ঢাকা, মঙ্গলবার 11 September 2018, ২৭ ভাদ্র ১৪২৫, ৩০ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শাহজাদপুরে যুমনা নদীতে নৌকায় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) : যমুনা চরের উদ্দেশ্যে যাত্রী নিয়ে ছুটে চলছে ট্রলার

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা: শাহজাদপুর উপজেলার যমুনা নদীর অববাহিকার কৈজুরী হাট, মোনাকোষাঘাট,এবং জামিরতা গুদারাঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল-বিকাল একাধিক রুটে যমুনাচর, টাঙ্গাইলের নাগরপুর, চৌহালী, এবং মানিকগঞ্জের আরিচা, পাবনার বেড়ায় ইঞ্জিন চালিত অর্ধশত নৌকা ঝুকিপূর্ণ যাত্রী পাড়াপাড় করছে। দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণীর নৌযান মালিকরা এসব রুটে শত শত যাত্রী নিয়ে উত্তাল যমুনা নদী পাড়ি দিলেও যেন দেখার কেউ নেই। মাঝে মধ্যেই যাত্রী বোঝাই এসব নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের কোন হস্তক্ষেপ দেখা যাচ্ছেনা। সরে জমিনে ঘুরে, যমুনা নদীর পশ্চিমপাড়ের  মোনাকোষা ঠুটিয়া কলেজ পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, ট্রলার নৌকা বোঝাই করে, নারী-পুরুষ, শিশুসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী যমুনা চরের চৌহালী, বানতিয়ার ও ভাটদিঘুলিয়া চরে যাচ্ছে। নৌকায় প্রয়োজনের চেয়ে অধিক যাত্রী তোলায় পানি সমতল করে উত্তাল যমুনা পাড়ি দিলেও কারো মাথা ব্যথা নেই। স্পর্শকাতর এসব রুটে অল্প খরচে চলাচল করা যায় বিধায় যমুনা পাড়ের অনেক মানুষ রাজধানী গামী মানুষ কৈজুরী-জামিরতা ঘাট থেকে মাত্র ৫০টাকায় আরিচা ঘাটে যেতে পারে। ফলে প্রতিদিন এসব ঘাট থেকে মাইক দিয়ে ডেকে ডেকে আরিচা ও চৌহালীগামী ছোট বড় ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নৌকা যাতায়াত করছে। বিশেষ করে গত  ঈদূল আযহা’র আগে ও পরে এসব ঘাটে নৌকার সংখ্যা বেড়ে শতাধিক হয়ে যায়। ঢাকা থেকে যমুনাপাড় ও যুমনা চরের শ্রমজীবি নারী পুরুষ অল্পখরচে ঝুকিপূর্ণ এই নৌ-পাড়াপাড় হয়েছে। এসব ঘাটের ইজারাদার ও নৌকার মালিকরা জানান, নৌকা বোঝাই করে না নিলে তাদের পোষায়না। এছাড়া দিনে মাত্র দুই-একবার আরিচা ও চৌহালীরুটে নৌকা চলে। আর যমুনা চরে কয়েকবার নৌকা যেতে পারে।  যমুনা চরের হাট-বাজার গুলির কাচামাল ও গবাদী পশু পাখি এসব রুট দিয়েই আনা নেওয়া করা হয়। তবে এসব রুটে অবৈধ নৌযান ও মাঝি মাল্লাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে যাত্রীদের ঝুঁকিপূর্ণ পাড়াপাড় থামবেনা। ফলে যে কোন মুহুর্তে যমুনা নদীর এসব রুটে নৌ-দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। বিপন্ন হতে পারে শত শত মানুষের প্রাণ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ