ঢাকা, বুধবার 12 September 2018, ২৮ ভাদ্র ১৪২৫, ১ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

তেল উত্তোলন বাড়াতে সৌদি-মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রীদের বৈঠক

সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রী খালিদ আল ফালিহ’র সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী রিক পেরি

১১ সেপ্টেম্বর, রয়টার্স : ইরানের অপরিশোধিত তেল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরও সরবরাহ ঠিক রাখতে তেল রফতানিকারক দেশগুলোকে উত্তোলন বাড়াতে উৎসাহিত করছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই লক্ষ্যে শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রী খালিদ আল ফালিহ’র সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী রিক পেরি। গত সোমবার ওয়াশিংটনে তারা এই বৈঠক করেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, পেরি ও ফালিহ বিশ্ব তেলের বাজার পরিস্থিতি, মার্কিন-সৌদি বেসামরিক পরমাণু সহযোগিতা ও পরিষ্কার জীবাশ্ম জ্বালানি উন্নয়নে প্রাযুক্তিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তবে ওয়াশিংটনে সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

খবরে বলা হয়, এর আগে বৃহস্পতিবার রিক পেরি রুশ জ্বালানিমন্ত্রী আলেক্সান্ডার নোভাকের সঙ্গেও মস্কোয় বৈঠক করেছেন। রবিবার রাতে একটি মার্কিন ও একটি কূটনীতিক সূত্র রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করছে।     

আগামী ৬ নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনের আগে তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে ইরানের ওপর তেল রফতানি নিষেধাজ্ঞা চালু হওয়া খবরের পরই গত কয়েক সপ্তাহে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ৭৬ ডলারের বেশি বেড়ে গেছে।

গত মে মাসে ইরানের সঙ্গে করা পরমাণু চুক্তি থেকে বের হয়ে আসেন ট্রাম্প। ওই সময় তিনি ইরানের তেল রফতানি শুন্যে নামিয়ে আনার হুমকি দেন। এরপর থেকেই তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেল উত্তোলণকারী দেশগুলোকে উৎপাদন বাড়ানোর তাগাদা দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিনিময়ে এসব দেশকে কী সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে তা এখনও জানা যায়নি। সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বেসামরিক পরমাণু চুক্তি করতে চায়। এটা হলে তারা ইউরোনিয়াম সমৃদ্ধকরণসহ প্লুটোনিয়াম প্রক্রিয়াজাত করতে পারবে। আর রাশিয়া চাইছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুক।

তেল উত্তোলনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেক গত জুন মাসে পরিমিত মাত্রায় তেল উত্তোলনের ঘোষণা দেয়। তবে এই মাসের শেষ দিকে ওপেকভুক্ত ও ওপেকের বাইরে থাকা তেল রফতানিকারক দেশগুলোও তেল উত্তোলন বাড়ানোর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের বিষয়ে আলোচনা করবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ