ঢাকা, সোমবার 15 October 2018, ৩০ আশ্বিন ১৪২৫, ৪ সফর ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আমতলীতে স্কুলের শ্রেণীকক্ষে কোচিং ক্লাশ

আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা: বরগুনার আমতলী উপজেলা আড়পাঙ্গাশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্য রমরমা। স্কুলে  সন্ধ্যার পরে এখন আলাদাভাবে কোচিং ক্লাস নেওয়া হয়, কেন? এর উত্তরে প্রধান  শিক্ষিকা বলেন, ভালোভাবে পাঠদানের জন্য।
তাহলে ক্লাসে কি ভালোভাবে পাঠদান করা হয় না, নাকি এখানে অর্থের ব্যাপারটি মূল? এর কোনো উত্তর নাই।   তবে ক্লাসে ভালোভাবে পড়ানো হলে কোচিংয়ের প্রয়োজন হয় না এমন মন্তব্য সচেতন মহলের। 
স্কুলে পড়তে হলে কোচিং বাধ্যতামূলক। কোচিং ক্লাস না করলে বিদ্যালয়ের প্রতিটি ক্লাসে  শিক্ষকদের রোষানলে পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। কোচিং করলেই পাস।
এই মন্ত্র ছড়িয়ে  শিক্ষার্থীদের কোচিং ক্লাসে যেতে হয়।  একাধিক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্কুলে স্যারেরা, হ্যারাতো কয় কোচিং করতেই হইবে। আবার সরকার কয় (টিভিতে দেখে) কোচিং বন্ধ। আমরা কোনডা হুনমু। পোলাপান স্কুলে পড়লে হ্যাগো (শিক্ষক) কথা না হুনলে তো ক্লাসে মন্দ কয় কোচিংয়ে যেতে বাধ্য করা হয় বাধ্য হইয়া ধার কর্জ কইর‌্যাও পোলামাইয়া কোচিংয়ে পাঠাই।
আড়পাঙ্গাশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাফরুজা সুলতানা , সহকারী শিক্ষক  নিজাম উদ্দিন ও বহিরাগত আমিনুল ইসলাম  ৬ষ্ঠ শ্রেনী থেকে ১০ শ্রেণী পর্যন্ত  দেড় শতাধিক  ছাত্র-ছাত্রীকে স্কুলের শ্রেণী কক্ষেই সন্ধ্যা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত  কোচিং করান।
তবে এই বিষয় প্রধান শিক্ষিকা মাফরুজা সুলতানা বলেন, আমরা ছাত্র/ছাত্রীদের  ফ্রি পড়াই।
আড়পাঙ্গাশিয়া ইউপি আওয়ামীলীগ নেতা মতিউর রহমান বলেন, একাধিকবার প্রধান শিক্ষিকাকে কোচিং বন্দ করতে বলেছি সে কারো কথা শুনেনা।
ইউপি চেয়ারম্যান একেএম নুরুল হক তালুকদার  বলেন, কোচিং সরকার বন্দ করেছে। কেহ সরকারী আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হোক। 
আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকমল হোসেন খান  জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ