ঢাকা, রোববার 16 December 2018, ২ পৌষ ১৪২৫, ৮ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

পল্টনের হেলমেট পরা তিন যুবক গ্রেফতার

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি অফিসের সামনে হেলমেট পড়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে কয়েক যুবককে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।তাদের নাম সোহাগ ভুঁইয়া (২৮), হোসেন আলী ওরফে হৃদয় খান ও আশরাফুল ইসলাম ওরফে রবীন।

পুলিশের দাবী, সোহাগ ভুঁইয়া রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, হোসেন আলী ওরফে হৃদয় খান রাজধানীর একটি ওয়ার্ডের ছাত্রদলের সভাপতি এবং আশরাফুল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

সূত্র জানায়, গত বুধবার বিএনপি অফিসের সামনে মাথায় হেলমেট পরিহিত ও জামার বোতাম খোলা অবস্থায় মারমুখী যে যুবককে সংঘর্ষের সময় পল্টনে দেখা গিয়েছিল তিনিই সোহাগ ভুঁইয়া। এ ঘটনায় দায়ের করা তিনটি মামলায়ই আসামি করা হয়েছে তাকে।

পারিবারিক সূত্র দাবি করেছে, রবিবার রাতে ঢাকার শনিরআখড়ায় এক আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করা সোহাগকে তুলে দেওয়া হয় ডিবি পুলিশের কাছে। গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে আটককৃত যুবকের নাম পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রির দ্বিতীয় দিন ১৪ নভেম্বর নয়াপল্টনে সংঘর্ষ হয়। পুলিশের সঙ্গে চলা সংঘর্ষে সোহাগ পুলিশের গাড়ির ওপর লাঠি হাতে লাফাতে দেখা যায়। এ ঘটনার ভিডিও এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর থেকে পুলিশ তাকেসহ কয়েকজনকে খুঁজছে। সোহাগের বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট। এছাড়া মাহবুব নামের আরো একজন বিএনপি কর্মীকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে বলে স্বজনদের দাবি।

ঘটনার দিন মির্জা আব্বাসের পক্ষে মিছিল নিয়ে সোহাগ ভূঁইয়া, হোসেন আলী ও আশরাফুল নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে এসেছিলেন বলে ডিবির ওই সূত্র দাবি করেছে।

এর আগে ওই দিন পুলিশের গাড়িতে দেশলাই দিয়ে যে যুবককে আগুন দিতে দেখা যায়, তাকে শনাক্ত করার দাবি করেন পুলিশের মতিঝিল বিভাগের সহকারী কমিশনার মিশু বিশ্বাস। শাহজালাল খন্দকার নামের ওই যুবক পল্টন থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বলে জানান মিশু বিশ্বাস। তবে শাহজালাল খন্দকারকে গ্রেফতারের ব্যাপারে পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

সংঘর্ষের ঘটনায় মির্জা আব্বাসকে আসামি করে পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি মামলা করা হয় পল্টন থানায়।  

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ