ঢাকা, মঙ্গলবার 18 September 2018, ৩ আশ্বিন ১৪২৫, ৭ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

শ্রীলংকাকে ২৫০ রানের টার্গেট দিল আফগানিস্তান

রফিকুল ইসলাম মিঞা : শক্তিশালী শ্রীলংকাকে ভালোই চ্যালেঞ্জ দিয়েছে আফগানিস্তান। জয়ের জন্য লংকানদের করতে হবে ২৫০ রান। কাজটা কঠিন হতে পারে শ্রীলংকার জন্য। কারণ প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে বিশাল ব্যবধানে হেরে এমনিতেই মানসিকভাবে কঠিন চাপে আছে লংকানরা। আবার এই ম্যাচে হারলে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিতে হবে দলটিকে। অবশ্য ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ দুই দলের জন্যই। তবে শ্রীলংকার জন্য জীবন-মরণ লড়াই। হারলেই এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে যাবে দলটি। আর সুপার ফোরে খেলতে হলে এই ম্যাচে জয় দরকার আফগানদের। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে আফগাস্তিান অলআউট হয় ২৪৯ রানে। রানটা আরো বড় হতে পারতো যদি শুরুর মতো আফগানিস্তান শেষটা করতে পারতো। কিন্তু সেটা পারেনি বলেই দলটি শেষ পর্যন্ত আটকে যায় ২৪৯ রানে।
অবশ্য আবুধাবির শেখ জায়েদ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে আফগানিস্তান। দুই ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদ আর ইহসানউল্লাহ মিলে ওপেনিং জুটিতেই দলকে নিয়ে যান ফিফটি রানে। এই জুটি ভাংগার আগে আফগানিস্তান পৌঁছে যায় ৫৭ রানে। ওপেনার শেহজাদের বিদায়ে ভাংগে ওপেনিং জুটি। আকিলা ধনঞ্জয়ার বলে আউট হওয়ার আগে শাহজাদ করেন ৩৪ রান। দলীয় ৫৭ রানে প্রথম উইকেট হারালেও দ্বিতীয় উইকেট হারানোর আগে আফগানিস্তান পৌঁছে যায় ১০৭ রানে। এবার বিদায় নেন অপর ওপেনার ইহসানউল্লাহ। বিদায়ের আগে তিনি করেন ৪৫ রান। দুই ওপেনারকেই এলবি আউটের ফাদে ফেলে বিদায় করেন আকিলা ধনঞ্জয়া। দুই উইকেটে আফগানিস্তান শতরান পার করলেও দলটি তৃতীয় উইকেট হারায় মাত্র তিন রান যোগ কওে দলীয় ১১০ রানে। অধিনায়ক আসগর আফগান ব্যাট করতে নেমেই জয়সুরিয়ার শিকার হন মাত্র এক রানে। আসগরকেও ফিরতে হয় এলবি আউট হয়ে। দলীয় ১১০ রানে প্রথম তিন উইকেট হারানো দলকে এগিয়ে নিতে চতুর্থ উইকেটে জুটি করেন রহমত শাহ আর হাসমতউল্লাহ শহিদি। এই জুটিই দলকে বড় স্কোরের দিকে নিয়ে যায়। এই জুটি ভাংগার আগেই দলটি পৌছে যায় ১৯০ রানে। রহমত শাহের বিদায়ে ভাংগে ৮০ রানের এই জুটি। চামিরার বলে পেরেরাকে ক্যাচ তুলে আউট হওয়ার আগে রহমত শাহ করেন ৭২ রান। ৯০ বলে ৫ চারে তিনি করেন ৭২ রান। দলীয় ২০৩ রানে হাসমতউল্লাহ শহিদির উইকেট হারায় আফগানিস্তান। পেরেরার বলে বোল্ড আউট হওয়ার আগে ৩৭ রান করেন হাসমতউল্লাহ। তবে দলকে শেষ পর্যন্ত দলকে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব পরে মোহাম্মদ নবী আর নজিবুল্লাহ জারদানির উপর। এই জুটি ২২২ রানে দলকে নিয়ে আর টিকতে পারলো না। কারণ  মোহাম্মদ নবীকে ১৫ রানে আউট করে প্রথম উইকেট নেন মালিঙ্গা। অবশ্য মালিঙ্গা প্রথম থেকে উইকেট নেয়ার জন্য চেষ্টা করলেও উইকেট পাননি তিনি। অবশেষে ইনিংসের শেষে এসে উইকেট পেলেন মালিঙ্গা। নবী আউট হওয়ার পর বেশি সময় টিকতে পারেননি নজিবুল্লাও। পেরেরোর বলে আউট হওয়ার আগে করেন মাত্র ১২ রান। ফলে ২২৭ রানে দলটি হারায় ৭ উইকেট। আর শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তান নির্ধারিত ৫০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে করে ২৪৯ রান। শ্রীলংকার পক্ষে পেরেরা ৫টি, আকিলা ধনঞ্জয়া ২টি, মালিঙ্গা ১টি. চামিরা ১টি ও জয়সুরিয়া ১টি  করে উইকেট নেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ