ঢাকা, বুধবার 12 September 2018, ২৮ ভাদ্র ১৪২৫, ১ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ফরিদপুরে দুদকের মামলায় স্বামী-স্ত্রীর সশ্রম কারাদন্ড

ফরিদপুর সংবাদদাতা : ফরিদপুরে দুদকের মামলায় স্ত্রীসহ শরীয়তপুরে জেলা প্রশাসনের কর্মচারী ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকারকে ২৮ বছর ও তার স্ত্রীকে ৮ বছর সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারিক হাকিম মতিয়ার রহমান এ আদেশ দেন।
আদালত শরীয়তপুর জেলার প্রশাসকের কার্যালয়ের জিএম শাখার কর্মচারী মো. ইমাম উদ্দিন (৪৫)কে ২৮ বছর স্বশ্রম কারাদন্ড এবং ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ২৪ টাকা আর্থিক দন্ড প্রদান করেন। টাকা অনাদায়ে তাকে আরও সাত মাস ১৫দিন বিনাশ্রম কারাদন্ড ভোগ করতে হবে।
আদালত একই সাথে এ কাজে সহায়তা করার জন্য ইমাম উদ্দিনের স্ত্রী শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী কমলা আক্তারকে (৮) আট বছর স্বশ্রম কারাদন্ড ও নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও দেড় মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড ভোগ করতে হবে।
রায় ঘোষণার সময় মো. ইমাম উদ্দিন ও কমলা আক্তার আদালতে হাজির ছিলেন। রায়ের পর তাদের দুজনকে সরাসরি কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দুদকের আইনজীবী মজিবর রহমান বলেন, ২০১০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের ২৬ মে পর্যন্ত ভ্রাম্যমান আদালতের পেশকার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ইমাম উদ্দিন তার স্ত্রী অফিস সহকারী কমলা আক্তারের সহায়তায় ভ্রাম্যমান আদালতের অর্থদন্ডবাবদ প্রাপ্ত ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ২৪ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন।
 এ অভিযোগে ২০১৫ সালের ১৮ জুন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী হাকিম জিনিয়া জিন্নাত বাদী হয়ে পালং থানায় সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলাদায়ের করেন। দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় ফরিদপুরের সহকারি পরিচালক হাফিজুর ইসলাম এ অভিযোগটি তদন্ত করে ইমাম উদ্দিন ও কমলা আক্তারকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট প্রদান করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ