হাজির না করা প্রচলিত আইনে বেআইনি। এমনকি উচ্চ আদালতের নির্দেশেরও সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন। যা অস্বাভাবিক বিষয়। আমি আমার সন্তানকে নিয়ে শঙ্কিত।
গ্রেফতারকৃত জহিরুল ইসলাম হাসিবের পিতা এনামুল হক। তিনি সন্তানের গ্রেফতারের কথা শুনে সোনাগাজী থেকে ঢাকা আসেন। তিনি বলেন, আমার সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে কোচিং করার জন্য ঢাকায় এসে ২১৫/৩, তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও-এ মেসে উঠে। কোনো রাজনীতির সাথে জড়িত না। কয়েকদিন সংশ্লিষ্ট থানা ও ডিবির কার্যালয়ে ঘুরাঘুরি করার পরও সন্তানের কোন খোজ পাইনি।
অভিভাবকগন বলছেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সকল আইনি সুবিধা গ্রহণ করার অধিকার আমাদের আছে। কিন্তু এখানে আইনি অধিকার থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। আমরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে আমার সন্তানদের নিরাপত্তা দাবি করছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ