ঢাকা, মঙ্গলবার 25 September 2018, ১০ আশ্বিন ১৪২৫, ১৪ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

শান্তির শহর কোনিয়ার পথে প্রান্তরে

আশফা খানম (হেলেন) : আমরা সুফী সম্রাট আল্লামা রুমী (রঃ) মাজার জিয়ারত ও মিউজিয়াম পরিদর্শন শেষে শান্ত ফুলে ফুলে আবৃত কোনিয়া শহরে লাঞ্চের জন্য রেস্টুরেন্টের সন্ধানে ছুটে চলি। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা লাঞ্চের জন্য রেস্টুরেন্টে পোঁছি। সেখানেও ইলেকট্রিক ট্রামের ব্যবস্থা দেখেছি। রেস্টুরেন্টের কাছেই আলাউদ্দিন পার্ক এবং মসজিদ অবস্থিত। বিভিন্ন রকম সালাদ, অনেকটা কিমাপরোটার মতো পরোটা এবং লাবাং এর স্বাদের পানীয় দিয়ে লাঞ্চ সারলাম। এরপর সুলতান আলাউদ্দিনের পার্কে চললাম। বিশাল পার্কে নানারকমের রঙ এর বাহারের গোলাপ এবং অন্যান্য ফুলে ভরা পার্ক। মাঝে মাঝে সুন্দর বসার চেয়ার এবং ফোয়ারা রয়েছে। ছায়ায় আবৃত, নিরিবিলি ছবির মতো সাজানো পার্ক। পার্কের কাছে রয়েছে আলাউদ্দিন মসজিদ। এটি শহরের উঁচু স্থানে নির্মিত বলে একে মনুমেন্ট হিসেবে ধরা হয়। এটিকে গড়ংয়ঁব ড়ভ ঞযব ঞযৎড়হব ও বলা হয়। কারণ সেলজুক সুলতানদের ‘ঞযৎড়হব’ বা মুকুট এখানে পরানো হতো। এছাড়াও এতে বিভিন্ন সময়ের সম্রাটদের সমাধিস্থলও রয়েছে। এটি ১২ ও ১৩ শতকের মাঝামাঝি নির্মিত হয় এবং সুলতান আলাউদ্দিন কায়কোবাদের নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়। অতঃপর আমাদেরকে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত দিনদার হোটেলে নামিয়ে দিয়ে গাইড ইনজি আমদের থেকে বিদায় নেয়। এ কয়েকদিনে আমরা পরস্পরের খুব ঘনিষ্ট হয়ে যাই। সে সবার সাথে আবেগ আপ্লুত হয়ে এ যাত্রায় বিদায় নেয়। কাল আমাদের জন্য ফ্রি দিন। আমরা নিজেদের ইচ্ছে মতো নিজেদের খরচে বেড়াবো। গাইডের সাথে আজকের মতো আমাদের শেষ যাত্রা। পরের দিন বিকেল ৫টায় গাড়ী আমাদেরকে এয়ারপোর্টে নিতে আসবে। অতএব ইনজি বলে যাওয়ার পর আমরা বাকি সময়টা কোনিয়ায় কিভাবে কাটাবো তা ভাবছিলাম। এর মধ্যে আমার স্বামী এডভোকেট জিয়া হাবীব আহ্‌সান ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশী ছাত্রদের কাছ থেকে কোনিয়া নাজিমুদ্দিন আরবাকান ইউনির্ভাসিটিতে ইসলামিক থিওলজী বিভাগে অধ্যয়নরত আরেক বাঙালী ছাত্র মুহিবুল্লা ইদ্রিস-এর সন্ধান নিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করেন। কিন্তু তিনি ব্যস্ত থাকায় পরদিন সকালে আমাদের সাথে দেখা করবার কথা জানায়। ইতিমধ্যে তিনিও আমাদের কোথায় কোথায় নিয়ে যাবেন প্ল্যান করে ফেলেন। আমরা খুব ক্লান্ত। তাই আজ সন্ধ্যা অবধি বিশ্রাম নিয়ে আমরা হোটেলের আসে-পাশে ঘোরাঘুরি করে ডিনারের জন্য একটি রেষ্টুরেন্টে ঢুকে পড়ি। অত:পর সুস্বাদু হালাল ডিনার সেরে পথিমধ্যে একটি সুপার স্টোরে ঢুকে কিছু শপিং করে হোটেলে ফিরি। পরদিন সকালে রাজকীয় ব্রেকফাস্ট সেরে আমরা বেড়ানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে যাই। আজ তুরস্কে আমাদের শেষ দিন। মহিবুল্লাহ্‌ যথাসময়ে হাজির। সে আমাদেরকে সিললেতে নিয়ে যাবেন। এটি এখানে একটি গ্রাম বলা যায়। সেখানে আয়া এলিনা চার্চ ও যাদুঘর এবং নিকটেই সুবিশাল পার্ক ও লেক রয়েছে। এর মনোরম শোভা দেখতে তিনি নিয়ে যাবেন। সর্বশেষ মিনি আতুর্ক ঘুরতে নিয়ে যাবে। প্রথমে দুটি গাড়ী ভাড়া করে আমরা সিললে গ্রামের দিকে চললাম। উল্লেখ্য ২৪ শে জুন ঐদিন ছিল  তাদের জাতীয় নির্বাচনের দিন। কিন্তু কোথাও কোন কিছু বন্ধ দেখিনি বা কোন উত্তেজনা বা ভিড়ও দেখিনি। সবাই যে যার মতো কাজে ব্যস্ত। জানতে পারি এখানে সবাই ‘ই’ (ইলেকট্রিক) ভোট দেয় এবং ভোট দিয়ে যে যার কাজে যোগদান করে। নির্বাচন প্রচারনার অংশ হিসেবে ইস্তাম্বুলে দু’ রাজনৈতিক দলের প্রধানদের ছবি নিয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা নবিয়ে শোভাযাত্রা ও গান বাজিয়ে হাসতে হাসতে শুধু প্যারেড করতে দেখেছি। কোথাও ঝগড়া ঝাটি, মারামারি বা মাইক বাজিয়ে শব্দ দূষণ করে প্রচারণা করতে দেখিনি। দেশের বাইরে না আসলে গণতন্ত্রিক পরিবেশে সুষ্টু নির্বাচন কাকে বলে তা সর্ম্পকে কল্পনাও করতে পারতাম না। এহেন সুষ্টু নির্বাচন দেখে সত্যি নিজের দেশের জন্য কষ্ট অনুভব করি। কোনিয়া সত্যি শান্ত শহর। শহরের মানুষ গুলো এবং তাদের পোশাক দেখলে বুঝা যায় তারা ধর্মপ্রাণ এবং শান্তিপ্রিয়। আমরা প্রায় ঘন্টাখানেকের মধ্যে সিললে গ্রামে চলে আসি। সিললে সুকামি কোনিয়া শহরের নিকটে একটি ছোট গ্রাম। ১৯২২ সাল পর্যন্ত এখানকার লোকেরা কাপাডোকিয়া গ্রীক ভাষায় কথা বলতো। আমরা সেলজুক সময়ের পাথুরে রাস্তা ধরে সেখানকার প্রসিদ্ধ আয়া এলিনা চার্চ পরিদর্শনে পাহাড়ের গা বেয়ে উপরে উঠি। এখানেও পাহাড়ের গায়ে অনেক গুহা দেখি। রোম সাম্রাজ্যের কালে শত্রুদের হাত থেকে বাঁচতে গুহার ভিতরে মানুষ বসবাস করতো। কাপাডোকিয়ার মতো এই সব পাথুরে গুহা এখানেও একই কারণে বিদ্যমান। পাহাড়ের উঁচু স্থানে প্রাচীন আকর্ষনীয় চার্চটি অবস্থিত। এটি ইতিহাস প্রসিদ্ধ। শত শত বছর পূর্বে রোম সাম্রাজ্যকালে বাইজেন্টাইনের রাজা কনস্টেনটাইন এর মা হেলেনা তাদের পবিত্র স্থান জেরুজালেমে যান। এই লম্বা সফরের পথিমধ্যে তিনি কোনিয়া অবস্থান করেন। এখানে প্রাথমিক খ্রীষ্টানদের বিভিন্ন নিদর্শন, সুন্দর সুন্দর মন্দির, গীর্জা প্রভৃতি দেখে তিনি আয়া এলিনা চার্চ নিমার্ণ করতে বলেন। বিশেষ করে মিলান আর্কহেন কোলোস এর জন্য যিনি বাইবেল অনুসারে খ্রীষ্টানদের চার্চ বিরোধী ছিলেন। পরর্বতীতে নানা সংস্করণ এবং সংযোজনের মাধ্যমে বর্তমানের আয়া এলিনা চার্চ। বর্তমানে এটি মিউজিয়াম হিসেবে সংরক্ষিত এবং প্রচুর পর্যটক প্রাচীনতম এই নিদর্শন দেখতে আসে। চার্চের ভিতরে গ্রীক হরফে এর সম্পর্কে তথ্য, ইতিহাস লেখা আছে। চার্চটি মসৃন সিল্লে পাথর দিয়ে বানানো। এর দেয়ালগুলো ভার্জিন মেরী, জিসাস ক্রাইস্ট এবং তার অনুসারীদের ছবি সম্বলিত। চার্চের আশে পাশে পাথুরে পাহাড় ঘেরা। এখানে অনেক পাথুরে বাড়ী দেখতে পাওয়া যায়। আমার সেখান থেকে নিকটেই অবস্থিত পার্কে গাড়ী নিয়ে যাই। সেখানে প্রচুর স্থানীয়দেরকে পরিবার পরিজন নিয়ে পিকনিক করতে আসতে দেখি। বাচ্চারা মনোরম প্রাকৃতিক (পাহাড় আর সবুজে ঘেরা) পরিবেশে নির্মল বাতাস ছুটোছুটি করছিল। বিদেশের এই পার্কগুলো দেখলে আমাদের দেশের শহরের বাচ্চাদের জন্য কষ্ট হয় এবং ঈর্ষা হয়। কারণ আমাদের বাচ্চারা নির্মল বাতাসে বেড়ে উঠার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। সেখানে পরিস্কার লেকে পানিতে মাছদের খেলা দেখি। অতঃপর নির্মল প্রকৃতির দৃশ্য উপভোগ করে আমরা মিনিয়াতুর্ক দেখার জন্য গাড়ীতে উঠলাম। প্রায় আধাঘন্টার মধ্যে কোনিয়ার মিনিয়াতুর্কে পৌঁছি। সেখানে টিকেট কেটে আমরা প্রবেশ করে বিস্ময় ভরে দেখি। কারণ তুর্কীর প্রায় সব ঐতিহাসিক নিদর্শন সম্বলিত স্থাপনা এবং ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্বের বেশ কিছু ঐতিহাসিক নিদর্শনযুক্ত স্থাপনা আমরা সেখানে দেখতে পাই। এই গল্পের রাজ্যে প্রায় দু’ঘন্টা পথ হেঁটে ইস্তাম্বুল ও আনাতোলিয়ার ঐতিহাসিক নিদর্শন গুলো যেমন: হাজিয়া সোফিয়া, দোলমাবাগচী প্যালেস, তোপকাপি প্যালেস, ইজমির টাওয়ার, রুমেলী র্ফোটেস প্রভৃতির জমি অত্যন্ত নিখুতঁ ও সূক্ষভাবে বানানো হয়েছে। এছাড়া এখানে কাপডোকিয়ার ফেইরী চিমনী, মাওলানা রুমীর মাজার, সেখানকার নাম করা মাদ্রাসা, আতাতুর্কের মাজার এরূপ অগণিত স্থাপনা এবং সুলতান ও বিশেষ ব্যক্তিদের মূর্তি স্থান পেয়েছে। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ভারতের তাজমহলও এতে অবস্থিত। বসফরাস ব্রীজ ও কৃত্রিম বসফরাস সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া স্থাপনাগুলোর মাঝে মাঝে অপূর্ব গোলাপের এবং অন্যান্য রংবেরং এর ফুলের বাগান গোটা মিনিয়াতুর্ককে আরো সৌন্দর্য্যমন্ডিত করেছে। শিশুদের আকৃষ্ট করার জন্য নড়াচড়া ও শব্দ করতে পারে এমন ডাইনোসার রয়েছে। পার্কের ভিতরে রেস্টুরেন্টেরও ব্যবস্থা আছে। আমরা সবাই সেখানে গরমে মজায় আইসক্রীম উপভোগ করি। স্থাপনাগুলো ঘুরে ঘুরে দেখি ও ছবি তুলে আমরা লাঞ্চের জন্য ফিরে চললাম। সবাই দেশীয় মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার জন্য আগ্রহ দেখালে আমাদেরকে সিরিয়ানদের রেস্টুরেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। কারণ এখানে বাঙ্গালী বা ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট নাই এবং সিরিয়ানদের খাবার এর স্বাদ আমাদের দেশীয় মসলাযুক্ত খাবারের মতো। কিন্তু সেখানকার পরিবেশ আমাদের মনঃপুত না হওয়ায় আমরা অন্য একটি তুর্কী রেস্টুরেন্টে যাই। জানতে পারি এখানে অভিবাসী বা রিফুজি সিরিয়ানরা একটি আলাদা এলাকাজুড়ে বাস করে। তাদের সাথে স্থানীয়রা মিশে না। কারণ দীর্ঘদিন নিষ্পেষিত হওয়ার কারনে তারা কিছুটা ঝগড়াটে স্বভাবের হয়ে গেছে। আমরা লাঞ্চ সেরে আমাদের কোনিয়ার রিজেনেবল প্রাইসে পাওয়া যায় এমন মার্কেটে নিয়ে যাওয়া হয়। মার্কেটটি আমাদের হোটেলের কাছাকাছি স্থানে অবস্থিত ছিল। ইস্তাম্বুল বা কাপাডোকিয়ার চেয়ে এখানে তুলনামুলকভাবে জিনিসপত্রের মূল্য অনেক সস্তা বলে মনে হলো। তাই আমরা খুশিমনে সেখানে থেকে শপিং করে দ্রুত ব্যাগ গুছাবার জন্য হোটেলের দিকে রওয়ানা হলাম। বাংলাদেশী ছাত্র বিনয়ী মুহিবুল্লাহ্‌ আমাদের থেকে বিদায় নিলো না। দেশী মানুষদেরকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য সেও অপেক্ষা করতে লাগলো। গাড়ী যথারীতি ৫ টায় হাজির। আমরা কোনিয়া এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম এবং ড্রাইভার থেকে বিদায় নিয়ে প্লেনের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। ইতিমধ্যে নির্বাচনের ফলাফল প্রচার শুরু হয়। ফলাফলে এরদোয়ানকে জয়ী হিসেবে দেখা যায়। আমরা তুরস্কের চ্যালেঞ্জমেকার এরদোগানের বিজয়ে সংবাদ শুনে প্লেনে চড়ি। সেখান থেকে ইস্তাম্বুলের কামাল আতাতুর্ক এয়ারপোর্টে পৌঁছি। সেখানে হট এয়ার বেলুন ট্যুরের ব্যক্তি টাকা ফেরত দিতে আমাদের জন্য অপেক্ষা করেছিল। আমাদেরকে ইস্তাম্বুলের আরেক এয়ারপোর্ট সাবিহা এয়ারপোর্টে গাড়ী নিতে আসে। প্রায় ৩০-৪০ মিনিটের পথ আমরা লাগেজ সংগ্রহ করে দ্রুত গাড়ীতে উঠি। তখন প্রায় রাত ৯টা। আলো ঝলমলে ইস্তাম্বুলকে আরেকবার চোখ ভরে দেখি। ফিরবার সময় যত কাছে আসছিল আরো দ্রুত ফিরতে ইচ্ছে করছিল। একে বোধ হয় বলে নাড়ীর টান। আমরা সবাই সাবিহা এয়ারপোর্ট থেকে আনুসাঙ্গিক চেকআপ শেষে প্লেনে উঠি। এবার ইস্তাম্বুল টু সারজাহ। সারাজাহ পৌঁছে ফ্রেস হয়ে আবার ভিআইপি লাউঞ্জে অপেক্ষার পালা । প্রায় ৬ ঘন্টা সেখানে বিশ্রাম নিয়ে আমরা চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিই। যখন শাহ আমানত বিমানবন্দরে পৌঁছি তখন রাত প্রায় ৯টা। আমরা সফর সঙ্গীরা পরস্পর পরস্পরকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সুখকর মধুর স্মৃতি নিয়ে বিদায় নিই। একটি গুছানো দেশ নিজ দেশে ফিরে বিশৃংঙ্খল পরিবেশে এসে খুব কষ্ট হতে লাগলো। স্বাধীনতার এতোগুলো বছর (প্রায় ৪৬ বছর) পেরিয়ে গেল, আজো এই সুজলা-সুফলা সোনার দেশটাকে আমরা সাজাতে পারলাম না । দূষণমুক্ত একটি সুশৃঙ্খল জাতি গঠন করতে পারলাম না। মাহাথির কিংবা এরদোগানের মতো দেশকে সাজানো এখন সময়ের দাবী । মাহাথির কিংবা এরদোয়ানের মাতো দেশকে সাজানো এখন কই না জরুরী । এই কথাগুলো ভাবতে ভাবতে আমার প্রিয় জন্মভূমি সোনার বাংলা দেশের জন্য কষ্ট অনুভব করছিলাম। আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি, আমি সত্যি তোমায় অনেক ভালোবাসি । সেই যাদুকরী ছোঁয়ায় কখন আমাদেরকে পরিবর্তন এনে দেবে সে আশায় রইলাম। মহান আল্লাহ এ দেশের পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, খাদ্য, বস্ত্রে, দূর্নীতি, অনাচার অবিচারে কষ্ট পাওয়া কষ্টসহ্যকারী মানুষগুলোর প্রতি সদয় হবেন আশা রাখি, ইন-শা-আল্লাহ। প্রতিদিন আমরা বুক বাঁধি এবং সুন্দর বৈষম্যবিহীন দেশপ্রেমিক ন্যায়পরায়ণ সমাজ ব্যবস্থার জন্য পরম করুণাময়ের কাছে আকুলভাবে প্রার্থনা করি। আল্লাহ আমাদেরকে সুপথে পরিচালিত করুন। আমিন।
লেখক : প্রিন্সিপ্যাল, চট্টগ্রাম ভিক্টোরী ন্যাশনাল স্কুল-সিভিএনএস এবং কলামিস্ট ও নারী উন্নয়নকর্মী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ