ঢাকা, শুক্রবার 14 December 2018, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৬ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মুশফিকের ইতিহাস গড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড়ে বাংলাদেশ

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

মি. ডিপেনডেবলখ্যাত ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমের ইতিহাস গড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ৭ উইকেটে ৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। সেই সাথে মুশফিক করলেন ডাবল সেঞ্চুরিতে ইতিহাস গড়া রেকর্ড।

টাইগার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডাবল সেঞ্চুরির মালিক এখন মুশফিক। এর আগে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ২০১৩ সালের মার্চে গল টেস্টে শ্রীলংকার বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি করেন এ উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান।

তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে প্রথম ইনিংসে নিজের আগের (২০০) ব্যক্তিগত স্কোরকে ছাড়িয়ে গেছেন মুশি। এছাড়া টাইগারদের টেস্ট ইতিহাসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের (২১৯*) মালিকও এখন এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

বিশ্বের প্রথম উইকেটকিপার- ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে দুইবার দ্বিশতক করার কীর্তি গড়েছেন তিনি।টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি আছে কুমার সাঙ্গাকারা, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, মহেন্দ্র সিং ধোনিসহ ৮  উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানদের। তবে দুইবার করে নেই কারও।

আজ দ্বিতীয় দিনে লাঞ্চ বিরতির পর একপ্রান্ত আগলে থেকে যান মুশফিকুর রহিম। পরে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি। ফলে দুজনের মধ্যে দারুণ মেলবন্ধন গড়ে ওঠে যা শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকল। এতে দ্রুতগতিতে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ৫২২ রানের পাহাড় গড়ে ইনিংস ঘোষণা করল স্বাগতিকরা। মিরাজ ৬৮ ও ২১৯ রান নিয়ে মুশফিক অপরাজিত ছিলেন।

এদিন বাংলাদেশ ক্রিকেটেও অনন্য নজির গড়েছেন মুশফিক। দেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে দুইবার ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানোর রেকর্ড গড়েছেন তিনি। টাইগারদের হয়ে ক্রিকেটের আদি ফরম্যাটে দ্বিশতক আছে কেবল দুজনের-সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের।

এই রেকর্ড গড়তে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালকে। টেস্টে এর আগে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের স্কোর ছিল সাকিবের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গত বছর ২১৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন সাকিব। তারও আগে ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তামিম ইকবাল করেন ২০৬ রান।

আজ সোমবার (১২ নভেম্বর) ৫ উইকেটে ৩০৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মুশফিক আগেরদিন অপরাজিত ছিলেন ১১১ রানে। অন্যদিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ শুরু করেন ০ রান থেকে।

রিয়াদ ৩৬ রান করে ফিরে যান। তবে মুশফিক ছিলেন অনবদ্য। আরিফুল আগের ম্যাচে ভালো করলেও আজ ব্যর্থ হন (৪)। তবে মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে আরেকটি শতাধিক রানের পার্টনারশিপ উপহার দেন মুশফিক।

নিজের ডাবল সেঞ্চুরির পরও ড্রেসিংরুমে থেকে ইনিংস ঘোষণার কোনো আভাস মেলেনি। কেননা ইতিহাস গড়ার অপেক্ষা করছিলেন অধিনায়ক রিয়াদ।

যখনই মুশফিক সবাইকে ছাড়িয়ে নিজের ক্যারিয়ার সেরা ২১৯ রানের ইনিংস খেললেন তখনই হাত নেড়ে তাদের মাঠ ছেড়ে যেতে বলেন রিয়াদ।

মুশফিক ৪২১ বলে ১৮টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ২১৯ রান করেন। এছাড়া মিরাজ ছিলেন ৬৮ রানে অপরাজিত।

এদিকে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেট হারিয়ে ২৫ রান করেছে সফরকারীরা। মাসাকাদজা ১৪ রান করে তাইজুলের বলে সাজঘরে ফেরেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ