ঢাকা, বুধবার 12 September 2018, ২৮ ভাদ্র ১৪২৫, ১ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আইন না মানার প্রবণতা বৃদ্ধিতে ঢাকা বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে পরিবর্তন চাই-এর উদ্যোগে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার: আইন না মানার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়াতে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দিন দিন বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। একে বাসযোগ্য করতে হলে সকল নাগরিককে সচেতন করতে হবে। সরকার কিংবা সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে তা করা সম্ভব নয়। আর এ কারণেই নগর কতৃপক্ষের পশাপাশি এবার এগিয়ে এলো পরিবর্তন নামে একটি বেসরকারি সংস্থা। তারা সারা দেশে দেড় লাখ তরুণ-তরুণীর অংশ গ্রহণে পালন করছে দেশটাকে পরিষ্কার করি দিবস।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে পরিবর্তন চাই আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। সংগঠনের সভাপতি ফিদা হকের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন,ঢাকা দক্ষিণ সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান,এয়ার কমান্ডার জাকির হোসেন,মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সামিয়া চৌধুরী,প্রথম আলো’র সহকারী সম্পাদক, রাজিব হাসান,সংগঠনের প্রধান নির্বাহী,কাজী এম আহমেদ,হামিদ এইচ খান,মিফতা জামান প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে ফিদা হক জানান,২০১৪ এই সংগঠনের জন্ম। জন্মকাল থেকে আমরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কাজ করছি। আমরা প্রথম একজন মানুষকে পরিবর্তন করতে চাই। আর এ কারণেই আমরা এ কাজে স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে অভিযান পরিচালনা করে থাকি। প্রথম বছর আমরা এ কাজে ৪৩ জেলায় ২০ হাজার কর্মী কাজে লাগালেও এ বছর দেড় লাখ  স্বেচ্ছাসেবী তরুণ-তরুণীদেও কাজে লাগানো হবে। সারা দেশে একযোগে এ কাজ করা হবে।
তিনি আরও জানান আমরা মূলত শহরটাকে বসবাসের উপযোগী করতে চাই। আমাদের শহরে মানুষ আজ আইন মানতে চায় না। আর এ কারণেই যে যার মত সেখানে  সেখানে ময়লা ফেলছে। এতে করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙ্গে পড়ছে। এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে না পারলে শহরে আর বসবাস করা যাবে না। এসব মানবিক কারণেই আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি জানান আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর সারা দেশে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।
জাকির হোসেন বলেন,সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব নয়। আমরা চাই এই সংগঠনের মত আরও সংস্থা এগিয়ে আসুক। আমাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা মাঝ রাত থেকে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু জনগণের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা নেই বললেই চলে। আর এ কারণেই ডাস্টবিনে ময়লা না ফেলে যেখানে সেখানে ফেলা হচ্ছে। এতে করে পরিবেশ দুষণের শিখার হচ্ছে। এই সাথে ধুলাবালি আর আবর্জ্যনার কারণেই আজ ঢাকা শহর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
তিনি বলেন আমাদের নিজেদের আগে পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে দেশ পরিবর্তন করা যাবে না। এই জন্য সারা দেশে সচেতনতা আরও বাড়াতে হবে। জনগণ যদি সচেতন হয় তাহলেই কেবল ঢাকাকে মানবিক এবং বসবাসের উপযোগী করা সম্ভব হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ