ঢাকা, বুধবার 24 October 2018, ৯ কার্তিক ১৪২৫, ১৩ সফর ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

এখন আর বিদেশী খাবার নয়

আখতার হামিদ খান : মাছে-ভাতে বাঙালি। মাছ-ভাত ছাড়া আমাদের এক বেলাও চলে না এমন কথা হলফ করে বলার দিন বোধহয় এখন আর নেই। নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের মাঝে খাদ্যাভ্যাসের বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। শুধু শহুরে তরুণ-তরুণীরাই নয়, শিশু ও বৃদ্ধরাও খাবারের মেন্যুতে আজকাল ফাস্টফুডকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। একটা সময় ফাস্টফুডের চাহিদা উচ্চবিত্তদের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা মধ্যবিত্ত-নি¤œবিত্ত সবার মাঝেই ছড়িয়ে পড়েছে। নামী-দামি ফাস্টফুডের দোকানের পাশপাশি আজকাল ঠেলাগাড়িতেও বিভিন্ন আইটেমের ফাস্টফুড বিক্রি হচ্ছে। ব্যাপক চাহিদা দেখে বলা যায়, ফাস্টফুড এখন আর বিদেশী খাবার নয়, মাছ-ভাত, ডাল, খিচুড়ি ইত্যাদি দেশী খাবারের তালিকায় যেন নিজের নামটিও লিখিয়ে নিয়েছে।
বাংলাদেশ-জার্মান খাবারের দোকান সাজলি। ঢাকায় সোবাহানবাগ ছাড়াও উত্তরা ও গুলশান-২ এ দুটো শাখা আছে তাদের। এখানে কোন বাংলাদেশী খাবার নেই। তবে এ দেশের সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কাঁচামাল দিয়ে তৈরি করা হয় বিভিন্ন জার্মান খাবার। জার্মানিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, দক্ষ কর্মীরাই তৈরি করেন এসব খাবার। বিশ্ব রোডের কুড়িলে রয়েছে তাদের নিজস্ব কারখানা। গরু, খাসি, মুরগি, চিংড়ি দিয়ে তৈরি করা বিভিন্ন খাবারের পাশাপাশি এখানে পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের কেক, পেস্ট্রি ও পানীয়। এখানে ১০০ গ্রাম বিফমিট লোবস ৬০ টাকা, হান্টারবিফ ৬৫ টাকা, রোস্ট বিফ ৬৫ টাকা, সসেজেস সালাদ ৫০ টাকা, বিফ ব্রেকফাস্ট সসেজেস ৬০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এখানে ১০০ গ্রাম চিকেন মিট লোবস এর দাম পড়বে ৮০ টাকা, চিকেন সসেজেস ৮০ টাকা, সফট বোনলেস চিকেন সাসলিক ৭৩ টাকা, গ্রিলড চিকেন ৯৯ টাকা (১ টাকার ৪ ভাগের ১ ভাগ), আস্ত গ্রিলড চিকেন ২৯৯ টাকা, কেনটাকি ফ্রায়েড চিকেন ১১৫ টাকা, চিকেন নিউগার্টস (মশলা) ১৩৫ টাকা, রোস্টেড চিকেন (বাস্কেট) ১৩৮ টাকা চিকেন ড্রাম স্টিক (বাস্কেট) ৮৩ টাকায় বিক্রি করা হয়।
সাজলিতে পাওয়া যায় বিভিন্ন রকমের স্যান্ডউইচ। এখানে রোস্ট বিফ স্যান্ডউইচের দাম পড়বে ৯০ টাকা, ক্লাব স্যান্ডউইচ ৪৫ টাকা, চিকেন বাটার স্যান্ডউইচ ৪০ টাকা, টুনা ফিস স্যান্ডউইচ ৪০ টাকা, ভেজিটেবল স্যান্ডউইচ ১৫ টাকা, চিজ এন্ড পটেটো স্যান্ডউইচ (জোড়া) ৭০ টাকা, আলটিমেট ক্লাব স্যান্ডউইচ (বাস্কেট) ১৬৮ টাকা। এ দোকানে বিফ বার্গার ৮৮ টাকা, বিফ চিজ বার্গার ১০৩ টাকা, চিকেন ফ্রায়েড বার্গার উইথ চিজ ১১৩ টাকা, জায়ান্ট হটডগ ৯০ টাকা, চিকেন হটডগ ৭০ টাকা, প্রন এন্ড ভেজিটেবল রোল ৪০ টাকা, চিফ কাটলেট ৯৯ টাকায় বিক্রি করা হয়।
সাজলিতে ফিস ফিঙ্গার ও ফিস ফ্রাই ছাড়াও পাওয়া যায় মাছের তৈরি কয়েকটি খাবার। এগুলোর দাম পড়বে ৮০-৯৫ টাকা। পনির, বাদাম, রসুন ছাড়াও বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয় নানারকম ব্রেড। এখানে বড় সাইজের স্যান্ডউইচ ব্রেড ৫৫ টাকায়, ছোট সাইজের স্যান্ডউইচ ব্রেড ৩০ টাকায় বিক্রি করা হয়। চিজ ব্রেড ৪৫ টাকা, নাট ব্রেড ৬০ টাকা, গার্লিক ব্রেড ৪৫ টাকা, রেইজন ব্রেড ৪৫ টাকা, ব্রেঞ্চ ব্রেড ৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়।
সাজলির অন্যান্য খাবারের মত কেকেও রয়েছে কিছু বিশেষত্ব। ডিজাইন ও উপকরণ ভেদে এসব কেকের দামে পার্থক্য দেখা যায়। প্রতি কেজি জন্মদিনের কেক ৫৯৯ টাকা, নর্মাল গ্যাটিউ ৫৯৯ টাকা, ব্লাক ফরেস্ট কেক ৬৫০ টাকা, পাই কেক, (আপেল, লেমন, ব্লুবেরি) ৪৯৯ টাকা, মিক্সড ফ্রুট কেক ৪৯৫ টাকায় বিক্রি করা হয়। এখানে প্রতি ১০০ গ্রাম চিজ পাফ কুকিজের দাম পড়বে ৪৫ টাকা, সল্টেড পাফ কুকিজ ৫০ টাকা, হানি নাট কুকিজ ৫৮ টাকা, হর্স সুজ ২২ টাকা, ডেনিস পাফ ২৫ টাকায় বিক্রি করা হয়। এখানে ফ্রুট টার্টের মূল্য রাখা হয়েছে ২৫ টাকা, লেমন টার্ট ৪০ টাকা, চিজ টার্ট ৪০ টাকা। এখানে জার্মান রেসিপিতে তৈরি করা হয় বিভিন্ন ধরনের কাবাব। এর মধ্যে চিকেন শরমা ৭০ টাকা, ল্যাম্ব শরমা ৮৫ টাকা, চিকেন টিক্কা কাবাব ১০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।
 প্লেন কফি ৪৫ টাকা, কেফলেট ৫৫ টাকা, আইস লেমনটি ২৫ টাকা, আইসক্রিম মিল্ক শেইক ৫৫ টাকা, ডাবল ইমপ্রেসু ৭০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এ দোকানটিতে খাবারের দাম সাধারণ মানের দোকানের চেয়ে কিছুটা বেশি। এ প্রসঙ্গে দোকানের সেলস ম্যানেজার জানান, এ দোকানের মেশিনপত্র ও মশলা সবই দেশের বাইরে থেকে আনা। খাবারের গুণগতমান বজায় রাখার ব্যাপারে সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা চালানো হয়। বেশিরভাগ খাবারই অর্ধেক তৈরি করা থাকে। পরে ক্রেতাদের অর্ডার পেয়ে তা ভালভাবে তৈরি করে দেয়া হয়। এসব কারণে দাম কিছুটা বেশি পড়ে। তিনি আরও জানান, এ দোকানের ক্রেতাদের তালিকায় মধ্যবিত্তদের উপস্থিতি বেশ কম। মূলত ধনী শ্রেণীর ক্রেতারা এখানে ভিড় জমান। এ দোকানে ফাস্টফুড কিনছিলেন হলিচাইল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষিকা ফাতেমা আজিজ। তিনি বলেন, ঢাকায় নতুন ফাস্টফুডের দোকান দেখলেই ঢুকে পড়ি। তাছাড়া জানাশুনা দোকানগুলোতেও সপ্তাহে ৩/৪ দিন লাঞ্চ বা বিকেলের নাস্তার জন্য যাওয়া হয়। তবে বিভিন্ন ঘরোয়া অনুষ্ঠানে কেক ছাড়া সবই থাকে দেশী খাবার।
মিরপুর রোডের কলাবাগানে একটি বহুল পরিচিত ফাস্টফুডের দোকান কুপারস। বিজয় সরণী ও গুলশান-২ এ তাদের আরও দুটো শাখা আছে। বাংলাদেশে এটি মূলত ব্রিটিশ ফাস্টফুডের দোকান কুপারসের একটি শাখা। সেলস সার্ভিস ব্যবস্থার এ দোকানটিতে প্রতিদিন সমুচা, চিকেন পেটিস ও বার্গার বেশি চলে বলে জানালেন ম্যানেজার মুকুল। তবে অন্যান্য আইটেম কম বেশি চলে। কুপারস এ বার্গার, বেকম, স্যান্ডউইচ, ফ্রাইড আইটেম, পিজা, সাসলিক পাইস, ব্রেড, মিল বক্স, ডেজার্ট ইত্যাদি বিভিন্ন খাবার আছে। এখানে বিফ বার্গারের দাম ২৫ টাকা, বিফ চিজ বার্গার ৩৫ টাকা, চিকেন বার্গার ৩০ টাকা, চিকেন প্রেটিস ১৮ টাকা, বিফ রোল ১৬ টাকা, মার্টন প্রেটিস ১৮ টাকা, চিকেন মাশরুম ১৮ টাকা, চিকেন স্যান্ডউইচ ২২ টাকা, চিকেন ক্লাব স্যান্ডউইচ ২৫ টাকা, মাটন পিটা স্যান্ডউইচ ২৫ টাকা, টুন স্যান্ডউইচ ২২ টাকা। ভাজা বিভিন্ন খাবারের দাম তুলনামূলকভাবে বেশ সস্তা। এখানে ১ পিস ভেজিটেবল সমুচার দাম ৬ টাকা, বিফ সমুচা ৭ টাকা, চিকেন কাটলেট ২৮ টাকা, বিফ কাটলেট ১৬ টাকা, বিফ পটেটো চপ ১০ টাকা, ভেজিটেবল পটেটো চপ ১০ টাকা। এখানে দু’ধরনের পিজা পাওয়া যায়। চিকেন পিজার দাম পড়বে ৩০ টাকা, ফ্রেঞ্চ পিজা ২০ টাকা। চিকেন সাসলিক এর দাম ৪৫ টাকা, মাটন সাসলিক ৩০ টাকা। কুপারস এর তৈরি ব্রেডে স্বতন্ত্র স্বাদ থাকে। এখানে প্রতি পাউন্ড হোয়াইট ব্রেডের দাম ১৮ টাকা, ফ্রেঞ্চ ব্রেডের দাম ২০ টাকা।
এখানে লাঞ্চ, ডিনার ও বিভিন্ন পার্টির জন্য স্পেশাল মিল বক্স এর অর্ডার নেয়া হয়। চিকেন ফ্রাই, ফ্রাইস এন্ড কোলসল ৫৫ টাকা, ৬টি চিকেন নাটস, ফ্রাইস এন্ড কোলসল এর মিলবক্স ৮০ টাকা, চিকেন রোস্ট, ফ্রাইস, কোলসল এর মিল বক্স এর দাম ৬০ টাকা, স্পেনিস চিকেন পিয়াল্লা (রাইস) এর দাম ৪৫ টাকা। ২৪ ঘণ্টা আগে অর্ডার দিয়ে বিবাহবার্ষিকী, জন্মদিন বা অন্যান্য অনুষ্ঠানের জন্য মনকাড়া ও সুস্বাদু কেক কুপারস থেকে কিনতে পারেন। প্রতি পাউন্ড চকলেট কেক-এর দাম ১৭০ টাকা, ব্লাক ফরেস্ট কেক ২২৫ টাকা, ভেনিলা কেকের দাম ১৬০ টাকা। কুপারস থেকে ফাস্টফুড কিনছিলেন চিত্রশিল্পী আসমা কিবরিয়া। রাস্তায় যে কোন ফাস্টফুডের দোকান থেকেই খাবার কিনেন কি-না- প্রশ্ন করতেই বললেন, আমি সব সময় টাটকা ও স্বাস্থসম্মত খাবারকে প্রাধান্য দেই। তাই নামী দামি বিশেষ কিছু দোকান ছাড়া সাধারণত খাবার কিনি না।
কুপারস-এর সেলস ম্যানেজার মুকুল বলেন, সব শ্রেণীর ক্রেতারাই আমাদের এখানে আসে। আগের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা এখন অনেক বেড়ে গেছে। এ সংখ্যা দিন দিন আরও বেড়ে যাবে।
শুক্রাবাদ বাসস্ট্যান্ডের কাছে আছে ফাস্টফুডের দোকান মিল ইন দ্য বক্স। মধ্যপ্রাচ্যের জ্যাক ইন দ্য বক্স-এর নামের সঙ্গে মিল রেখে এ দোকানের নাম রাখা হয়েছে বলে জানালেন একজন সেলসম্যান। এ দোকানে খাবারের দাম মধ্যবিত্তদের হাতের নাগালে। ঢাকা শহর বা দেশের অন্যান্য স্থানে এর কোন শাখা নেই। সৌদিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন দক্ষ পাচক তৈরি করে এখানকার সব খাবার। বাসস্ট্যান্ডের কাছে থাকায় এ দোকানে সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মোটামুটি ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এখানে আছে কিছু স্পেশাল আইটেম। এর মধ্যে চিকেন ব্রোস্ট ডাবল এর দাম পড়বে ১৫০ টাকা, চিকেন ব্রোস্ট স্পাইসি ১০০ টাকা, চিকেন উইং ৭৫ টাকা, প্রন ফ্রাইস ১৩০ টাকা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও চিকেন বার্গারের দাম ৮০ টাকা, ফিস বার্গার ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ৫০ টাকা, এগ চিজ বার্গার ৪০ টাকা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও ক্লাব স্যান্ডউইচ এর দাম ৬০ টাকা, রোস্ট বিফ স্যান্ডউইচ ৪০ টাকায় বিক্রি করা হয়। একটি বিফ বার্গার, একটি চিকেন ব্রোস্ট সিঙ্গেল ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দেয়া মিল ইন দ্য বক্স স্পেশাল এর দাম পড়বে ১৪০ টাকা। ফাস্টফুড ছাড়াও এখানে ভ্যানিলা, স্ট্রবেরি ও চকোলেট আইসক্রিম পাওয়া যায়। এ দোকানের সেলস ম্যানেজার বলেন, ক্রেতাদের সন্তুষ্টির জন্য আমরা সবসময় টাটকা খাবার দিতে চেষ্টা করি। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সী লোকই এ দোকানের ক্রেতা। তবে গড়ে তরুণদের উপস্থিতি বেশি বলে জানালেন এ দোকানের সেলস ম্যানেজার।
ধানমন্ডি ১২ নম্বরের একটি সাধারণ মানের ফাস্টফুডের দোকান সেভেন এলিভেন। এখানে বিভিন্ন আইটেমের দাম তুলনামূলকভাবে সস্তা। এ কারণে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ভিড় এখানে লক্ষ্য করা যায়। এখানে প্রতি পিস বিফ বার্গারের দাম ২২ টাকা, বিফ চিজ বার্গার ৩২ টাকা, ইতালিয়ান স্পেশাল বার্গার ৩৫ টাকা, মাটন পেটিস ১৬ টাকা, মাটন কাবাব ৩০ টাকা, ভেনিলা পেস্ট্রি ১৫ টাকা, ফ্রেস জুস ৩০ টাকা।
সেভেন এলিভেন-এ খাবার খাচ্ছিলেন একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মাহবুবা আহমদ মাহিন। তিনি বললেন, অফিসের কাছাকাছি ও দাম আয়ত্তের মাঝে থাকায় আমি প্রায়ই এখানে লাঞ্চ সারতে আসি। খাবারের মান ও দামের পাশাপাশি দোকানটির পরিবেশও আমি সবসময় বিবেচনায় রাখি।
ঢাকায় বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় এখন ঠেলাগাড়িতেও বিক্রি করা হয় বিভিন্ন আইটেমের ফাস্টফুড। বিভিন্ন বড় দোকানের বাসি খাবার গুলোই এখানে ঠাঁই পায়। শহরের নিম্নবিত্তদের কাছে খাবারটি স্বাস্থ্যসম্মত কি-না এর চেয়ে বড় বিবেচনার বিষয় এর দাম আয়ত্তের মধ্যে। ঠেলাগাড়িতে বিক্রি করা বিভিন্ন ফাস্টফুড সস্তা হওয়ায় তারা সহজেই এর স্বাদ নিতে পারে। শহরের নামী দামি দোকানের ফাস্টফুডেরও মান অনেক সময় ঠিকভাবে বজায় রাখা হয় না। ফলে ফুড পয়জনিংসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ক্রমবর্ধমান চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখে শহরের অলি-গলিতে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ফাস্টফুডের দোকান। কিন্তু এসব খাবারের মান যথাযথভাবে বজায় থাকছে কি-না এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সচেতন হতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ