ঢাকা, শনিবার 17 November 2018, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : [চার]
১৮ অক্টোবর গাজীপুরের কালীগঞ্জে বিএনপি নেতা এ.কে.এম ফজলুল হকের গাড়ী বহরে হামলা করে যুবলীগ-ছাত্রলীগ। মুক্তারপুর পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে যাওয়ার পথে তাদের হামলায় ছাত্রদল নেতা ইয়াসিন, যুবদল নেতা নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সুমন, আব্দুল্লাহ ও জাকিরসহ আহত ১০ জন। এ সময় তারা ৫টি মটর সাইকেল ভাংচুর করে। ১৯ অক্টোবর মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মনির হোসেনের পাঁচ’শ মটর সাইকেলের নির্বাচনী শোডাউনে যুবলীগ জামসা ইউনিয়ন সভাপতি সাদ্দাম হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে তোফাজ্জল হোসেন ও তার সহযোগীরা হামলা করলে ১৫ জন আহত হয়। সেখানে ১০-১২টি মটর সাইকেল ভাংচুর ও ২ রাউন্ড গুলী ছোড়ার কথা জানা যায়। নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে কাঁচপুর ব্রীজের পশ্চিম পাড়ে শীতালক্ষ্যা নদীর তীরে সরকারি গাছ কেটে সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম ও সহযোগিরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অবৈধ ভাবে বালু ব্যবসা করতে থাকে।
শ্রমিক লীগ : ২ অক্টোবর নাটোর সদর থেকে নিউ উত্তরা টেলিকমিউনিকেশনের পরিচালক আল-মামুনের গলা কাটা লাশ উদ্ধার। ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের অপর দুই পরিচালক শ্রমিক লীগ নেতা আকরাম হোসেন ও ব্যবসায়ী ফিরোজ আহমেদকে পুলিশ আটক করে। ৩ অক্টোবর বগুড়ার শাহজানপুরে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ জেলা যুব শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। গত ২৯ সেপ্টেম্বর জোরপূর্বক নিজ জীপ গাড়ীতে করে ফুলতলা এলাকার একটি হোটেলে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। ৬ অক্টোবর নাটোর শহরের হরিশপুর বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় শ্রমিক লীদের হাতে ছাত্রলীগ জেলা শাখা যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইমরান হক সজিব আহত হয়। ৩১ অক্টোবর বগুড়ার আদমদীঘিতে ১৫৩ কোটি ৩৬ লাখ ১৩ হাজার ৭৫২ টাকা ৫৫ পয়সার সার আত্মসাতের অভিযোগে জাতীয় শ্রমিক লীগ উপজেলা আহবায়ক রাশেদুল ইসলাম রাজা ও গোডাউন ইনচার্জ নবির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
কৃষক লীগ : ৫ অক্টোবর ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জয়পাশা গ্রামে কৃষক লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে সৈয়দ নাজিম আলী নামে একজন খুন হয়। কৃষক লীগ উপজেলা আহবায়ক সৈয়দ আব্দুর রহমান বাশার গ্রুপ এবং পরমেশ্বর ইউনিয়ন কৃষক লীগ সভাপতি ও ইউপি মেম্বার আবু সাঈদ মিয়া গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষে ৪ জন আহত হয়।
ওলামা লীগ : ১৯ অক্টোবর পিরোজপুরের নাজিরপুরে বুইচাকাঠি গ্রামে ওলামা লীগ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন উপজেলা মডেল তত্ত্বাবধায়ক ও আল-হেরা মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক রফিকুল ইসলাম তার পিতা শুকুর আলী মোল্লাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।
স্বেচ্ছাসেবক লীগ : ২৮ অক্টোবর মাদারীপুরের কালকিনিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কাজীবাকাই ইউনিয়ন কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষে তোতা মোল্লা, রিয়াজ ও অঞ্জন মোল্লা আহত হয়। 
প্রজন্ম লীগ : ২৯ অক্টোবর দিনাজপুরের গোড়াঘাটে উপজেলা প্রজন্ম লীগ সভাপতি ওয়াকার আহমেদ নান্নুকে চেক জালিয়াতি মামলায় আটক করে পুলিশ। ইতিমধ্যে নান্নুর একটি মামলায় ১ বছরের কারাদন্ড হয়।     
বিএনপি : ১ অক্টোবর নোয়াখালীর মাইজদীতে বিএনপির ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো-জেলা বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম কালা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি আব্দুল জব্বার ক্যাপ্টেন, বেগমগঞ্জের কানিপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি কাজী আবুল বাশার, চৌমুহনী পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক শাহাদাত হোসাইন ও চৌমুহনী ছাত্রদল যুগ্ম-আহবায়ক নিজাম উদ্দিন সুমন। ৭ অক্টোবর সাতক্ষীরার কলারোয়া থানায় ৩ মামলায় বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠায়। ৮ অক্টোবর ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি শাহ নূরুল কবীর শাহীনকে পুলিশ কাকনহাটির নিজ বাসা থেকে আটক করে। ঢাকার পল্টন থেকে মাদারীপুর বিএনপি ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে ডিবি পুলিশ। আটককৃতরা হরো-মাদারীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহান্দার আলী জাহান, মাদবরচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইথু চৌধূরী, ভদ্রাসন ইউনিয়ন সভাপতি বাবুল মাদবর ও দত্তপাড়া ইউনিয়ন সভাপতি মাহবুবুল হক হিরুসহ ৫ জন।
১০ অক্টোবর নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে বিএনপির ১৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো-বন্দর থানা যুবদল সভাপতি আমির হোসেন, সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান দুলাল, আনিছুর রহমান, মহানগর ছাত্রদল সহ-আইন সস্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, ফতুল্লা ছাত্রদল নেতা রাসেল, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, হাবিব শেখ, যুবদল নেতা জয়নাল আবেদীন, মোগড়াপাড়া ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি রবিন, পিরোজপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা নূরুন্নবী মাস্টার ও কাঁচপুর ইউনিয়ন তাঁতী দল সভাপতি ইসমাঈলসহ ১৩ জন। নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ ৩১ বিএনপির নেতা-কর্মী আটক করে। আটককৃতরা হলো- জেলা যুবদল সিনিয়র সহ-সভাপতি ওয়ারেস উদ্দিন ফরাস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ খালিদ সাইফুল্লাহ মুন্না, সাবেক ছাত্রনেতা নূরুদ্দীন রানা মাখন ও ছাত্রদল নেতা আসিফসহ ৩১ জন। নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে ৫ বিএনপি নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- মুসরত ধুলিয়া গ্রামের আব্দুল মতিন, পৌর এলাকার ইসলামবাগের জাবেদ, বাঙ্গালীপুর সরকার পাড়ার আবু সরকার, নতুন বাবুপাড়ার শাকিল ও মুন্সীপাড়ার ইউনুস আলী বাবলু।
১১ অক্টোবর পটুয়াখালীর দুমকিতে উপজেলা শ্রমিক দল সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান আকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম জাকির, উপজেলা ছাত্রদল সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান ও নয়নকে পুলিশ আটক করে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির শ্যামপুর থানা নেতা স্বপনসহ ১৬ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। চট্টগ্রাম মহানগরীর কাজীর দেউরী বাজার এলাকা থেকে পুলিশ বিএনপি নেতা ইকবাল চৌধূরীসহ ৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে। ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রবাসী সৌদী পূর্বঞ্চল বিএনপি সভাপতি এ.কে.এম রফিকুল ইসলামকে তার বাসার সামনে থেকে আটক করে পুলিশ। নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ পুলিশ বিএনপির ৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- বিএনপি নেতা মমিন, রুবেল ও ছাত্রদল নেতা শাহাদাৎ হোসেন। ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মইলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপির উপজেলা যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াদুজ্জামানকে আটক করে পুলিশ। ১৬ অক্টোবর বগুড়ার শাহজানপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবুল বাশার, সিনিয়র সহ-সভাপতি আজমল হুদা শহীদ, সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক রিপন, যুবদল নেতা আবুল কাশেম, মঞ্জুরুল ইসলাম ও মজনু মিয়াকে পুলিশ আটক করে। সিলেট শহর থেকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মওদুদুল হককে আটক করে পুলিশ। ১৫ অক্টোবর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা ও এমপি গোলাম রব্বানীর বাড়ীতে হামলা, ভাংচুর, অগ্নি সংযোগ ও বোমা বিস্ফোরণ মামলায় বিএনপি-ছাত্রদল ১০ নেতা-কর্মীকে দশ বছর কারাদন্ড দেয় আদালত। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো-বিএনপি নেতা সেতাউর রহমান, শরীফুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম টুটুল, ছাত্রদল নেতা মৃণাল হোসেন ও ইয়াসির আরাফাতসহ ১০ জন। গত ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর এই হামলার ঘটনা ঘটে পুলিশ দাবী করে।
২১ অক্টোবর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এলাকা থেকে বিএনপি নেতা সেলিমকে আটক করে পুলিশ। ২২ অক্টোবর ঝিনাইদাহের কালীগঞ্জ অনুপমপুর দাখিল মাদ্রাসা এলাকা থেকে বিএনপি কর্মী রবিউল ইসলাম ও রাশেদ মন্ডলকে আটক করে পুলিশ। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে বোমা হামলা মামলায় বিএনপি নেতা মনিরুল হক চৌধূরী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠায়। চট্টগ্রামে বিএনপির ১২ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। ২৪ অক্টোবর সিলেট শহরে বিএনপি জেলা সভাপতি আবুল কাহের শামীমের যতপুর বাসার সামনে থেকে ৬ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- ডাঃ শাহরিয়ার ও কায়েস লোদীসহ ৬ জন। সিলেট থেকে বিএনপি নেতা খন্দকার আব্দুল মোত্তালিবসহ ২৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। ২৫ অক্টোবর নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদকে বরখস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। কুমিল্লার মুরাদনগর থেকে পুলিশ উপজেলা যুবদল যুগ্ম-আহবায়ক মাসুদ রানা, স্বেচ্ছাসেবক দল যুগ্ম-আহবায়ক এনামুল হক ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লাল হোসেনকে আটক করে।  
২৬ অক্টোবর দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপি সভাপতি শাহ মোহাম্মদ শামীম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদকে আটক করে পুলিশ। ২৭ অক্টোবর ফেনীর ছাগলনাইয়ার ঘোপাল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আইউব খানকে পুলিশ মুহুরীগঞ্জ এলাকা থেকে আটক করে। মুন্সীগঞ্জ সদরের পঞ্চসার ইউনিয়নে সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি মহিউদ্দিনের তন্ময় ফিশিং নেট কারখানা থেকে ৩ কোটি টাকার কারেন্ট জাল উদ্ধার করে। এ সময় ২১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডসহ ৬৫ জনকে আটক করে বলে র‌্যাব-১১ দাবী করে। ২৮ অক্টোবর পিরোজপুরের নাজিরপুর থেকে শেখ মাটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি কাওছার হোসেন হাওলাদার, যুবদল সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিনা, বুইচাকাঠি ওয়ার্ড নেতা মাহফুজুর রহমান, বখশি ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি তাওহিদুল ইসলাম ও বিএনপি কর্মী শেখ বজলুর রহমানকে আটক করে পুলিশ।
২৯ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ডঃ মোঃ আক্তারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধূরী, জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানকে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং অন্যান্যদের দন্ডবিধি আইনের ১০৯ ধারা মতে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদন্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করে। ৩০ অক্টোবর ঢাকায় হাই কোর্টে বিচারপতি ইনায়েতুর রহীম ও মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ নি¤œ আদালতের দন্ডের আপীল মামলায় খালেদা জিয়াকে ১০ বছরের কারাদন্ড দেয়। ওই মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদন্ড দিয়েছিল নিম্ন আদালত। নারায়ণগঞ্জ থেকে পুলিশ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, বিএনপি কর্মী নাজমুল, ইয়াসিন ও রফিকুল ইসলামকে আটক করে। সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধূরী ও বিএনপি নেতা আবুল কাশেমসহ ৮ জনকে পুলিশ আটক করে। ৩১ অক্টোবর মেহেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডঃ মারুফ আহমেদ বিজনকে আটক করে পুলিশ। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে থেকে ৪ বিএনপি নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- মনোহরপুর গ্রামের বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি শফিকুল ইসলাম, আব্দুল হান্নান, গয়েশপুর গ্রামের রাজিব হোসেন ও পুরানা তেঁতুলিয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেন। রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে বিএনপির ২৭ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা বিএনপি নেতা ও গন্ডামারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান লিয়াকত আলীকে পুলিশ আটক করে। নওগাঁর সাপাহার পাতাড়ী ইউনিয়ন থেকে ৭ বিএনপি নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। তারা হলো- ফজলুর রহমান, নজরুল ইসলাম, ফরিজ, ইসরাফিল, মোজাম্মেল, এখলাছ ও আব্দুস সাত্তার।
ছাত্রদল : ৪ অক্টোবর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক এস.এম আব্দুস সোবহানকে রুহিদাসের স্টলের সামনে থেকে আটক করে পুলিশ। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে উপজেলা ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি তারেক ইবনে মুজিব ও ছাত্রদল নেতা রিপনকে আটক করে পুলিশ। ১০ অক্টোবর কক্সবাজার সদর থেকে পুলিশ ছাত্রদল জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুর রহমান নয়নকে আটক করে। ৮ অক্টোবর সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার সরিশ্যাম এলাকা থেকে পুলিশ ছাত্রদল নেতা পিয়াস আহমেদকে আটক করে। ১০ অক্টোবর নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ছাত্রদল নেতা রুবেল ও মোমিনকে আটক করে। ১১ অক্টোবর বরিশাল মহানগরী থেকে পুলিশ এক ছাত্রদল কর্মীকে আটক করে। ঢাকার হাই কোর্ট এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর ছাত্রদল পূর্ব সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম রবিউল ইসলাম নয়নকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ