ঢাকা, মঙ্গলবার 11 September 2018, ২৭ ভাদ্র ১৪২৫, ৩০ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ভারতজুড়ে বনধ্

জ্বালানি তেলের মূল্যবদ্ধির প্রতিবাদে ভারতজুড়ে বনধ্ পালন করছে বিভিন্ন সংগঠন

১০ সেপ্টেম্বর, দ্য হিন্দু, এনডিটিভি : জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি ও রুপির দর পতনের প্রতিবাদে ভারতজুড়ে বনধ পালন করছে দেশটির অন্তত ২১টি বিরোধীদল। কংগ্রেস পার্টির নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলগুলোর এ বন্ধ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পালিত হচ্ছে বলে খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের। গতকাল সোমবার সকালে কংগ্রেস সভাপাতি রাহুল গান্ধি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দেন। 

দিল্লির ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টি (এএপি) এতে যোগ না দিলেও প্রতিবাদ মিছিলে তাদের এক নেতাকে পাঠিয়েছে।  শারদ পাওয়ার, এম কে স্ট্যালিনের মতো ভারতের শীর্ষস্থানীয় বিরোধীদলীয় নেতারা ও বাম দলগুলোর নেতারা বনধের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস বন্ধে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেরালা, কর্নাটক ও পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলোতে বনধে কড়া প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করছে ভারতীয় গণমাধ্যম।  নিজ দলের ডাকা প্রতিবাদটিতে যোগ দিতে দিল্লির রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধির মেমোরিয়ালে উপস্থিত হন রাহুল গান্ধি। কৈলাস পর্বত ও মানস সরোবরে তীর্থযাত্রা থেকে ফিরে আসার পর এখানে প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে এলেন তিনি।

কংগ্রেসের মিত্র কর্নাটক রাজ্যের ক্ষমতাসীন জনতা দল সেক্যুলার বন্ধে সমর্থন জানিয়েছে। বেঙ্গালুরুর স্কুল ও কলেজগুলো বন্ধ আছে। উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাটনায়েক বন্ধের প্রতি সমর্থন দিতে রাজি না হলেও তার রাজ্যের স্কুলগুলো বন্ধ আছে।

কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনো ধরনের সহিংস প্রতিবাদে সমর্থন না দিতে তাদের কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 “আমরা মহাত্মা গান্ধির দল। কোনো সহিংসতার সঙ্গে আমাদের জড়ানো উচিত না,” বলেছেন দিল্লি কংগ্রেসের নেতা অজয় মাকেন। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, যে বিষয়গুলোর প্রতিবাদে বন্ধ ডাকা হয়েছে সেই ইস্যুগুলোতে তাদেরও সমর্থন আছে, কিন্তু দলীয় প্রধান ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতার নীতি অনুযায়ী রাজ্যে কোনো ধরনের ধর্মঘট পালনের বিরুদ্ধে তারা।

তামিল নাডুতে ডিএমকে দলীয় নেতা এম কে স্ট্যালিন বলেছেন, ডলারের বিপরীতে রুপির দরপতন বা জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় সরকার কোনো পদক্ষেপই নিচ্ছে না। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র রাজ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজ্যটিতে বিরোধীদল কংগ্রেস ও শারদ পাওয়ারের ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি বন্ধে অংশ নিচ্ছে। রোববার ভারতে পেট্রল ও ডিজেলের মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ