ঢাকা, রোববার 9 September 2018, ২৫ ভাদ্র ১৪২৫, ২৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীতে ফাহিম রাফি (১৯) নামে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে খিলগাঁওয়ের খিদমাহ হাসপাতালে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাচ্চু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মৃত রাফি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় সেমিস্টারের ছাত্র। তার বাবা মনিরুজ্জামান টেলিটকের কর্মকর্তা। রাফি পরিবারের সঙ্গে দক্ষিণ বাসাবোর ১৪ নম্বর বাসার তৃতীয় তলায় থাকতেন।
রাফির বাবা মনিরুজ্জামান জানান, শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে রাফি বাসা থেকে বের হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে সর্বশেষ আমার সঙ্গে তার কথা হয় । ওই সময় রাফি জানায়  যে সে হাতিরঝিল এলাকায় আছে। এর ১৫ মিনিট পর রাফির মোবাইল ফোন নম্বর থেকে আমার কাছে একটি কল আসে। অপরিচিত একজন জানায়, রাফি অচেতন অবস্থায় খিদমাহ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এমন খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যাই৷ সেখানে খিদমাহ হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানায়, অচেতন অবস্থায় রাফিকে কেউ ভর্তি করেছে। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, নিহতের থুতনিতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া শরীরের অন্য কোথাও কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় নি।
হাতিরঝিল থানার ওসি মো. ফজলুল করিম জানান, 'কীভাবে ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আমরা বিষয়টি জানতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছি।'
শাহজালালে সোনা উদ্ধার
হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে চার যাত্রীর কাছ থেকে ৮টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা। শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক সহিদুল ইসলাম জানান, উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য প্রায়  সাড়ে ৪৩ লাখ টাকা। তিনি জানান, শুক্রবার  রাত ৯টার দিকে আবুধাবী, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ঊণ- ২৫৮ ফ্লাইটে করে আসা ৪ যাত্রীর কাছ থেকে ৮টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে শুল্ক গোয়েন্দারা। আটককৃত স্বর্ণের ওজন ৮৭০ গ্রাম । যাত্রীরা কোনও প্রকার ঘোষণা ছাড়াই গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করে বাইরে বের হওয়ার সময় বিশেষ কায়দায় শরীর,মানিব্যাগ ও প্যান্টের পকেটের মধ্যে লুকানো স্বর্ণ উদ্ধার করে। গোপন সংবাদের মাধ্যমে শুল্ক গোয়েন্দা দল জানতে পারে ওই ফ্লাইটে করে স্বর্ণ চোরাচালান হবে। তবে কোনও যাত্রীর কাছ থেকে পাওয়া যাবে তার সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণে গ্রিন চ্যানেলে অবস্থান গ্রহণ করা হয়। যাত্রীরা গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার পর তাদের দেহ এবং মালামাল তল্লাশি করে স্বর্ণের বারগুলো উদ্ধার ও আটক করা হয়। আটককৃত পণ্যের বিষয়ে শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ