ঢাকা, সোমবার 15 October 2018, ৩০ আশ্বিন ১৪২৫, ৪ সফর ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

কেএসআরএমের গভীর নলকূপ ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইস্পাত নির্মাণকারী শিল্পগ্রুপ কেএসআরএম। এরই অংশ হিসেবে কেএসআরএমের পক্ষ  থেকে নিরাপদ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে  চমেকে। দুটি গভীর নলকূপ ও একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চমেক হাসপাতাল এলাকায় এসব কাজে কেএসআরএমের ব্যয় হবে প্রায় ১৫ লাখ টাকা। কেএসআরএম লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান রাহাত এ প্রসঙ্গে বলেন, এসব আমাদের নিয়মিত কাজেরই অংশ। আর্তমানবতার সেবার উদ্দেশে আমরা সবসময় দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। অতীতের মতো আগামীতেও তাদের পাশে থাকার প্রত্যাশা রয়েছে। এসব কাজ আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ ছাড়া কিছুই নয়। চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুপেয় পানির সংকট দীর্ঘদিন থেকে। সরকারি উদ্যোগে যে ব্যবস্থা রয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। কারণ দিনদিন হাসপাতালের পরিধি ও সেবার বিস্তৃতি ঘটলেও আনুপাতিক হারে বাড়ছে না আনুসঙ্গিক সুযোগ সুবিধা। এ নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিভিন্ন সময় লেখালেখি করা হয়। কিন্তু তা নানা কারণে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে থাকে দীর্ঘদিন। ফলে তা আর যথাসময়ে পাওয়া যায় না। তাই সেবাগ্রহণকারীদের ত্রাহি অবস্থার সৃষ্টি হয়, ভোগান্তি চরমে উঠে। এ অবস্থায় অনেক দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এসব জনহিতকর কাজে এগিয়ে আসে। কেএসআরএম লিল্প গ্রুপ বিভিন্ন দুঃসময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। অতীতের মতো এবারও রোগীদের মধ্যে সুপেয় ও নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য এগিয়ে এসেছে কেএসআরএম। এরইমধ্যে কেএসআরএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দুটি গভীর নলকূপ ও একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অপরটি স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। এরপর ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। এসব কাজ সম্পন্ন করতে কেএসআরএমের ব্যয় হবে প্রায় ১৫ লাখ টাকা। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহসেন উদ্দিন আহমেদ বলেন, রোগীদের মধ্যে পানির সংকট দূর করার জন্য কেএসআরএম যে উদ্যোগ নিয়েছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ