ঢাকা, শনিবার 27 October 2018, ১২ কার্তিক ১৪২৫, ১৬ সফর ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সম্পদ রক্ষার জন্য সরকার ক্ষমতা ছাড়তে চায় না -মওদুদ

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরামের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : বর্তমান সরকারকে ‘স্বৈরাচারী’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ বলেছেন, ‘স্বৈরাচারী সরকার ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। কারণ দুর্নীতির মাধ্যমে তারা যে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন সেগুলোকে রক্ষার জন্যই এমনটা করছে।’
গতকাল শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সংগঠনের সভাপতি আক্তারুজ্জামান বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জাতীয় ঐক্য ছাড়া এ সরকারকে সরানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে মওদুদ বলেন, ‘বিরোধী দলকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে। তারা (আওয়ামী লীগ) জানেন নির্বাচনে হেরে যাবেন। সে জন্যই সরকার পরিকল্পিতভাবে চেষ্টা করছে বিরোধী দল যাতে নির্বাচনে না আসে। তারা ভুল করছেন। এ ষড়যন্ত্র সফল হবে না।’
কারো নাম উল্লেখ না করে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নিউইয়র্কে বাড়ির তথ্য দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, ‘আমি কারও নাম উল্লেখ করতে চাই না। যারা আজ বড় বড় কথা বলেন নিউ ইয়র্কে তাদের বড় বড় বাড়ি আছে। আমার কাছে তার ছবি আছে। মওদুদ বলেন, ‘স্বৈরাচারী সরকার ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। কারণ দুর্নীতির মাধ্যমে তারা যে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন সেগুলোকে রক্ষার জন্যই তারা এমনটা করছে।’
বিরোধী দলকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে দাবি করে মওদুদ বলেন, ‘তারা (আওয়ামী লীগ) জানেন নির্বাচনে হেরে যাবেন। সে জন্যই সরকার পরিকল্পিতভাবে চেষ্টা করছেন বিরোধী দল যাতে নির্বাচনে না আসে। তারা ভুল করছেন। এই ষড়যন্ত্র সফল হবে না।’ দাবি না মেনে যাতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা না যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে বলেও নেতাকর্মীদের সতর্ক করেন মওদুদ আহমদ।
তিনি বলেন, ‘আমার জীবনে শুনিনি কোনও ঘটনা ছাড়া মামলা হয়। আমরা দেখেছি আগে কোনও আসামীর জামিনের জন্য আবেদন করলেই সঙ্গে সঙ্গে আদেশ দেওয়া হতো। এখন জামিন আবেদন শোনার জন্য তারিখ দেয় এক মাস পারে। আদেশের জন্য আবার তারিখ দেওয়া হয় আরও একমাস পরে।’
মওদুদ বলেন, ‘আজ বিচার বিভাগ পৃথক হয়নি। নিম্ন আদালতগুলো সরকারের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। বিচারকদের পদোন্নতি বদলিসহ অন্যান্য বিষয়গুলো দেখে আইন মন্ত্রণালয়। এ কারণেই তো সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে পদত্যাগ করতে হয়েছে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ