ঢাকা, মঙ্গলবার 18 September 2018, ৩ আশ্বিন ১৪২৫, ৭ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

নামিদামি হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট‘র ছড়াছড়ি

# জুন ২০১৮ পর্যন্ত ১৪১১ অভিযান, মামলা ১৬৬৩, জরিমানা ৪১ কোটি টাকা -র‌্যাব
তোফাজ্জল হোসেন কামাল : স্বাস্থ্য সেবার নামে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন রোগী সাধারণ। সেবার নানা রকম চমক লাগানো সুযোগ সুবিধা প্রদানের বাহারী কথা দিয়ে রোগীদের কাছে টানার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই নামিদামি হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলো। ব্যবসা সফল হওয়ার ক্ষেত্রে ছোটখাটো হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলো নানা রকম সুযোগ সুবিধা দিয়ে রোগীদেরকে কাছে টানার যে পথ ধরে চলে,তার দিকে জোর কদমে পা বাড়িয়ে দিচ্ছে কথিত নামকরা হাসপাতাল-ক্লিনিক। তাদের ওইসব ব্যবসায়ীক ফাঁদে পড়ে রোগীরা দারস্থ হয়েও কাঙ্খিত সেবার নামে বরাবরই প্রতারণার শিকার হচ্ছে-এমন অভিযোগ অহরহই ওঠছে। মাঝেমধ্যে ভুল চিকিৎসায় স্বজন হারানোর বেদনার খবর,ক্ষুব্ধদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাংচুরের খবরও মেলে। সব মিলে স্বাস্থ্য সেবার নামে হচ্ছে কি  -সেটা দেখার মত কোন সংস্থা আছে কি না এমন প্রশ্ন বারবারই ঘুরে ফিরে আসে।
স্বাস্থ্য সেবার যে চিত্র তা দেখে কোন স্বস্থির খবর নেই। খবর হচ্ছে, কোনো হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটার হতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ ও সার্জিক্যাল সামগ্রী, কোনটাতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মেয়াদোত্তীর্ণ রক্ত সংরক্ষণ, কোথাও আবার অস্ত্রোপচার কক্ষে নোংরা পরিবেশ। তবে সবকিছু ছাড়িয়ে গেছে ডায়াগনস্টিক টেস্টে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহারের অবহেলা।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ভুল চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রথম ধাপ মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট। পুলিশের এলিট ফোর্স -র‌্যাবের মোবাইল কোর্ট অভিযানের  পরিসংখ্যান বলছে,  এই সব কারণে গত জুলাই মাসেই প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাব। তবুও এমন অপরাধ করে যাচ্ছে নামিদামি বেসরকারি হাসপাতাল গুলো।
ডায়াগনস্টিক টেস্টে রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান  রি-এজেন্ট। রাজধানীসহ সারা দেশে নামিদামি বেসরকারি হাসপাতাল গুলো মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার করে প্রতারণা করে আসছে এমন অভিযোগে সরগরম দেশ। চিকিৎসা খাতের এই বেহাল দশায় শঙ্কিত সাধারণ রোগীরা।
আগুনে ঘি ঢালার মত র‌্যাব সদর দফতর থেকে পাওয়া  তথ্য বলছে, মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ, সার্জিক্যাল সামগ্রী, অস্ত্রোপচার কক্ষ নোংরা, মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট এই সব কারণে র‌্যাব প্রতিষ্ঠা হতে জুন  ২০১৮ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪১১ টি অভিযান পরিচালনা করেছে। যাতে দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা ১ হাজার ৬৬৩ টি, আর নানা রকম অভিযোগে জরিমানা করেছে প্রায় ৪১ কোটি টাকা। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, প্রত্যেকটি অভিযানে রি-এজেন্ট জনিত সমস্যা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।
এ ছাড়া নানা রকম অনিয়মের সাথেও জড়িয়ে পড়েছে দেশের বড়বড় হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলো। তারা রোগীদের স্বাস্থ্য সেবার দিকে নজর না দিয়ে ব্যবসার দিকেই নজর রাখছে বেশি। আইনশৃংখলাবাহিনীর সদস্যরা যখন অভিযোগ পেয়ে অভিযানে নামে,তখন তাদেরকে গুণতে হয় জরিমানার টাকা। তারপরও তাদের হুঁশ ফেরে না।
গত ১৬ আগস্ট রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত বিআরবি হাসপাতালকে (সাবেক গ্যাস্ট্রো লিভার হাসপাতাল) ২ লাখ ও স্পাইনাল অর্থোপেডিক হাসপাতালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এই দুইটি হাসপাতালকে ১২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।ঔষধ প্রশাসনের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম এ জরিমানা করেন। অন্য হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট নিজেদের প্যাডে সরবরাহ এবং অনুমোদনবিহীন ফার্মেসি পরিচালনা ও অপারেশন থিয়াটারে মেয়াদত্তীর্ণ সরঞ্জাম রাখার দায়ে এ দুই হাসপাতালকে জরিমানা করা হয়।
র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, ‘বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে রিপোর্ট করে নিজেদের প্যাডে দেওয়া, ব্লাড কালচারে সমস্যা ও অনুমোদবিহীন ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগে বিআরবি হাসপাতালকে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং অপারেশন থিয়েটারে একাধিক মেয়াদত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়ায় স্পাইনাল অর্থোপেডিক হাসপাতালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এর আগে গত ২ জুলাই ধানমন্ডি-২ নম্বর সড়কের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। দুই বছর আগের মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার এবং ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করায় হাসপাতালটিকে জরিমানা করেছে। ৭ মাস আগে ২০১৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর  হাসাপাতালটিকে একই  অপরাধের  ৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছিল এই ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরদিন ৩ জুলাই  মিরপুরে গ্যালাক্সি ও আলোক হাসপাতালকে  ১৮ লাখ টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত । তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অপরাধ ছিল। ২০ জুলাই সাভারে দ্বীপ হাসপাতাল, সাভার সেন্ট্রাল হাসপাতাল ,প্রাইম হাসপাতাল, প্রিন্স হাসপাতাল , নিউ দ্বীপ হাসপাতাল, মুক্তি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৷ মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট , অপারেশন থিয়েটার হতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ এবং সার্জিক্যল সামগ্রী জব্দ করার পর সাড়ে ২২ লাখ টাকা জরিমানা করে তাদের।
এই সব  অপরাধে  অভিযুক্ত দেশের অন্যতম ব্যয়বহুল হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত 'এ্যাপোলো'। চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে এ্যাপোলোকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করে র‌্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-১)  ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনার ৩ বছর আগে কমবেশি একই কারণে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা করে এই হাসপাতালকে।
এর আগে গত ২১ মার্চ মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট দিয়ে রোগ নির্ণয় এবং অপারেশনের পর যে সুতা দিয়ে সেলাই কারা হয় তা পর্যন্তও মেয়াদোর্ত্তীর্ণ ব্যবহার করে ইউনাইটেড হাসপাতাল এমন অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব সেখানে অভিযান চালায়। ওই দিন  দুপুর থেকে সন্ধ্যা নাগাদ গুলশানের এই হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এসব ধরা পড়ে। এজন্য হাসপাতলটিকে  ২০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বেলা ১২টার দিকে অভিযানে গিয়ে প্রথমে হাসপাতালের পরীক্ষাগারে যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ফার্মেসিতে অভিযান চালায়।
র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, ল্যাবরেটরিতে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট পাওয়া গেছে। যে তাপমাত্রায় রাখা দরকার তা না রাখায় এসব রি-এজেন্ট বরফ হয়ে যায়।
 সেখানে প্রায় পাঁচ কার্টন রি-এজেন্ট ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, যত রি এজেন্ট ছিল তার প্রায় সবটাই মেয়াদোত্তীর্ণ। এছাড়া সার্জিক্যাল আইটেমের মধ্যে অস্ত্রোপচারের পর সেলাইয়ে যে সুতা ব্যবহার করা হয় তার বড় অংশও মেয়াদোত্তীর্ণ পাওয়া যায়। এসব কারণে এই প্রতিষ্ঠানকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
গত জানুয়ারি মাসে এক নকল ওষুধ সরবরাহকারীকে ধরার পর ঢাকার আরেক নামি হাসপাতাল অ্যাপোলোতে অভিযান চালায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। নকল ওষুধ ধরা পড়ায় সে সময় ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। ওই ব্যক্তি ইউনাইটেড হাসপাতালেও ওই সব ওষুধ সরবরাহ করত বলে খবর পাওয়ার কথা জানান সারোয়ার আলম।
 দেশের সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকগুলোতে রোগিরা প্রতারিত হচ্ছে এমন খবর আগে থেকেই ছিল। নামিদামি বেসরকারি হাপাতাল গুলোর ব্যাপারে এমন অভিযোগ কমই শোনা যাচ্ছিল, এবার সেই থলের বিড়ালও বেরিয়ে এলো ওপরের নামিদামি হাসপাতালে অভিযানের পর।
রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রামেরও চিত্র এক ও অভিন্ন। অপারেশন থিয়েটারে মেয়াদউত্তীর্ণ ইনজেকশন এবং ড্রাগ ব্যবহার করে অপারেশন করা হচ্ছে। ওটিতে রোগী কাতরালেও ডাক্তারের কোন হদিস নেই। চট্টগ্রাম নগরীর চট্টেশ্বরী রোডের কসমোপলিটান হসপিটালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এ চিত্র দেখা যায় গত বছরের এক অভিযানে। তখন জানানো হয়,হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে চালানো হচ্ছে ওটি। এখানকার ফার্মাসিতে পাওয়া গেছে মেয়াদউত্তীর্ণ ও লেবেলবিহীন ওষুধ। ফ্রিজে রক্তের ব্যাগের সাথে রাখা হয়েছে মাছ-মাংস।চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া মুন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে এই চিত্র উঠে আসে। তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে তিন লক্ষ টাকা জরিমানা এবং তিনজনকে আটক করেন।
সেদিন আদালতের সাথে আসা সিভিল সার্জন চট্টগ্রামের প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ড. মোঃ নূরুল হায়দার গনমাধ্যমকে জানান, ওটিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ প্রাণঘাতী, এসব ব্যবহারে রোগীর মৃত্যু হতে পারে। এছাড়াও নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর যে পরিবেশ পাওয়া গেছে কসমোপলিটন হাসপাতালে, তা রোগীদের জন্য মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ।
এদিকে একই ভ্রাম্যমাণ আদালত সকালে নগরীর হালিশহর এলাকার হিউমান ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন। সেখানে প্যাথোলজিতে বেশকিছু মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট পাওয়া যায়। তাদের ফ্রিজে রিএজেন্ট এবং ওষুধ যেখানে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল, সেখানে একই যায়গায় কাচা মাংস রাখা হচ্ছিল।
এছাড়া রেডিওলজি বিভাগের টেকনিশিয়ানের কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা বা প্রশিক্ষণ সনদ নেই। এসব কারণে পৃথক দুটি মামলায় প্রতিষ্ঠানটিকে দুই লক্ষ এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া মুন বলেন মেয়াদোত্তীর্ন রিএজেন্ট ব্যবহার করে পরীক্ষার কাজ চালানো মানুষের সাথে প্রতারণা।
ড. মোঃ ওয়াজেদ চৌধুরী অভি বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্টে কখনই সঠিক ফলাফল আসবে না। এছাড়া ফ্রিজারে অষুধ রিএজেন্টের পাশে মাংস রাখা একেবারেই উচিত নয়।
সম্প্রতি বহুল আলোচিত এই মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্টের প্রভাবে ডায়াগনস্টিক টেস্টে কি প্রভাব ফেলে জানতে চাইলে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলোজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কাজী নিশাদ আরা বেগম বলেন, রোগীর রোগ নির্ণয়ের প্রধান ধাপ হল টেস্ট। রি-এজেন্টে যদি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়, টেস্টের রেঞ্জে  পরিবর্তন আসবে। এই টেস্টকে ভিত্তি হিসেবে ধরে, চিকিৎসা শুরু করলে পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়াই ভুল দিকে যাবে। রোগীর ভুল চিকিৎসা হবে, আমরা যে রেজাল্ট পাচ্ছি, সেটা আসল রেজাল্ট না।
ড. কাজী নিশাদ আরা বেগম আরও বলেন, কোন হাসপাতালের রি-এজেন্ট যদি  মেয়াদোত্তীর্ণ হয়, আর সেটা যদি হাসপাতালটি ব্যবহার করে থাকে। সেটা নিছক অবেহেলা ছাড়া আমি কিছু দেখছি না।
এমন অভিযোগে অভিযুক্ত হাসপাতাল গুলোর এই অবহেলা সম্পর্কে  জানতে চাইলে র‌্যাবের  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম হাসপাতাল কতৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলেন,  এটা ঐ সব হাসপাতালগুলোর গাফিলতি, দায়িত্বহীনতা থেকেই এমন করে থাকে তারা। যেটা তারা স্বীকারও করে। তাছাড়া আরেকটা বিষয় আমি লক্ষ্যে করেছি, অনেকে আবার ইচ্ছে করেই এমন করে, পরীক্ষা করতে এসেছে করে দিলাম।  আবার অজ্ঞাত কারণেও এমন হয়। এই জন্য আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকি। যাতে ইন্টারনালি তারা টেক কেয়ার নিতে পারে। নিজেদের ভুল গুলো বুঝতে পারে। সুস্থ চিকিৎসা সেবা দিতে পারে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ