ঢাকা, রোববার 9 September 2018, ২৫ ভাদ্র ১৪২৫, ২৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শিশু ধর্ষণকারী মহসিন আলি ও হৃদয় গ্রেফতার

আব্দুস সালাম, (মুন্সীগঞ্জ): জেলার দুই শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী মহসিন আলি শেখকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। টার্গেট করে শিশুদের ধর্ষণের উদ্দেশ্যে মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করে আসছিল সে। অপরদিকে মা. হৃদয় (৩৫) নামের অপর একজন ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
৬ মাস পুলিশি অভিযানের পর মঙ্গলবার (০৪ সেপ্টেম্বর) মধ্য রাত ৪ টার দিকে শিশু ধর্ষক মহসিন আলী শেখকে গ্রেফতার করা হয়।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় তার বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের দুইটি মামলা রয়েছে। যার মামলা নং-৪৩ (২) ১৮ ও ৫২ (১১) ১৭।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গাজী মোঃ সালাউদ্দিন জানান, ২০০১ সালে শিশু ধর্ষণ মামলায় ৫ বছর জেলে খেটে বের হয়েছে বলে মহসিন মৌখিকভাবে স্বীকার করেছে।
তবে মামলাটির সত্যতা যাচাই বাছাই চলছে। রাত ১২টার পর সপ্তাহে ২-১ দিন মুন্সীগঞ্জের বিনোদপুর এলাকায় ধর্ষণসহ চুরি, ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াতো সে।
আত্মগোপনে থাকার জন্য সে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার ডেমরা এলাকায় ভাসমানভাবে অবস্থান করে আসছিলো দীর্ঘদিন ধরে। নির্দিষ্ট করে তার কোন ঠিকানা নেই। ধর্ষণ মামলা দুইটির সুরহা না হওয়ায় পুলিশ সুপারের বিশেষ নির্দেশে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করা হয়।
মহসিনকে একাধিকবার গ্রেফতারের চেষ্টা করা হলেও সে পুলিশি ফাঁদ বুঝতে পেরে পালিয়ে যায়। ৬ মাস ধরে বিশেষ অভিযান পরিচালনার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আরো জানান, ৫-১০ বছরের শিশুদের ধর্ষণের উদ্দেশ্যে সে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরাফেরা করে আসছিল। তার পরিচয় কেউ যাতে জানতে বা চিহ্নিত না করতে পারে তার জন্য বিশেষ পন্থা অবলম্বন করতো। টঙ্গিবাড়ী উপজেলার রঘুরামপুর এলাকার আকমত আলি ওরফে আফতাব আলি শেখের ছেলে মহসিন। তবে দীর্ঘদিন আগে বাড়িঘর বিক্রি করে চলে যায়।
এদিকে, ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মো. হৃদয় (৩৫) নামে এক ব্যাক্তিকে আটক করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকায় সে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল এবং বরগুনা জেলার আমতলি থানার ত্রেপুরা গ্রামের সেলিম মৃধার ছেলে হৃদয়।
বুধবার ( ৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ