ঢাকা, বুধবার 12 September 2018, ২৮ ভাদ্র ১৪২৫, ১ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

খুলনায় ধর্ষণ থেকে ষাট বছরের বৃদ্ধাও রক্ষা পেল না

খুলনা অফিস : মানুষ কতটা নিকৃষ্ট হলে ষাট বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করতে পারে? তারই প্রমাণ মিলেছে খুলনা মহানগরীর টুটপাড়া মহিরবাড়ি ছোট খালপাড় এলাকায়। একজন বৃদ্ধা ভিক্ষুক মহিলাকে ধর্ষণের ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। গভীর রাতে তার ঘরে প্রবেশ করে একই এলাকার লম্পট মো. ফেরদাউস ওরফে সোহাগ শেখ (৩২) এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ভিকটিম বাদী হয়ে এ ঘটনায় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
 রোববার দিনগত রাত তিনটার দিকে টুটপাড়া মহিরবাড়ি ছোট খালপাড় এলাকার শরিফাবাদ মসজিদ গলির মাথায় ছোট্ট একটি কুঁড়েঘরে থাকেন ভিকটিম ও তার স্বামী সোবাহান হাওলাদার (৭৫)। দিনে তারা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করেন বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে। ঘটনার দিন রাতে মেঝেতে ঘুমিয়ে ছিলেন সোবাহান হাওলাদার তারই পাশে খাটের ওপর তার স্ত্রী। তারা ঘুমে অচেতন হওয়ার পর লম্পট সোহাগ মাতাল অবস্থায় তাদের ঘরে প্রবেশ করে। এরপর খাটে জোরপূর্বক বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করে। প্রথমে ভিকটিম বুঝে উঠতে না পারায় কিছু সময় চিৎকার দিয়ে তার স্বামীকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। পরে তাদের চিৎকার চেঁচামেচিতে স্থানীয় লোকজন ধর্ষক সোহাগকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। সোহাগ একই এলাকার মৃত গোলাম মোস্তফা ওরফে খোকন শেখের ছেলে।
ভিকটিমের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রাত সাড়ে ৩টার দিকে আমার মা চিৎকার করতে করতে আমার বাসায় এসে ডেকে তোলে। এসময় তার শরীরে বস্ত্র ছিল না। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আমরা পুলিশে খবর দেই। কিন্তু পুলিশ মায়ের পরীক্ষার কথা বলে ঘটনার পর থেকে মাকে আটক রেখেছে। মঙ্গলবার তার মেডিকেল করা হয়। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই অনুকূল চন্দর ঘোষ বলেন, ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে একজনকে আসামি করে এজাহার দায়ের করেছেন। আসামিকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিম পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এজহার দিতে দেরী হওয়ায় এমনটি হয়েছে। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, আটকৃত আসামি এলাকার নানা অপকর্মের সাথে জড়িত বলে আমরা জানতে পেরেছি। তাকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ