ঢাকা, শনিবার 17 November 2018, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আদালতের নথির ‘ভুলে’ অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ‘গোপন মামলা’

১৬ নবেম্বর, রয়টার্স : সাড়াজাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে করা মামলার তথ্য যুক্তরাষ্ট্র গোপন রেখেছে বলে মার্কিন আদালতের নতুন এক নথি দেখে ধারণা করা হচ্ছে। আদালতের ওই নথিতে বহিঃসমর্পণ ও গ্রেপ্তারের আগে ‘অ্যাসাঞ্জ’ নামের একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের তথ্য প্রকাশ্যে না আনতে বিচারকের কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল।

মার্কিন কৌঁসুলিরা বলছেন, নথিতে অভিযুক্তের বদলে ভুল করে অ্যাসাঞ্জের নাম ঢুকে গেছে। যে অভিযোগের বিষয়ে বিচারকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে তার সঙ্গে অ্যাসাঞ্জের কোনো যোগসাজশ নেই।

উইকিলিকস বলছে, সম্ভবত একই প্রক্রিয়ায় অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে করা মামলার তথ্যও গোপন রাখতে অনুরোধ করা হয়েছিল। একই ধরনের আবেদন হওয়ায় সেই মামলার অনুরোধ থেকেই কথাগুলো ‘কাট-কপি পেস্ট’ হয়। যে কারণে অ্যাসাঞ্জের নামটিও থেকে যায়।

 কৌঁসুলিরা প্রায়ই একই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে এ ধরনের ‘কাট-কপি পেস্টের’ আশ্রয় নেন। গত বৃহস্পতিবার রয়টার্সের দেখা আবেদনটি চলতি বছরের অগাস্টে ভার্জিনিয়ার আলেক্সান্দ্রিয়ার আদালতে হয়েছিল।

উইকিলিকস ও তার প্রতিষ্ঠাতার অপরাধ নিয়ে ভার্জিনিয়ার কৌঁসুলিরা যে দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান চালাচ্ছিলেন, মার্কিন কর্মকর্তারা তা আগেই স্বীকার করে নিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের লাখ লাখ সামরিক ও কূটনীতিক নথি ফাঁস করে দিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচই ফেলে দেওয়া ওয়েসবাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাসাঞ্জ আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে গোপন মামলা আছে বলে অভিযোগ করে আসছিলেন। সে কারণেই জামিনের শর্ত ভঙ্গ করে ছয় বছর আগে তিনি লন্ডনের একুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় চান। সে থেকে ওই দূতাবাসেই আছেন এ ‘হুইসেলব্লোয়ার’। একুয়েডর তাকে নাগরিকত্ব দিলেও সাম্প্রতিক সময়ে লেনিন মোরেরো সরকারের সঙ্গে উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতার সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। যার প্রতিক্রিয়ায় অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ বেশ কয়েকটি সুযোগ সুবিধাও কেড়ে নেয় লন্ডনের একুয়েডর দূতাবাস। এসব কার্যক্রমকে ‘মানবাধিকার লংঘন’ করে এর বিরুদ্ধে একুয়েডরের আদালতে অ্যাসাঞ্জের হয়ে তার আইনজীবীরা মামলাও করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ