ঢাকা, মঙ্গলবার 11 September 2018, ২৭ ভাদ্র ১৪২৫, ৩০ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সারাদেশের বিএনপির মানববন্ধনে পুলিশের অতর্কিত হামলা ও গুলী

বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয় -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে গতকাল সোমবার দলটির পূর্বঘোষিত কর্মসূচি মানববন্ধনকে ঘিরে সারা দেশে পুলিশ অতর্কিত হামলা ও গুলী করেছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। বিএনপি জানায়, মানববন্ধন থেকে দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এর মধ্যে রাজধানীর হাইকোর্ট এলাকা, কদম ফোয়ারা, শিল্পকলা মোড় ও বিজয়নগর এলাকা থেকেই শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।
আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বিএনপি নেতাকর্মীদের আটকের কথা স্বীকার করলেও বিস্তারিত জানতে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে যোগাযোগের কথা বলেন।
বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদের অভিযোগ, জাতীয় প্রেসক্লাবের কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীকে বিনা কারণে আটক করেছে পুলিশ। মানববন্ধন শেষে ফেরার পথে বিভিন্ন পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থেকে পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, আমি শেষ যেটুকু খবর পেয়েছি তাতে এখন পর্যন্ত রমনা থানায় আটক আছেন ৬০ জনের অধিক নেতাকর্মী। এছাড়া শাহবাগ থানায় আটক আছে যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফ হোসেনসহ ৫০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী।
শাহবাগ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জাফর আলী বিশ্বাস জানান, ৬০ জন শাহবাগ থানায় আটক রয়েছে। এদের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সুস্পষ্ট, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাকিদের ছেড়ে দেয়া হবে।
এদিকে শাহবাগ থানার সামনে যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফ হোসেনের মেয়ে শর্মী কেয়া বলেন, আমার বাবার হাইকোর্টে হাজিরা ছিল। তিনি আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আমার বাবা সব মামলায় জামিনে আছেন।
এদিকে ঢাকাসহ সারাদেশে অনুষ্ঠিত দলের মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর গ্রেফতারের অভিযোগ করেছে বিএনপি। গতকাল বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, আজকে (সোমবার) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ও গাজীপুর, বাগেরহাট, মেহেরপুরসহ সারাদেশে শান্তিপূর্ণ মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করতে আসা ও যাওয়ার পথে সরকারের আজ্ঞাবহ পুলিশ বাহিনী বিনা উসকানিতে দুই শতাধিক নেতা-কর্মীকে আটক করেছে, নির্বিচারে গ্রেফতার করেছে। এই গ্রেফতারে রক্ষা পায়নি সাধারণ মানুষসহ নেতাদের গাড়ি চালকরাও। মানববন্ধন কর্মসূচির ওপর পুলিশি এই  আক্রমন নৃশংস দস্যুতার নামান্তর মাত্র। তাহলে মানববন্ধন কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছিলেন কী ওঁত পেতে গ্রেফতার করার জন্য? আমরা সরকারকে বলে দিতে চাই, এতে আপনাদের শেষ রক্ষা হবে না। যতই ট্রেন, লঞ্চে চড়ুন না কেন ডুবন্ত নৌকাকে আর ভাসানো যাবে না।
রিজভী গ্রেফতারকৃতদের তালিকা উল্লেখ করে বলেন, আটকদেও মধ্যে রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে দলের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহসম্পাদক সাবেক ছাত্র নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আবদুল মতিন, লেবার পার্টির যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম, গাজীপুর মানববন্ধন থেকে প্রয়াত নেতা আসম হান্নান শাহ‘র বড় ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান, স্থানীয় কাউন্সিলর হান্নান মিয়া হান্নু প্রমুখসহ  যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ রয়েছেন।
রিজভী অভিযোগ করে বলেন, দেশবাসী জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ও গাজীপুরে মানববন্ধনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের উন্মত্তা দেখেছে। মানে ওত পেতে ছিলো  বিএনপির এই কর্মসূচি শুরু হওয়ার সাথে সাথে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়া এবং নির্বিচারে গ্রেফতার করবে। এটা যেন পুলিশের আগে থেকে পরিকল্পনা ছিলো। এই পরিকল্পনামাফিক পুলিশ গাজীপুরে নির্বিচারে গুলী করেছে, নির্বিচারে গ্রেফতার করেছে। সেখানে বিনা উসকানিতে পুলিশ আমাদের কর্মসূচি পন্ড করার চেষ্টা করেছে। জেলা সভাপতি ফজলুল হক মিলনকে কিছুক্ষন আটকিয়ে রেখে পরে ছেড়ে দিয়েছেন। অনেক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা এহেন ঘটনার নিন্দা জানাই। ঢাকায় গ্রেফতার হওয়া ঢাকা মহানগর, যুব দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্র দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের তালিকা তুলে ধরেন রিজভী।
তিনি বলেন, গাজীপুরসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে বিএনপি’র মানববন্ধন কর্মসূচিতে পুলিশ অতর্কিত হামলা ও গুলী চালায়। এসময় বিএনপি’র বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মরহুম আ স ম হান্নান শাহ’র পুত্র শাহ রিয়াজুল হান্নান ও কাউন্সিলর হান্নান মিয়া হান্নুসহ ২৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশী লাঠিচার্জ ও গুলীবর্ষণে মহিলা দলের সাবেক সভাপতি আনোয়ারা বেগম, যুবদল নেতা সাজেদুল মোল্লাহ, সুমনসহ বেশ ২০ জনের মতো নেতা-কর্মী গুলীবিদ্ধ ও আহত হয়েছেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শরিফ হোসেন, রমনা থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বাবু, কোতয়ালী থানা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মামনু, থানা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম টয়, দক্ষিণ যুবদল নেতা মোঃ সানোয়ার, মোঃ ইমরান, মোঃ সাকিব, ওরিন, সোহাগ, ইলিয়াস, মিলন, জসিম, মহসিন, রাহাদ ও ইউছুফ, যাত্রবাড়ী থানা যুবদল নেতা জসিম খান,  যুবদল নেতা আব্দুল ওয়াছেদ, যুবদল নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুজ্জামান, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ সুলায়মান, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আকবর হোসেন, দক্ষিণখান থানা যুবদল সভাপতি শেখ আব্দুল্লাহ রাসেল, উত্তরখান থানা যুবদল নেতা হোসেন মোল্লা, ওমর ফারুক, মোঃ সুরুজ মিয়া, খিলক্ষেত থানা যুবদল নেতা নাজমুল, শেরেবাংলা থানা যুবদল নেতা মান্নান হাওলাদার, গুলশান থানা যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক মেহরান জাবিন ফারুক, মাসুদ পারভেজ, মোঃ রাজিব আলী রজ্জব, রুপনগর থানা যুবদল নেতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ মনির হোসেন, রতন মিয়া, শেরেবাংলা থানা যুবদল নেতা মোঃ শফিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, রমনা থানা যুবদল নেতা শরিফ, মিজান, ক্যান্টনমেন্ট থানা যুবদল সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, যুবদল নেতা নুর মোহাম্মদ, শফি উল্লাহ, মাসুমসহ অর্ধশতাধিক যুবদল নেতা-কর্মী আটক করে নিয়ে গেছে পুলিশ।
স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য এইচ এম জাফর আলী খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহাবুদ্দিন পাটোয়ারী, হেলাল উদ্দিন, ওয়ারী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন রাসেল, মতিঝিল থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানুর রহমান, রহমত ও হেলাল, কামরাঙ্গীরচর থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইউনুস ও লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবুল হোসেন, মনির হোসেনসহ ৩০ জনের অধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার।
নিউমার্কেট থানা বিএনপি নেতা মতিউর, শাহবাগ থানা বিএনপি নেতা কুতুবুদ্দিন, মামুন, ফারুক, শাহ আলম, মোক্তার, কদমতলী থানা বিএনপি নেতা জসিমউদ্দিন, মহসিন, ইউছুফ, পল্টন থানা বিএনপি নেতা আবুল হোসেন, আরমান হোসেন, মোঃ শামীম, মোহাম্মদ আলী, চকবাজার থানা বিএনপি নেতা রনি, কামরাঙ্গিরচর থানা বিএনপির নেতা মোঃ আনু, মোঃ নুরু, শিবলু, আলাউদ্দিন, রমনা থানা বিএনপি নেতা মোতালেব হোসেন রুবেল, মানিক হোসেন, মোঃ রিপন, মোঃ ফিরোজ, বংশাল থানা বিএনপি নেতা মাহবুব, গেন্ডারিয়া থানা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াসেক বিল্লাহসহ ৪০ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। কোতয়ালী থানা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুন, যুবদল নেতা আলমগীর গ্রেফতার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সূর্যসেন হল শাখার ছাত্রদল নেতা আনোয়ার, আলতাফ, মুজিব হল শাখার ছাত্রদল নেতা মশিউর, ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি গাজী মনিরুজ্জামান মানিক, কেন্দ্রীয় সহ-মুক্তিযোদ্ধা গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নিজাম উদ্দিন, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা রেদোয়ান হোসেন, নাহিয়ান হোসেন, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা সাইফুদ্দিন আহমেদ, ইউরোপিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা আলামিন বাবলু, ষ্ট্যাম্পফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা ডালটন হোসেন মনির, বাংলাদেশ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা রাকিব, মনিরুল ইসলাম মনির, আলামিন বাবু, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রনেতা আবদুল হক, সাইফ সবুজ, আফজাল হোসেন, বাংলা কলেজ শাখার ছাত্রদল নেতা রওনোকুল, তাহাফিন রনক, তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আবির, কাজী সাইফুল, বাইজিদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুরাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পনাক ইমমান, ক্রীড়া সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ছাত্রদল নেতা তানভীর, মিজানুর, মোশাররফ, রিয়াজ, বাইজিদ মোস্তাকিন, ঢাকা কলেজ ছাত্রদল সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান, মাজেদুল ইসলাম মাজেদ, সাকিল মাহমুদ, ঢাকা মহানগর পূর্ব নিউমার্কেট ছাত্রদলনেতা আপেল মাহমুদ, পল্টন থানা ছাত্রদল নেতা নোমান, একরাম, আফজাল, গাজীপুর জেলার ৪০ নং ওয়ার্ডের ছাত্রদল নেতা মাসুদ গ্রেফতার করা হয়।
 মোহাম্মদপুর  থানা বিএনপি নেতা কাশেম, খোকন, সুমন, মিন্টু, আখতার হোসেন অভি গ্রেফতার। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পাভেল শিকদার, ঢাকা আলিয়া মাদরাসা ছাত্রনেতা ফজলে রাব্বি, সাইফ আলী, কদমতলী থানা ছাত্রদল নেতা আশিকুর রহমান সুজন, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখা ছাত্রদল নেতা মো: শিপন মাহমুদ, দোহার থানা ছাত্রদল নেতা আল আমিন, ডেমরা থানা ছাত্রদল নেতা খন্দকার মেহেদী হাসান, কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদল নেতা রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ আটক করেছে পুলিশ।
এছাড়া পল্টন থানা শ্রমিক দল নেতা রাসেল, পল্টন থানা বিএনপি নেতা আবুল হোসেন বিএনপি নেতা আরিফ হোসেন, মোঃ শাহ আলম খান, মোঃ সেলিম, সিরাজুল ইসলাম মানিক এবং মোহাম্মদপুর থানা বিএনপি’র ৪ জন নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এর গাড়ী চালক আবুল কালামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মেহেরপুর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আবদুর রহিম, জেলা বিএনপির নেতা আবদুল কামাল, জেলা যুবদল নেতা আবদুস সালামসহ ১১ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
রিজভী বলেন, সরকার বিদায়ের প্রাক্কালে আতঙ্কিত হয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে বিরোধী দলের কর্মসূচির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। দলমন্য কিছু সংখ্যক পুলিশকে ব্যবহার করে সমগ্র পুলিশ বাহিনীকেই বিতর্কিত করছে সরকার। পুলিশকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে তাদের ভাবমূর্তিকে চরম কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা এখন শূন্যের কোঠায়। পুলিশ এখন আইনের লোক হওয়ার বদলে আওয়ামী লীগের লোক হওয়ার কারণে কবর থেকে উঠে আসা লাশের বিরুদ্ধে পুলিশকে উদ্দেশ্য করে ককটেল ছুঁড়ে মারার মামলা দেয়া হয়, বাদী আসামীকে না চিনলেও পুলিশ আসামীর বিরুদ্ধে চাঁদাবজির মামলা দেয়, ঘটনা না ঘটলেও অগ্রিম মামলা হয় থানায়, গাড়ি অক্ষত থাকলেও গাড়ি পোড়ানো ও ভাংচুরের মামলা দেয় পুলিশ, হজ্বে থাকা লোকও এখন গায়েবি নাশকতা মামলার আসামী হচ্ছে, এসব করে সারাদেশে গায়েবি মামলা, গায়েবি কাহিনী রচনা করে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার পাহাড় তৈরি করা হয়েছে।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সু-চিকিৎসার দাবিতে বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে ঢাকা দক্ষিন লেবার পার্টির যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবুল আলমকে গ্রেফতার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। বেগম জিয়ার মুক্তির দাবীতে কর্মসূচী থেকে লেবার পার্টির নেতা মাহবুবকে হয়রানি মূলক গ্রেফতার করায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন ২০ দলীয় জোটের বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার ফরিদ উদ্দিন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ লেবার পার্টির সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এস এম সালাউদ্দিন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ