ঢাকা,মঙ্গলবার 13 November 2018, ২৯ কার্তিক ১৪২৫, ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

রাজশাহীতে হঠাৎ করে যানবাহন চলাচল বন্ধ

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

আজ শুক্রবার রাজশাহীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ।আর আজই সকাল ১০টার পর থেকে আকস্মিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় সব ধরনের যাত্রীবাহী যান চলাচল।রাজশাহী ও আশপাশের জেলায় পরিবহন বন্ধ থাকায় নেতাকর্মীদের আসতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

সরকারপন্থী পরিবহন শ্রমিকের লোকদের পাবনাসহ উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চল থেকে রাজশাহীর দিকে যাওয়া বাসগুলোকে নাটোরে আটকে দিতে দেখা যায়। তখন ওইসব বাসের যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়।খবর এনটিভির।

এদিকে বড় যানবাহনগুলোর পাশাপাশি আজই ছোট যানবাহনগুলোকে কড়াকড়িভাবে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিচ্ছে হাইওয়ে পুলিশ। থ্রি হুইলারসহ হালকা সব ধরনের যানবাহন রাস্তায় চলতে দেওয়া হচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে নাটোরের ঝলমলিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ট্রাফিক পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এটিএসআই) মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘মহাসড়কে থ্রি হুইলার, অবৈধ যানবাহন যেগুলো, সেগুলো ওঠা যাবে না। তারই ধারাবাহিকতায় সে জন্য আমরা যেগুলো হাইওয়েতে চলতেছে, সেগুলো ঘুরায় দিছি। তা ছাড়া যেগুলো বাস-ট্রাক, সেগুলোর চলাচল স্বাভাবিক আছে।’

তবে বাস-ট্রাকগুলোকে চলাচলে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে মোজাম্মেল বলেন, ‘এটা পরিবহন সেক্টরের কোনো সমস্যার কারণে হয়তো তাঁরা নিয়ন্ত্রণ করতেছে। কিন্তু আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো সংবাদ নাই। আমরা শুধু থ্রি হুইলার যেগুলো, সেগুলো চলাচল বন্ধ করতেছি।  মহাসড়কে থ্রি হুইলার চলবে না।’

এদিকে, বাস-ট্রাক চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করছেন পরিবহন নেতারা। তাঁদের সরেজমিনে দেখাতে চাইলেও তাঁরা বাসস্টপেজে গিয়ে দেখতে বলেন। এমনকি এক পরিবহন নেতার নাম জানতে চাওয়া হলে তিনি তাও বলতে রাজি হননি।

ওই পরিবহন নেতা বলেন, ‘বাস তো ঘোরানো হচ্ছে না। ওরা এমনিই যাচ্ছে না। দেখতেছেন না, চলতেছে না গাড়ি? সবই চলতেছে। সব যাচ্ছে গাড়ি। কোনো বাস এখানে ঘুরতেছে না। আমার সঙ্গে আপনার সঙ্গে যাওয়া লাগবে না। এগুলো সবই চলতেছে ভাই। না, কোনো গাড়ি আটকায় নাই। সব গাড়ি চলতেছে।’

নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরিচয় আর নামের দরকার নাই তো।  আপনারা জিজ্ঞাসা করছেন, গাড়ি চলতেছে কি না, সবই চলতেছে। ’

এদিকে, আটকে দেওয়া গাড়ি থেকে নেমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে যাত্রীদের।

দূর-দূরান্ত থেকে এসে বিপাকে পড়া এই যাত্রীদের মধ্যে এক পুরুষ বলেন,  ‘আমরা তো এখন রাজশাহী যাব। এখন গাড়ি বন্ধ যেতে দিচ্ছে না। এখন তো এটা আমাদের সাধারণ যাত্রীদের জন্যে ভোগান্তি। এতে সরকারের কোনো নজর নাই। সরকারের তো দেখভাল করা উচিত।’

আরেক নারী বলেন, ‘ছোট গাড়ি বন্ধ করে দিছে। বড় গাড়ি বন্ধ করে দিছে। বিআরটিসিতেও যাইতে পারছি না। তাইলে আমরা এই রাস্তার মধ্যে ছেলেপেলে নিয়ে যে ভোগান্তি। আমরা যাব কী করে?’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ