ঢাকা, শুক্রবার 19 July 2019, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৫ জিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আরো তথ্য আছে, সঠিক সময়ে সব প্রকাশ করা হবে:এরদোগান

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: 

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, জামাল খাশোগি হত্যার বিষয়ে তুরস্কের হাতে আরো তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। সঠিক সময়ে এসব তথ্য প্রকাশ করা হবে।খবর আল জাজিরার।

রাজধানী আঙ্কারায় ক্ষমতাসীন দল একে পার্টির প্রাদেশিক সদস্যদের এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়ে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, খাশোগির মরদেহ কোথায় ফেলা হয়েছে, কে হত্যার নির্দেশ দিয়েছে তা সৌদি আরবকে প্রকাশ করতে হবে। একই সাথে এরদোগান জানান, আগামী রোববার সৌদি আরবের প্রধান কৌশুলি ইস্তাম্বুল যাবেন এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তুর্কি প্রধান কৌশুলির সাথে বৈঠক করতে। হত্যাকাণ্ডের তদন্তের অংশ হিসেবে তাদের মধ্যে বৈঠকটি হবে।

এদিকে খাশোগিকে হত্যার রেকর্ডিং শোনার পর এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্রিফ করেছেন সিআইএ প্রধান। বর্তমান অবস্থায় জার্মানি সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি করবে না বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, খাশোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজ পরিবারকে বিশ্বাস করা উচিত। 

এদিকে বৃহস্পতিবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ। ফোনালাপে খাশোগি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে তাদের কথা হয়। এরপর গতকাল ক্রেমলিন বলেছে, খাশোগি হত্যায় সৌদি রাজ পরিবার যে জড়িত নেই সেটা বিশ্বাস করে রাশিয়া। বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমানে পশ্চিমাদের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের যে অবনতি হয়েছে তার সুযোগ নিতে পারে রাশিয়া।

তবে বাদশাহের সঙ্গে ফোনালাপে খাশোগিকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলার আঙ্গেলা মার্কেল। তিনি বলেন, অবশ্যই এ ঘটনার স্পস্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এ ঘটনায় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদির কাছে অস্ত্র বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানি। সৌদির কাছে অস্ত্র বিক্রি না করার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের যৌথ অবস্থানের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী পিটার আল্টমাইয়ের।

অন্যদিকে খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেছে ‘খাশোগি ফেন্ডস এসোসিয়েশন’। খাশোগির সমর্থকরা ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের কাইরে বিক্ষোভ করে। এছাড়া বিক্ষোভ হয়েছে লন্ডন, প্যারিস ও ওয়াশিংটন ডিসিতেও।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ