ঢাকা, বৃহস্পতিবার 13 December 2018, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৫ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন

ফাইল ছবি

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: 

জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া নিয়ে একটি রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জানিয়েছেন, আদালত অবকাশের পর সুপ্রিমকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হলে আবেদনটি শুনানি করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ।     

তিনি জানান, তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ৫ মে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর মনোনয়নপত্রে দাখিল করার বিধান কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিল।

সেই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা স্থগিত চেয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি সম্পূরক আবেদন দাখিল করা হয়।

অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া নিয়ে রিটটির বিষয়ে জারি করা রুলে ২০১৪ সালের ৯ জুনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়। কিন্তু এখনো তারা ওই রুলের জবাব দেননি এবং সেই রুলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তিও হয়নি।

তিনি বলেন, আমি একাধিকার রুল শুনানির জন্য আবেদন করলেও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী বার বার সময় আবেদনের কারণে রুল শুনানি হয়নি। বর্তমানে ওই রুলটি বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানির জন্য রয়েছে। কোর্ট খুললে রুলটি চূড়ান্ত শুনানির জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানাবো। এ কারণে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সম্পূরক আবেদন করা হয়েছে।

ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, অবকাশকালীন ছুটির পর এই সম্পূরক আবেদনটির ওপর শুনানি করবেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ।

জানা যায়, ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর মনোনয়নপত্রে দাখিল করার বিধানের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে বলা হয়, ১. স্বতন্ত্র প্রার্থী যে নির্বাচনী এলাকা হইতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক, কেবল সেই এলাকার ভোটারদের সমর্থন ফরম (ক)-তে উক্ত প্রার্থীর প্রার্থিতার অনুকূলে সংগ্রহ করতে হবে।

(২) স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তদকর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি কর্তৃক তফসিলের ফরম-ক-তে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার এক শতাংশ ভোটারের তথ্য লিপিবদ্ধপূর্বক ভোটারগণের স্বাক্ষর কিংবা টিপসহি সংগ্রহ করতে হবে।

‘আইনটি একটি বৈষম্যমূলক এবং সাংঘর্ষিক আইন এবং সংবিধানের ৭, ২০, ২৬, ২৭, ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে ২০১৪ সালে হাইকোর্টে নির্বাচন কমিশনের বিধানের বিরুদ্ধে রিট করেন আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।-ইউএনবি নিউজ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ