ঢাকা, রোববার 9 September 2018, ২৫ ভাদ্র ১৪২৫, ২৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

জীবননগরে ও দামুড়হুদায় জামায়াতের ৮ নেতাকর্মী গ্রেফতার

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও দামুড়হুদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ৮ নেতাকর্মীকে নাশকতার কথিত অভিযোগে আটক করেছে। তবে জামায়াতে ইসলামীর দাবি নাশকতার অভিযোগ সত্য নয় বরং নিরীহ নেতাকর্মীকে হয়রানী করতেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুর রহমান জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা সরকার বিরোধী আন্দোলন চাঙ্গা করতে ও সরকারকে বে-কায়দায় ফেলতে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল।
আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তা জানতে পেরে মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে পাঁচজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করি।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, জীবননগর উপজেলার হাসাদহ গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে হাসাদহ  ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ডাঃ কবির হোসেন (৪৫), উপজেলার সুটিয়া গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ মন্ডলের ছেলে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মফিজুর রহমান (২৯),সীমান্ত ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারী আমীর মঈন উদ্দিন (৫৫),সীমান্ত ইউপির মেম্বার ও ইউনিয়ন জামায়াতের সদস্য জহুর আলী (৪৫) ও উপজেলার মিনাজপুর গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের সদস্য কাওসার আলী (৪৫)।
দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস জানান, দামুড়হুদায় মসজিদের ছাদের উপর সরকার বিরোধী গোপন বৈঠক কালে জামায়াতের তিন নেতা-কর্মিকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশের উপস্থিতির টের পেয়ে পালিয়ে গেছে আরও ১০-১২ জন নেতাকর্মী। ঘটনাস্থল থেকে ৪ টি ককটেল, ২ শ গ্রাম গান পাউডার, বেশকিছু লিফলেট ও চাঁদা আদায়ের রশিদ জব্দ করেছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন- উপজেলার চারুলিয়া গ্রামের মৃত ইয়ার আলীর ছেলে নাটুদহ ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী ড. আব্দুর রউফ (৪২), একই গ্রামের হাশেম খানের ছেলে জামায়াত কর্মি চিন্তা মোল্লা (৪৫) এবং গোলাম হোসেনের ছেলে আব্দুল হাদী মোল্লা (৫০)।
এ ঘটনায় এসআই কাজী শামসুল ইসলাম বাদী হয়ে আটক ৩ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের নামে নাশকতা ও বিষ্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করেছে।
তাদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ ব্যাপারে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাড. রহুল আমিন জানান, যাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছেন তারা সবাই রাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়েছিলেন।
তাহলে তারা কখনও সরকার বিরোধী নাশকতার পরিকল্পনা করলেন?
আসলে জামায়াতে ইসলামীর নিরীহ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করার মধ্যদিয়ে পুলিশ জামায়াত নিধন করতে সরকারের বাহিনী হিসাবে কাজ করছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ