ঢাকা, বুধবার 12 September 2018, ২৮ ভাদ্র ১৪২৫, ১ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ঢাকার লাইসেন্সবিহীন ১৪ হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

স্টাফ রিপোর্টার: মোহাম্মদপুরে লাইসেন্সবিহীন ১৪টি হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। রুলে লাইসেন্সহীন হাসপাতাল পরিচালনা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং যারা এগুলো পরিচালনা করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনত কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
লাইসেন্সবিহীন হাসপাতালগুলো হচ্ছে ক্রিসেন্ট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বিডিএম হাসপাতাল, সেবিকা জেনারেল হাসপাতাল, জনসেবা নার্সিং হোম, লাইফ কেয়ার নার্সিং হোম, রয়্যাল মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল, নবাব সিরাজউদ্দোলা মেন্টাল হাসপাতাল, মনমিতা মেন্টাল হাসপাতাল, প্লাজমা মেডিকেল সার্ভিস অ্যান্ড ক্লিনিক, শেফা হাসপাতাল, ইসলামিয়া মেন্টাল হাসপাতাল, মক্কা মদিনা জেনারেল হাসপাতাল, নিউ ওয়েল কেয়ার হাসপাতাল ও বাংলাদেশ ট্রমা স্পেশালাইজড হাসপাতাল।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
পরে মনজিল মোরসেদ বলেন, গত এপ্রিলে মোহাম্মাদপুরে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের বিপরীতে বাবর রোড ও খিলজি রোড সংশ্লিষ্ট এলাকায় লাইসেন্সহীন হাসপাতালের খবর একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। কিšুÍ আইন অনুসারে লাইসেন্স ছাড়া হাসপাতাল পরিচালনা একেবারেই অবৈধ এবং তা পরিচালনা করা শাস্তিযোগ্য। এ কারণে জনস্বার্থে ৯ সেপ্টেম্বর আমরা একটি রিট মামলা করি। আজকে (মঙ্গলবার) এর ওপর শুনানি হয়েছে। শুনানি নিয়ে আদালত ১৪টি হাসপাতাল দ্রুত বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও রুল জারি করা হয়েছে। লাইসেন্সহীন হাসপাতাল পরিচালনা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং যারা এগুলো পরিচালনা করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনত কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, পুলিশ কমিশনার, মোহাম্মাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ২০ এপ্রিল ‘রাজধানীতে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান: ৫০০ মিটারে ২৬টি, ১৪টিই অবৈধ হাসপাতাল’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে সে প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে রিট দায়ের করা হয়। সে রিটের শুনানি নিয়ে আদালত আদেশ দেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ