ঢাকা, রোববার 7 October 2018, ২২ আশ্বিন ১৪২৫, ২৬ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

বারো ভূঁইয়াদের শেষ স্মৃতিচিহ্ন ঐতিহাসিক ‘মুসা খান মসজিদ’

মুহাম্মাদ আখতারুজ্জামান : মুসা খানের মসজিদ বা মুসা খাঁর মসজিদ ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় মসজিদ। বিনত বিবির মসজিদের পাশাপাশি এটি প্রাক-মুঘল স্থাপত্যের একটি নিদর্শন। পরাক্রমশালী মুঘল সম্রাটদের বিপক্ষে বিক্রম দেখিয়ে বাংলার একটি অংশে স্বাধীনভাবে রাজত্ব করা বারো ভূঁইয়াদের শেষ স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে টিকে আছে ভূঁইয়াদের প্রধান ঈশা খাঁর পুত্র মুসা খানের নামে তৈরি মসজিদটি। বাহ্যিক চাকচিক্য হারালেও নান্দনিক নির্মাণ শৈলীতে তৈরি এ স্থাপনা এখনও সচল রয়েছে জামে মসজিদ হিসেবে। কার্জন হল চত্ত্বরে অবস্থিত এ মসজিদে নিয়মিত জুমাসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। পর্যাপ্ত যত্ন ও তত্ত্বাবধানের অভাবে প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের পূরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষিত মসজিদটি হারিয়েছে তার স্বাতন্ত্র্য। পূর্বদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগ, উত্তরে বিজ্ঞান অনুষদের ডিনের কার্যালয় ও অগ্রণী ব্যাংকের শাখা, দক্ষিণে শহীদুল্লাহ হল এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান অনুষদের ডিনের কার্যালয়ের মাঝখানে তিন গম্বুজবিশিষ্ট মুসা খান মসজিদটি অনেকটা লোকচক্ষুর অন্তরালেই ঢাকা পড়ে আছে। ইতিহাস জানা থাকলেই বুঝা যাবে মসজিদটি ইতিহাসের একটি অমূল্য নিদর্শন।
মসজিদটির গঠন: বারো ভূঁইয়াদের অন্যতম ঈশা খাঁর ছেলে মুসা খাঁ মসজিদটি আনুমানিক ১৬৭৯ সালে নির্মাণ করেন। তিন গম্বুজবিশিষ্ট বারো ভূঁইয়াদের এই অতীত গৌরবটির উত্তর-পূর্ব পাশে মুসা খাঁ ও পশ্চিম দিকে জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মাজার অবস্থিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের উত্তর-পশ্চিম কোণে ও কার্জন হলের পেছনে অবস্থিত ঐতিহাসিক মুসা খাঁর মসজিদ। মুসা খান মসজিদটি দেখতে রমনার তিন নেতার মাজারের পেছনে অবস্থিত খাজা শাহবাজের মসজিদের মতোই। মাটি থেকে বেশ খানিকটা উঁচুতে অবস্থিত মসজিদটি। মঞ্চের মতো অংশে রয়েছে ছোট ছোট প্রকোষ্ঠ। যা এখন বন্ধই পড়ে থাকে। নিচের অংশের ঘরগুলো বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। আর উপরের অংশটাই নামাজের জন্যে ব্যবহৃত হচ্ছে। মসজিদের দক্ষিণ পাশ দিয়ে বারো ধাপ সিঁড়ি পেরুনোর পর আসে মসজিদের দরজা। পূর্ব দিকে খোলা বারান্দা। পুরো মসজিদের দেয়াল বেশ চওড়া। মসজিদটির পূর্ব-পশ্চিমের দেয়াল ১ দশমিক ৮১ মিটার অর্থাৎ প্রায় ছয় ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণের দেয়াল ১ দশমিক ২ মিটার অর্থাৎ চার ফুট পুরু বা চওড়া। পূর্ব পাশের দেয়ালে তিনটি এবং উত্তর-দক্ষিণে দুটি খিলান দরজা। মসজিদের ভেতরের অংশের পশ্চিম দেয়ালের মধ্যে একটি প্রধান ও তার পাশে দুটি ছোট মেহরাব। পুরো মসজিদটির দেয়াল সজ্জিত মুঘলরীতির নকশায়। বাইরের দেয়ালের চার কোণে চারটি মিনারখচিত আট কোণ বুরুজ। তার পাশে ছোট ছোট মিনার। বুরুজ ও ছোট মিনার রয়েছে ১৬টি। ছাদে তিনটি গম্বুজ। মাঝেরটি বড়। ওপরের কার্নিশ নকশাখচিত। মসজিদের আচ্ছাদনে তিনটি কন্দাকৃতির গম্বুজ অষ্টকোণাকার ড্রামের উপর স্থাপন করা হয়েছে। মধ্যবর্তী গম্বুজটি অপেক্ষাকৃত প্রশস্ত। উপরের কোনায় চারটি ছোট অর্ধ গম্বুজাকৃতি স্কুইঞ্চ পশ্চিমমুখী দুটি প্রশস্ত খিলান এর ভার বহন করছে। গম্বুজের নিম্নাংশের ড্রামগুলোর চারদিকে সুদৃশ্য মার্লন নকশা রয়েছে। গম্বুজগুলোর শীর্ষে পদ্মপাঁপড়ীর ওপর ফলস ফিনিয়াল লক্ষ্য করা যায়। মসজিদের নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে আগুনে পোড়ানো ইট ও চুনসুড়কি। নির্মাণে স্বল্প পরিমাণে পাথরের ব্যবহারও আছে। এটি একটি দ্বিতল ইমারত, এর নীচের অংশ ভল্ট আকৃতির সারিবদ্ধ কক্ষ সমন্বয়ে গঠিত এবং উপরের অংশে রয়েছে মসজিদ। উঠার জন্য পশ্চিমদক্ষিণ কোণে একটি সিঁড়ি রয়েছে। মসজিদের পূর্বদিকে রয়েছে উন্মুক্ত প্লাটফর্ম, প্লাটফর্মের উত্তরদিকে একটি ছোট কক্ষ লক্ষ্য করা যায়, যা মুয়াজ্জিনের থাকার জন্য নির্মিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। এই মসজিদের ভিতটি উচ্চতায় ৩.০৫ মিটার, বাইরের দিকে উত্তর–দক্ষিণে দৈর্ঘ্য ১৭.৬৪ মিটার এবং পূর্বপশ্চিমে প্রস্থ ১৪.০২ মিটার। এই উঁচু ভিতের মধ্যে কয়েকসারি ভল্ট আকৃতির কক্ষ লক্ষ্য করা যায়। কক্ষগুলোতে প্রবেশের জন্য পশ্চিম দেয়ালে তিনটি প্রবেশপথ আছে। প্রত্যেকটি কক্ষের সাথে একটি করে বুকসেলফ আছে। এ থেকে অনুমান করা যায়, মসজিদটি নির্মাণের সময়ে ‘মাদরাসা মসজিদ‘ হিসাবেই নির্মিত হয়েছিল। মোগল ঢাকার অনেক মসজিদেই এ বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।
বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুসারে, প্রধান প্রবেশপথের ওপরে একটি শিলালিপি ছিল, কিন্তু তা এখন আর নেই। এ কারণে মসজিদটি নির্মাণ নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে দ্বিমত রয়েছে। কিছু কিছু ইতিহাসবিদদের মতে মসজিদটি শায়েস্তা খানের আমলে নির্মিত অথবা পরবর্তী সময়ে মুসা খানের পৌত্র মুনওয়ার খানের তৈরি এবং নির্মাতা তার পিতামহ মুসা খানের স্মরণে তার নাম অনুযায়ী এর নামকরণ করেন। মসজিদটিতে কোন শিলালিপি না পাওয়াতেই অবশ্য এতো মত-দ্বিমত। তবে মসজিদটি নির্মাণের কৌশল শায়েস্তা খাঁর সময়কালীন। এরই ভিত্তিতে অনেকে মসজিদটি মুসা খাঁর পুত্র অথবা পৌত্র দ্বারা নির্মিত বলে দাবি করেন। 
বর্তমান অবস্থা: মধ্যযুগীয় বাংলার অতীত ইতিহাসের গৌরব বহনকারী ও বারো ভুঁইয়াদের স্মৃতি বিজড়িত এই মসজিদ ও মাজারটি অত্যন্ত অবহেলিত অবস্থায় কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আশপাশে বহুতল ভবন গড়ে ওঠায় ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন ও জরাজীর্ণ এই মসজিদ এখন হঠাৎ করে চোখে পড়ে না। দীর্ঘদিন সংস্কারহীন থাকায় মলিন দেয়ালে শেওলা পড়ে কালচে হয়ে আছে। ফাটল দেখা দিয়েছে মসজিদটির বিভিন্ন জায়গায়। ঐতিহাসিক এ নিদর্শনটি পরিচালনার দায়িত্ব এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের। মসজিদে মোট চারজন কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ইমাম এবং খাদেম ছাড়া বাকী দুটি পদ খালিই রয়েছে। মসজিদটিতে নিয়মিত পাঁচওয়াক্ত নামাজ আদায় করা হয়। কার্জন হলের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছাড়াও আশেপাশের হলের শিক্ষার্থীরা এখানে নামাজ আদায় করতে আসেন। তবে জুমার দিনে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আসেন  নামাজ আদায় করতে। মসজিদটিতে মেয়েদের জন্যে আলাদা নামাজের ঘর আছে।  শহিদুল্লাহ হল সূত্রে জানা যায়, মসজিদটি শহিদুল্লাহ হলের কাছে হওয়ায় এটি এখান থেকেই পরিচালনা করা হয়। তবে ইমামসহ অন্যান্যদের বেতনভাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে দেয়া হয়। লোকবলও নিয়োগ করা হয় কেন্দ্রীয়ভাবেই। হলের দায়িত্বে থাকলেও মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অনুষদের বলে জানা গেছে।
যেভাবে যাবেন: পূর্বদিকে ভূতত্ত্ব বিভাগ, উত্তরে বিজ্ঞান অনুষদের ডিনের কার্যালয় ও অগ্রণী ব্যাংক, দক্ষিণে শহীদুল্লাহ হল এবং আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অনুষদের ডিনের কার্যালয়। মাঝখানে তিন গম্বুজবিশিষ্ট মুসা খান মসজিদ। মসজিদের পশ্চিম দেয়ালের পাশেই জ্ঞানতাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিমের কবর। তারপর সীমানা প্রাচীর-সংলগ্ন নামিজউদ্দিন রোড। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের দ্বিতল বাসের সারি। ফলে একেবারে কাছে না গেলে মসজিদটি চোখে পড়ে না। দক্ষিণ দিকে ডিনের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে একটি সরু রাস্তা ধরে আসতে হয় মসজিদে। আপনি যদি ঢাকা শহরে নতুন এসে থাকেন তাহলে এই মসজিদে যাওয়ার জন্য আপনাকে রিক্সা নিয়ে প্রথমে কার্জন হলে আসতে হবে। ওখান থেকে মসজিদ পর্যন্ত হেঁটেই যাওয়া যায়। পাঠক, সময় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন বাংলার পরাক্রমশালী বারো ভূঁইয়াদের স্মৃতিধন্য শত বছরের মুসা খাঁর মসজিদ।
বারো ভুঁইয়ার ইতিহাস: বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত ঘটে ১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয়ের মধ্য দিয়ে। খিলজি এবং তার পরবর্তী শাসকগণ প্রায় স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন করতে থাকেন। উত্তর বাংলার প্রশাসনিক কেন্দ্র লখনৌতি, দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলার সাতগাঁ এবং পূর্ব বাংলার সোনারগাঁওকে একত্রিত করে শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৩৫ সালে সমগ্র বাংলায় স্বাধীন রাজত্ব স্থাপন করেন, যা কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। শূর বংশের প্রতিষ্ঠাতা শের শাহের শাসনামলে (১৫৪০-৪৫ সাল) বাংলা দিল্লীর সাথে যুক্ত হয়, কিন্তু তার মৃত্যুর পর বাংলায় ফের স্বাধীন শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৫৭৬ সালের ১২ জুলাই রাজমহলের যুদ্ধে মোগল সম্রাট আকবরের সেনাপতি খান-ই-জাহানের নিকট বাংলার সর্বশেষ স্বাধীন আফগান সুলতান দাউদ খান কররানী পরাজিত হন। এ পরাজয়ের ফলে বাংলায় স্বাধীন সুলতানী আমলের পতন ঘটলেও তখন সমগ্র বাংলা মোগলদের অধীনে যায়নি। এ সময়ে আফগান ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে বাংলায় মোগলদের বিরুদ্ধে আরেকটি তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটে। যারা বাংলার ইতিহাসে বারো ভুঁইয়া নামে পরিচিত।
ভুঁইয়ারা ছিলেন অধিকাংশই স্থানীয় জমিদার, কিন্তু তারা কোনো রাজপরিবারের বংশধর ছিলেন না। এই ভুঁইয়াদের পরিচয়, নামকরণ এবং সংখ্যা নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। বারো ভুঁইয়া মানে বারোজন ভুঁইয়া। তবে কারা ছিলেন এই বারোজন ভুঁইয়া তা আজও সুনির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়নি। আবুল ফজল ‘আকবরনামা’ গ্রন্থে এবং মির্জা নাথান ‘বাহারিস্তান-ই-গায়েবী’ গ্রন্থে বারো ভুঁইয়াদের সংখ্যা বোঝাতে আরবি শব্দ ‘ইসনা আশারা’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন, যার অর্থ হচ্ছে বারো। বাংলার ভুঁইয়ারা কিছু সময়ের জন্য হলেও মোগল শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে অঞ্চলভিত্তিক স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তারা বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে অসংখ্য স্থাপত্যকর্ম নির্মাণ করেছিলেন, যার অধিকাংশই আজ ধ্বংসপ্রাপ্ত। ভুঁইয়াদের নির্মিত স্থাপত্যকর্মের মধ্যে দুর্গ ও মসজিদই প্রধান ছিলো। বারো ভুঁইয়াদের নির্মিত স্থাপত্যকর্মগুলোর মধ্যে যেসব স্থাপত্যকীর্তি আজও ধ্বংসক্রিয়া উপেক্ষা করে টিকে আছে তার মধ্যে মুসা খান মসজিদ ও মাজার উল্লেখযোগ্য।
মুসা খানের এই সমগ্র এলাকাটিকে তখন বলা হত “বাগ-ই-মুসা” বা মুসার বাগান। বর্তমান লালবাগ, সদরঘাট, পুরান ঢাকা, কার্জন হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও শাহবাগ তথা সমগ্র পুরান ঢাকা ও আশেপাশের অঞ্চল নিয়ে এই “বাগ-ই-মুসা” গঠিত হয়েছিল বলে জানা যায়। তখনকার সময়ে এই সমগ্র এলাকাটি মুসা খানের ব্যক্তিগত জমি হিসেবেই বিবেচিত হত। এরপর ১৯০৪ সালে পূর্ব বাংলা সরকারে সরকারি ভবন স্থাপনের সময় মুসা খানের তৈরীকৃত স্থাপনাগুলো ভেঙ্গে ফেলা হয়। শুধুমাত্র মুসা খান মসজিদ ও তার মাজারটি অবশিষ্ট থাকে।
মুসা খান ছিলেন ভাটি অঞ্চলের অধিপতি মসনদ-ই-আলা ঈসা খানের পুত্র। ঈসা খানের (১৫৯৯ খ্রি:) মৃত্যুর পরে তিনি পিতার স্থলাভিষিক্ত হন এবং এক বিশাল রাজ্যের অধিপতি হন। তার রাজ্য বৃহত্তর ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার অর্ধেক, প্রায় সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা, বৃহত্তম রংপুর, বগুড়া এবং পাবনা জেলার কিছু অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তার রাজধানী ছিল সোনারগাঁয়। সুবাহদার ইসলাম খানের নিকটে ১৬১১ খ্রিস্টাব্দে তিনি পরাজিত হন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ