ঢাকা, সোমবার 12 November 2018, ২৮ কার্তিক ১৪২৫, ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আসসালাতু আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলুল্লাহ (সা.)

স্টাফ রিপোর্টার: আজ সোমবার। বিশ্ব মানবতার মুুক্তির দূত হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমনের মাস রবিউল আউয়ালের তৃতীয় দিন। এ মাস অনেক কারণে ফজিলতপূর্ণ। রবিউল আউয়াল মাসে মুহাম্মদ (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছেন এবং কাফিরদের অত্যাচারে ইসলাম প্রচারের জন্য মক্কা থেকে মদীনায় হিজরত করেন এ মাসেই। অবশেষে দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে পৃথিবীতে আল্লাহর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে তিনি এ দুনিয়া ছেড়ে আল্লাহর কাছে চলে যান। আমাদের জন্য রেখে যান আল্লাহর দেয়া পবিত্র কুরআন ও তার জীবনাদর্শ।
মুহাম্মদ (সা.)-এর পূর্বের নবী ও রাসূলগণ একটি জাতি বা নির্দিষ্ট কিছু জনপদের জন্য প্রেরিত হয়েছিলেন। কিন্তু হযরত মুহাম্মদ (সা.)কে সমগ্র মানব জাতির মুক্তির দূত হিসেবে এই পৃথিবীতে আল্লাহ তায়ালা প্রেরণ করেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, “আমি মুহাম্মদ (সা.)কে প্রেরণ করেছি সমগ্র জাতির জন্য রহমত স্বরূপ।” রাসূল (সা.) জীবনের শেষ প্রান্তে উপনীত হলে বিদায় হজ্বের ভাষণে তখন কুরআনের ঘোষণা আসে। আল্লাহ বলেন, ‘আজ আমি তোমাদের জন্য আমার দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা)কে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং আমার নিয়ামতকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিলাম। আর ইসলামকে তোমাদের জন্য একমাত্র জীবন ব্যবস্থা হিসেবে মনোনীত করলাম।’ সৃষ্টির সূচনা থেকে আল্লাহ মানুষকে এই পৃথিবীতে পাঠিয়ে এমনিতে ছেড়ে দেননি। তাদের চলার জন্য আল্লাহ জীবন বিধান দিয়েছেন। কিন্তু কিছু কাল যেতে না যেতেই মানুষ তা ভুলে যায়। সেই ভুলে যাওয়া মানুষদের সঠিক পথের সন্ধান দিতে আল্লাহ নবী বা রাসূলদের পাঠিয়েছেন। তাদের দেয়া গাইড লাইন অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করলে পৃথিবীতেও শান্তিতে থাকা যাবে এবং পরকালেও পাওয়া যাবে মুক্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ