ঢাকা, মঙ্গলবার 11 September 2018, ২৭ ভাদ্র ১৪২৫, ৩০ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাংলাদেশের সামনে এখন বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল

স্পোর্টস রিপোর্টার: ঢাকায় চলমান সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে স্বাগতিক বাংলাদেশ দল এখন দর্শক। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়া বাংলাদেশ দলের সামনে এখন আরো একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। ৬ দলের অংশগ্রহণে আর মাত্র ২০দিন পরই মাঠে গড়াবে আন্তর্জাতিক এই টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্ট সাফের চেয়ে আরো স্ট্যান্ডার্ড, আরো কঠিন। সপ্তাহখানেক আগে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের ড্র হয়েছে স্থানীয় একটি হোটেলে। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ খেলবে ফিলিপাইন ও লাওসের বিরুদ্ধে। দু’টি দেশই সাউথ এশিয়ান দলগুলোর চেয়ে অনেক এগিয়ে, অনেক শক্তিশালী। টুর্নামেন্টে ‘এ’ গ্রুপে খেলবে তাজিকিস্তান, ফিলিস্তিন ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নেপাল। আগামী ১ থেকে ১২ অক্টোবর বাংলাদেশে বসতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের আসর। ঢাকা ছাড়াও বঙ্গবন্ধু কাপের খেলা কক্সবাজার ও সিলেটে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। শুরুতে টুর্নামেন্টের ভেন্যু ছিল দুটি বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও সিলেট স্টেডিয়াম। পরে তৃতীয় ভেন্যু হিসেবে বাফুফের বিবেচনায় চলে আসে নীলফামারী। ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ-শ্রীলংকার ম্যাচের দর্শক দেখেই নীলফামারীতে দুটি সেমিফাইনালের কথা ভেবেছিল বাফুফে।

কিন্তু হঠাৎ করে তৃতীয় ভেন্যু হিসেবে চলে আসে কক্সবাজারের নাম এবং সম্ভাবনায়ও পেছনে ফেলে নীলফামারীকে। কারণ, একাধিক। যাতায়াত, আবাসন ও মাঠ। নীলফামারীতে খেলা হলে দলগুলোকে রাখতে হবে রংপুরে। যেখান থেকে বাসে নীলফামারী স্টেডিয়ামে আসতে সময় লাগে ৪০ মিনিট। যদি দর্শক বিবেচনায় আনা হয় তাতেও পিছিয়ে থাকবে না কক্সবাজার। এর আগে কক্সবাজার স্টেডিয়ামে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ হয়েছিল। সব দিক বিবেচনা করেই  কক্সবাজার বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের দুটি সেমিফাইনালের ভেন্যু হিসেবে চূড়ান্ত করেছে বাফুফে। ৬ জাতির টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো হবে সিলেটে। ফাইনাল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। সহসাই বাংলাদেশ দলের অনুশীলন শুরু হবে। ফুটবলারদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে ইংলিশ কোচ জেমী ডে চেষ্টা করছেন। নেপালের বিপক্ষে হেরে যাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করলেও দলের উন্নতির কথাটা বেশ জোর দিয়েই বলেছেন। ২০০৫ সালে করাচির পর বাংলাদেশ আর কোনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে পরপর দুই ম্যাচ জিততে পারেনি। এমনকি এই সাফের আগের সর্বশেষ তিনটিতে ৯ ম্যাচের মধ্যে জিতেছে মাত্র একটিতে। সেই দল এবার পরপর দুই ম্যাচ জিতে বিদায় নিলো ৬ পয়েন্ট পেয়ে। দলের উন্নতির এ দিকটাই সামনে আনতে চাইছেন কোচ। এশিয়ান গেমস, ফিফা ফ্রেন্ডলি ও সাফ চ্যাম্পিয়শিপ মিলে ২৫ দিনে ৮টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। জিতেছে ৩টিতে, একটি ড্র করে হার ৪টি। জয়ের হার ৩৭.৫ ভাগ। এই ৮ ম্যাচের মধ্যে ৬টিই বাংলাদেশ খেলেছে র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা দলের বিরুদ্ধে। পাকিস্তান র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও দলটি অনেক শক্তিশালী। তাদের ৯ জন খেলোয়াড় বিভিন্ন দেশের ঘরোয়া ফুটবল খেলে। এর মধ্যে ৫ জন খেলেন ইউরোপে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ