ঢাকা, সোমবার 10 September 2018, ২৬ ভাদ্র ১৪২৫, ২৯ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মহেশখালীতে ঝাউ বাগান কাটা থেমে নাই ॥ বনবিভাগ নির্বিকার

মহেশখালী সংবাদদাতা: মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নটি সাগরের প্রচন্ড ঢেউ থেকে রক্ষা করতে সরকারের তত্ত্বাবধানে প্রতিবছর উক্ত ইউনিয়নের দক্ষিণে ঝাউ বাগান সৃজন করে আসছেন। এতে হাঁসেরচর নামক এলাকায় বড় বড় ঝাউ গাছ সৃষ্টি হওয়ায় ধলঘাটা উপ-দ্বীপ সাগরের প্রচন্ড ঢেউ থেকে রক্ষা পাওয়ার পাশা-পাশি ঝাউ বাগান জুড়ে বিশাল চর সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের তদারকি অভাবে জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করার জন্য এক শ্রেণীর অসাধু লোক প্রতিদিন উক্ত বাগানের বড় বড় ঝাউ গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। ঝাউ গাছ কাটা অব্যাহত থাকলেও বনবিভাগ নির্বিকার রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন লোকজন। পরিবেশবিদরা জানিয়েছেন, এভাবে ঝাউ বাগান কর্তন না থামালে অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে এই ঝাউ বাগান । ধলঘাটা ইউনিয়নটি রক্ষার জন্য সরকারীভাবে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ আসলে ও উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। ফলে উন্নয়নের নামে সিংহভাগ টাকা লোপাটে হয়ে যায়। ফলে উপকূলীয় প্যারাবনের সাথে সংশ্লিষ্টদের দিয়ে ধলঘাটার দক্ষিণে সরকার প্রতিবছর ঝাউ বাগানও প্যারা বন সৃষ্টি করে আসছে। এ ঝাউ বাগান ও প্যারাবনের কারণে হাঁসেরচর নামের বিশাল একটি চর সৃষ্টি হয়েছে। এতে সাগরের ঢেউ থেকে উক্ত ইউনিয়নের দক্ষিণ অংশ রক্ষা পেলেও পশ্চিমাংশে ঝাউ বাগানও প্যারাবন না থাকায় কোন অবস্থাতে ওই অংশে বেঁড়িবাঁধ দিলেও তা ভেঙে যায়। জানা গেছে, বিকেল গড়িয়ে আসার সাথে সাথে দ্বীপের সৌন্দয্য অবলোকন করতে ওই এলাকার নারী-পুরুষেরা দলে দলে ছুটে যান ঝাউ বাগানে। এছাড়া ও প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সময় উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আছেন ভ্রমণ পিপাসুরা।
উপকূলীয় বনবিভাগে দায়িত্ব থাকা আলতাফ উদ্দিন বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সহযোগিতা না করায় ঝাউগাছ কাটা দমন করা যাচ্ছেনা। মহেশখালী গোরকঘাটা বনবিভাগের উপকূলীয় বন কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ধলঘাটা ঝাউবাগান কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলে আমি অবগত হয়ে স্থানীয় মাতারবাড়ী বনবিট কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম জানান,অপরাধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ