ঢাকা, রোববার 9 September 2018, ২৫ ভাদ্র ১৪২৫, ২৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অসময়ে হরিপুরে গাছে গাছে কুলের সমারোহ

জে.ইতি হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) থেকে: এবার বর্ষা কালে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার গাছে গাছে ঘটেছে কুলের (বরই) সমারোহ। কুলের ভারে গাছ গুলো পড়েছে নুয়ে। আম-জাম-কাঁঠালের শেষে অসময়ে বরই পেয়ে অবাক হচ্ছে এলাকার মানুষ। জানা গেছে, সাধারণত:সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ফুল আসে কুল গাছে। ফল ধরে শীতে। তবে এবার বর্ষা মৌসুমে হরিপুর উপজেলার আবাশিক ও উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম মহল্লায় দেশীয় জাতের  শতাধিক গাছে ধরেছে কুল থোকায় থোকায়। গত বছরেও এ সময়ে এসব মহল্লায় গাছে গাছে ধরেছিল কুল। এসব গাছ গুলোর বয়স প্রায় ৭ থেকে ১০ বছর। শীত মৌসুমেও প্রতি বছর এ গাছ গুলোতে কুল আসে ব্যাপক হারে । আকারে মাঝারি। খেতেও সুস্বাদু। তবে এ সময়ে কুল আসায় ফল গুলো বড় হওয়ার আগেই খাচ্ছে শিশু-কিশোররা। উপজেলার টেংরিয়া গ্রামের আবুল হোসেন জানান,তার গাছে এবার আকস্মিক ভাবে বর্ষা কালে কুল ধরেছে।
এতে তিনি অবাক হয়েছেন। উপজেলার চাপধাবাজার এলাকার আঃ বারেক জানান, তার বাড়ির পাশে আরেকটি গাছে কয়েক বছর ধরে শীত ও বর্ষা কালে কুল পাওয়া যায়। হরিপুর উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারি উদ্ভিদ আঃ খালেক সরকার জানান, আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য এই গাছ গুলোতে সম্ভবত এ সময় কুল ধরেছে। তবে তিনি জানান কুল ছাড়া পেয়ারাও এখন বছর জুড়ে গাছে পাওয়া যাচ্ছে। হরিপুর উপজেলা কুষি অফিসার নঈমুল হুদা সরকার জানান, কুল গাছ গুলোতে ফল আসলেও প্রতিকুল আবহাওয়ায় পরিপক্ক হওয়ার আগেই ঝরে যাচ্ছে। তবে তি্িন আরো বলেন এখন দেশে গ্রীস্মকালে টমেটো ও পেঁয়াজ চাষ হচ্ছে। অনুরপগবেষনার মাধ্যমে কুল গ্রীস্ম বা বর্ষা কলে চাষ করা সম্ভব। সারা বছর দেশীয় ফল কুল উৎপাদন  করতে পারলে সি জাতীয় পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করা গেলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব বলে এমনটাই দাবি করছেন স্থাণীয়রা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ