ঢাকা, সোমবার 15 October 2018, ৩০ আশ্বিন ১৪২৫, ৪ সফর ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

কান্ড জ্ঞানহীন পরিবেশ দূষণের মধ্যদিয়ে মানুষ সুন্দর এ পৃথিবীতে ডেকে এনেছে এক মহাবিপর্যয়

বাংলাদেশ পরিবেশ উন্নয়ন সোসাইটি (বাপউস) এর আয়োজনে সম্প্রতি চট্টগ্রাম নগরীর এশিয়ান এস.আর. হোটেল লিঃ এর অডিটরিয়ামে “পরিবেশ দূষণ রোধে চাই সামাজিক সচেতনতা” শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের চেয়ারম্যান এ কে এম আবু ইউসুফের সভাপতিত্বে এই আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান পরিবেশবিদ ড. মনোরমা পোল্যে। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিবেশবিদ অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক সোহেল মুহাম্মদ ফখরুদ-দীনের সঞ্চালনায় এই সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, ভারত থেকে আগত বিশিষ্ট পরিবেশবিদ ও প্রাক্তন ভারতীয় পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা মি. জয়ন্ত রসিক, বিশিষ্ট সাহিত্যিক শেখ আবদুল মান্নান, বিশিষ্ট কবি শান্তি দেব ভট্টাচার্য্য, বিশিষ্ট কবি মানিক দে, বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ ড. আশিস কুমার নন্দী, বিশিষ্ট কবি অমর কুমার দাশ, আবৃত্তি শিল্পী রিক্তা মন্ডল, অস্ট্রিয়া প্রবাসী বিশিষ্ট আইনবিদ ড. খান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন চিশতী, ইঞ্জিনিয়ার মো. হোসেন মুরাদ, কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী, মোঃ ওবাইদুল হক মনি, সাংবাদিক শুভাশিষ আচার্য টিটো, এস.এম. সিরাজ-উদ-দৌলা, কবি মেহেরুন নেসা রশিদ, ভাস্কর ডি কে দাশ মামুন, ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন, অনুতোষ দত্ত বাবু, সাংবাদিক সমীরণ পাল প্রমূখ। সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ভারতীয় নাগরিক, আমেরিকান প্রবাসী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান পরিবেশবিদ ড. মনোরমা পোল্ল্যে বলেন, মানুষ বাসযোগ্য পবিত্র পৃথিবীটাকে বাঁচিয়ে রাখা আমাদের অতি পবিত্র দায়িত্ব। এই দায়িত্ববোধকে কাজে লাগিয়ে পৃথিবীকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আগামী প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যৎ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নির্মাণে এই প্রজন্মের সকলকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে সচেতনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বিচারে প্রকৃতি ধ্বংস এবং কান্ড জ্ঞানহীন পরিবেশ দূষণের মধ্য দিয়ে মানুষ তাদের সুন্দর এ পৃথিবীতে ডেকে এনেছে এক মহাবিপর্যয়। এই বিপর্যয়কে সুন্দর পরিবেশবান্ধব পৃথিবী নির্মাণের মাধ্যমে আমাদেরকে মোকাবেলা করতে হবে। তিনি আরো বলেছেন, চট্টগ্রাম একটি প্রাচীন নগরী। ভারতীয় উপ-মহাদেশের ইতিহাসে এই চট্টগ্রামের নাম কালজয়ী। বাংলাদেশের নদ-নদীর মধ্যে কর্ণফুলী নদী ঐতিহ্যের ঠিকানা বহন করে। কর্ণফুলী নদীকে সমগ্র বিশ্ববাসী চেনে এবং জানেন। পরিব্রাজকদের লেখনীর ইতিহাসে কর্ণফুলী একটি বিখ্যাত নাম। কর্ণফুলীকে বাঁচিয়ে রাখলে চট্টগ্রাম বাঁচবে আর চট্টগ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।
আসুন আমরা নিজেদের অবস্থান থেকে সুন্দর পৃথিবীর দেশ ও পরিবেশকে রক্ষার জন্য পবিত্র শপথ গ্রহণ করি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ