ঢাকা, সোমবার 15 October 2018, ৩০ আশ্বিন ১৪২৫, ৪ সফর ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

এবার কেসিসির প্যানেল মেয়র নির্বাচনে এক ডজন প্রার্থী

খুলনা অফিস: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) নতুন পরিষদের প্যানেল মেয়র নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। এবারই প্রথম ইতিবাচক প্রক্রিয়ায় শুরু হয়েছে প্যানেল মেয়র নির্বাচনী প্রচারণা। প্যানেল মেয়র ১ ও ২ প্রার্থী এবার সাতজন। তারা হলেন ২৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজমল আহমেদ তপন, সদ্য বিদায়ী প্যানেল মেয়র-১ আনিছুর রহমান বিশ্বাষ ও প্যানেল মেয়র-২ শেখ হাফিজুর রহমান, ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, ২০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ গাউসুল আযম, ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম মুন্না, ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এসএম খুরশিদ আহমেদ টোনা।
প্যানেল মেয়র-৩ হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় আসছে তারা হলেন-সংরক্ষিত-৬ নং আসনের কাউন্সিলর শেখ আমেনা হালিম বেবী, সংরক্ষিত-৫নং আসনের কাউন্সিলর এডভোকেট মেমোরি রহমান শুনু, সংরক্ষিত ১ নং আসনের কাউন্সিলর মনিরা খাতুন। বিশেষ পরিবারের আস্থা অর্জনে ও নবনির্বাচিত মেয়রের স্নেহধন্য হবার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে প্যানেল মেয়র প্রত্যাশি কাউন্সিলররা। তবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন তপন, আনিছ, স্বপন, টিপু, মুন্না, ডন, বেবী ও শুনু।
গত টার্মে প্যানেল মেয়রের জন্য শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৫ জন কাউন্সিলর। কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, আনিছুর রহমান বিশ্বাষ, গাউসুল আযম, মাহবুব কায়সার ও মো. গিয়াস উদ্দীন বনি। তালুকদার আব্দুল খালেকের বিগত পরিষদে প্যানেল মেয়র-১ ছিলেন আজমল আহমেদ তপন, প্যানেল মেয়র-২ ছিলেন মনিরুজ্জামান খোকন।
বিদায়ী পরিষদের প্যানেল মেয়র-১ আনিছুর রহমান বিশ্বাষ নিজে প্রার্থী দাবি করে বলেন এবার প্যানেল মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অনেকে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে এবার গোপন ব্যালটের মাধ্যমেই প্যানেল মেয়র নির্বাচন হবে। কারণ মেয়র বলে দিয়েছেন, সমঝোতা করে তিনজন যদি আসতে পারে তাহলে তিনি সাদরে তাদের গ্রহণ করবেন। তবে তিনি চাপিয়ে দিবেন না। আর তা না হলে তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে প্যানেল মেয়র নির্ধারণ করবেন। তিনি বলেন, এবার ইতিবাচক প্রক্রিয়ায় প্যানেল মেয়র নির্বাচন প্রচারণা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা সকল কাউন্সিলরদের নিয়ে মিলন মেলায় পরিণত করছে। এতে করে কাউন্সিলরদের সম্পর্কের উন্নতির পাশাপাশি ভুল বোঝাবুঝি অনেকাংশে হ্রাস পাবে। এমন কি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক অনেক ব্যস্ততার মাঝেও কাউন্সিলরদের প্রতিটি লিভ টুগেদার অনুষ্ঠানে সময় দিয়েছেন। এটা কাউন্সিলরদের জন্য বড় পাওয়া। এ জন্য তিনি মেয়রকে ধন্যবাদ জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ