ঢাকা, বুধবার 21 November 2018, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মাদক চালান বন্ধ করলেই বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক ভাল হবে: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। ছবি- অভিষেক সাহা, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর দাবী, মাদকের চোরাচালান বন্ধ হলেই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক মসৃণ হবে ভারতের। বাম জমানায় ত্রিপুরা থেকে চোরাপথে বাংলাদেশে মাদকের চালান হতো, জানিয়েছেন বিপ্লববাবু।খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

রাজ্য জুড়ে মাদকদ্রব্য এবং আফিমের রমরমার জন্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেই দুষলেন ত্রিপুরার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী বৈঠকে মাণিক সরকারকে ত্রিপুরার সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করেন বিপ্লব কুমার দেব। তিনি বলেন, ত্রিপুরাকে কার্যত ধ্বংস করেছেন মাণিক সরকার।

“মাণিক সরকারের শাসনকালে রাজ্যে ড্রাগ এবং আফিমের বেআইনি ব্যবসা বন্ধের জন্য কোনও পদক্ষেপ নেওয়াই হয়নি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এ ব্যাপারে সাধু সেজে থাকার চেষ্টা করেছেন। সেই সময় তরুণ প্রজন্ম এই জঘন্য নেশায় বুঁদ হয়ে থেকেছে। আমরা পাঁচ মাস ক্ষমতায় এসে ইতিমধ্যে ড্রাগের ব্যবসায় জড়িয়ে থাকা ২০৪ জনকে গ্রেফতার করেছি। তাদের অধিকাংশই সিপিআইএম সমর্থক,” ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদককে জানিয়েছেন বিপ্লববাবু।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবী, ড্রাগের চোরাচালান বন্ধ হলেই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক মসৃণ হবে এ দেশের। বাম জমানায় ত্রিপুরা থেকে মাদক চোরাপথে বাংলাদেশে চালান হতো, এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আফিমের চাষ করে বার্ষিক ১,৫০০ কোটি টাকা আয় করে ত্রিপুরা।

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগে প্রাক্তনের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও অবশ্য পাওয়া যায়নি। তবে ত্রিপুরা সিপিআইএমের মুখপাত্র গৌতম দাস জানিয়েছেন, “মাণিক সরকারের মতো সৎ, বাহুল্য বর্জিত জীবন যাপনে বিশ্বাসী একজন নেতার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। এর পেছনে বিজেপির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। তবে রাজ্যের মানুষ এই ফাঁদে পা দেবেন না।”

নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময় থেকেই সিপিআইএমের বিরুদ্ধে “নেশা মুক্ত ত্রিপুরা” স্লোগানকেই হাতিয়ার করেছিল বিজেপি সরকার। ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের নানা জেলা থেকে ২২ হাজার কিলো আফিম বাজেয়াপ্ত করেছিল বিপ্লব দেবের সরকার।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ