ঢাকা, বৃহস্পতিবার 13 September 2018, ২৯ ভাদ্র ১৪২৫, ২ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ইসিকে সহায়তা দেবে সরকার -প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: অসচেতনভাবে যত্রতত্র রাস্তা পার হওয়া পথচারীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ড্রাইভারের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। কিন্তু যত্রতত্র রাস্তা পার হওয়াদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলে এটি থামবে। তাছাড়া এটি থামবে না। এছাড়া ট্রাফিক নিয়মটা স্কুল থেকে আস্তে আস্তে শেখানো উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির নূরে হাসনাত লিলি চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন তিনি। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, সড়কের দুর্ঘটনা দূর করার জন্য আমরা যতই পদক্ষেপ নেই না কেন, আমাদের দেশের মানুষের অদ্ভুত মানসিকতা- তারা রাস্তা পারাপারের সময় হাত দেখায়! দ্রুতযান হাত দেখানোর সাথে সঙ্গে থেমে যেতে পারে না। কিন্তু আমরা কী দেখি, ছোট্ট শিশুর হাত ধরে মা রাস্তা পার হচ্ছেন। অথবা বাবা বাচ্চাদের নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। রাস্তায় অনবরত গাড়ি আসছে অথচ খুব কাছেই ফ্লাইওভার থাকলেও এভাবে পার হচ্ছেন। এমনকি যুব ছেলে-মেয়েরাও এ কাজ করছেন। ফ্লাইওভার দিয়ে পার না হয়ে দৌড় মেরে পার হতে চায়। তার ফলে অ্যাক্সিডেন্ট হয়। আর অ্যাক্সিডেন্ট হলে যারা রাস্তা পারাপার হচ্ছে তাদের দোষ কতটুকু আর ড্রাইভারের দোষ কতটুকু সেটাও বিবেচ্য বিষয়।
তিনি বলেন, আরেকটি বিষয় আমি দেশবাসীকে বলব সেটা হলো, কোনো একটি অ্যাক্সিডেন্ট হলে ড্রাইভার তখন নিজের জীবন বাঁচাতে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। ফলে যার বাঁচার সম্ভাবনা সেও আর বাঁচে না। ড্রাইভার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে কারণ যে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেল তাকে সাহায্য করার চেয়েও বেশি আগ্রহ থাকে ড্রাইভারকে টেনে নামিয়ে কীভাবে মারধর করা যায় এবং মারতে মারতে এমনও ঘটনা ঘটে মেরেই ফেলে! আইন কারো হাতে তুলে নেয়া উচিত নয়। ধরে পুলিশে দেবে, কিন্তু কেউ মারধর করতে পারবে না। এই মারধর যদি বন্ধ হয় তাহলে অনেক অ্যাক্সিডেন্টে কিন্তু মানুষ বেঁচে যায়। এটি হলো বাস্তবতা। আর দ্বিতীয় কথা হচ্ছে পারাপারের সময় সকলকেই ট্রাফিক আইনটা মেনে চলা উচিত।
শিশু আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতবড় একটি ঘটনা ঘটল, আন্দোলন হলো তারপরও আমরা দেখি মানুষের মধ্যে সেই সচেতনতা নেই। তারা যত্রতত্র রাস্তা পার হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ছবির বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, এক বাবা তার শিশু সন্তানকে নিয়ে এমনভাবে রাস্তা পার হচ্ছিলেন বাবার পা একটু পিছলে গেলেই ফেন্সের সরু মাথা তার শরীরে গেঁথে যাবে। কেউ রাস্তা পার হতে একটা মিনিট সময় নেবে না, অথবা ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করবে না। এই বিষয়টিও সবার দেখা দরকার।
রাস্তা পারাপার সব ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের মানুষের একটু সচেতন হওয়া উচিত। ছোট শিশুকে নিয়ে হঠাৎ দৌড় দিয়ে রাস্তা পার হওয়া বা দুটি বাস দাঁড়িয়ে আছে তার ফাঁক দিয়ে বেরুতে গিয়ে অ্যাক্সিডেন্ট হলো। গাড়িতে বসে মাথা বা হাত বের করে রাখা তখন তো অ্যাক্সিডেন্ট হতেই পারে।

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে ইসিকে সব
ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার
সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারে। নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় দেশের জনগণ সুষ্ঠুভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন তাদের অর্পিত সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের সকল কার্যক্রম গ্রহণ করবে বলে সরকার প্রত্যাশা করে। সরকার আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সুষ্ঠুভাবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুসারে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার জন্য জনবলের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে, দেশের জনগণের সার্বিক মুক্তি-অর্জন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণে আওয়ামী লীগ সরকার নানাবিধ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার রূপকল্প-২০২১, দিনবদলের সনদ, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরে সুশাসন সুসংহতকরণ, গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং জনগণের সর্বাত্মক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা এসব লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবো। ২০১৫ সালের ১লা জুলাই বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে বেরিয়ে এসেছে। আমরা এখন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায়। গত ১৭ মার্চ জাতির পিতার ৯৮তম জন্মদিনে বাংলাদেশ জাতিসংঘ কর্তৃক স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার প্রাথমিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এই স্বীকৃতি দেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিফলন। জাতি হিসেবে আমাদের জন্য একটি বিশাল অর্জন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সঙ্কটের জাল ছিন্ন করে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বে মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
সংসদ নেতা জানান, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ’এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’- এর আলোকে আগামী তিন বছরের মধ্যে রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ’রূপকল্প-২০৪১’ প্রণয়ন করে জাতির সামনে উপস্থাপন করবো। এ পরিকল্পনার লক্ষ্য হচ্ছে, আগামী ২৩ বছরের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী দেশের কাতারে দেশকে নিয়ে যাওয়া। রূপকল্প-২০৪১ এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তুলনীয় এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ। রূপকল্প-৪১ বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানো হবে। বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বহির্বিশ্বের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক স্থাপনের উপর জোর দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনাকারীদের
চিহ্নিত করতে কমিশন
আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করতে কমিশন গঠন করা হবে। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ পরপর দু‘বার সরকার গঠনের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পূর্বে ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে অনেক তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। এতে দেখা যায়, পরোক্ষভাবে দেশি ও বিদেশি কিছু লোক ও সংস্থা বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। এজন্য জাতির পিতাকে হত্যার অন্যান্য পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করার জন্য কমিশন গঠনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
বঙ্গবন্ধু হত্যার পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টি সরকারের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর যেসব খুনি বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আছে এবং আশ্রয় গ্রহণ করেছে, তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার সব প্রকার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। এ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি সম্মিলিতভাবে কাজ করছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘কানাডায় বসবাসরত পলাতক আসামি নূর চৌধুরীর তথ্য দিতে ফেডারেল কোর্ট অব জাস্টিস-এর আদালতে আবেদন করা হয়েছে। পলাতক রাশেদ চৌধুরীকে আমেরিকা থেকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক ও আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সেখানে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

ঢাকার চারদিকে রিং রোডের পরিকল্পনা
একেএম রহমতুল্লাহর ( ঢাকা-১১) প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঢাকা শহরের চারদিকে রিং রোড করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ রিং রোড এলিভেটেডেট করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকার রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসন ও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকল্পে এলিভেটেড এক্সপ্রেস সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প, ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পসহ ৫টি প্রকল্পের কথা জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিতভাবে ল্যান্ডিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। স্থাপিত এলিভেটরগুলোর সঙ্গে প্রয়োজনে সংযোগ দেয়া হবে। বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু, তুরাগ নদীতে নৌপথ এবং এরই পাড় ধরে ভবিষ্যতে রিং রোড করে দেয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এ সময় সংসদে পাঁচটি প্রকল্পের তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সেগুলো হলো-
(১) ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প : প্রধানমন্ত্রী জানান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে শুরু হয়ে কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, সোনারগাঁও হোটেল, পলাশী, মগবাজার, কমলাপুর হয়ে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত র‌্যাম্পসহ ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প। ২০১৫ সালের আগস্ট হতে এই প্রকল্পের পাইল ড্রাইভিং শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ১ হাজার ১৮৯টি ওয়ার্কিং পাইল ড্রাইভিং, ২৩৬টি পাইল ক্যাপ, ২০টি ক্রস বিম, ১১৯টি কলাম এবং ১৫০টি আই গার্ডার নির্মাণ শেষ হয়েছে। ২০২০ সাল নাগাদ এ এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শেষ হবে।
(২) ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আবদুল্লাহপুর, আশুলিয়া হয়ে সাভার ইপিজেড পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের প্রকল্প। প্রায় ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে প্রকল্পটি ২০১৭ সালের অক্টোবর অনুষ্ঠিত একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পটি জি-টু-জি ভিত্তিতে নির্মাণে চীন সরকারের মনোনীত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ২০১৭ সালে নভেম্বরে বাণিজ্যিক চুক্তি হয়।
(৩) ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প : ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের বালিয়াপুর হতে নিমতলী-কেরানীগঞ্জ-ফতুল্লা-বন্দর হয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্দ পর্যন্ত হবে এই এক্সপ্রেসওয়ে। প্রায় ১৬ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ৩৯ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটি জি-টু-জি পদ্ধতিতে অর্থায়নসহ নির্মাণের লক্ষ্যে মালয়েশিয়া সরকারের প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান শেখ হাসিনা।
(৪) ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে : প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকার ৫ হাজার ৯৫১ কোটি ৪১ লাখ টাকা অর্থায়ন করবে এবং চীনা এক্সিম ব্যাংক ১০ হাজার ৯৪৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা ঋণ সহায়তা প্রদান করবে।
(৫) ঢাকা ইস্টওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প : এই প্রকল্পটি জি-টু-টি পদ্ধতিতে অর্থায়নসহ নির্মাণে মালয়েশিয়া সরকার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানান সরকারপ্রধান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ