ঢাকা, মঙ্গলবার 11 September 2018, ২৭ ভাদ্র ১৪২৫, ৩০ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দেশে শকুন কমে যাওয়ায় জনস্বাস্থ্য প্রভাবিত হচ্ছে

খুলনা অফিস : বাংলাদেশে সাত প্রজাতির শকুন আছে। তবে দেশে স্থায়ী বসবাসকারী শকুন, রাজ শকুন বিলুপ্ত হয়েছে। এখন বাংলা শকুনও মহাবিপন্ন। শকুন কমে যাওয়ায় এখন বাংলাদেশেও জনস্বাস্থ্য প্রভাবিত হচ্ছে। শকুনের জন্য বিষাক্ত ওষুধ ডাইক্লোফেনাক ও কিটোপ্রোফেন পশু-চিকিৎসায় ব্যবহার করাই শকুন মৃত্যুর প্রধান কারণ। শকুন বিলুপ্তির ফলে বাংলাদেশ অ্যানথ্রাক্স, জলাতঙ্ক, পশু হতে সংক্রমিত রোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা বক্তারা এ মন্তব্য করেন। সভায় আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনা বিষয়ে শকুন সংরক্ষণ, প্রজনন, শকুনের বিলুপ্তি রোধে সমাজে শকুন সচেতনার প্রয়োজনীতা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় বাংলাদেশে এখন বাংলা শকুনের সংখ্যা ২৫০টি মাত্র বলেও তথ্য প্রকাশ করা হয়। গত পরশু রোববার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আইইউসিএন, বন অধিদফতর এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিন এ সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. সালমা বেগম। প্রধান অতিথি ছিলেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর এ কে ফজলুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মমিনুল আহসান ও আইইউসিএন এর কান্ট্রি অফিসার এবিএম সারোয়ার আলম।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ