ঢাকা, সোমবার 3 December 2018, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমায় মুসল্লী হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে -মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ

টঙ্গীতে তাবলীগ কর্মী নিহতের ঘটনার ইন্ধনদাতা ফরিদ উদ্দিন মাসুদের বিচারের দাবিতে গতকাল রোববার কামরাঙ্গিরচর বেড়িবাঁধ এলাকায় সর্বস্তরের মসুল্লী ও ওলামাদের বিক্ষোভ -সংগ্রাম

টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের সন্ত্রাসী হামলার মূলহোতা সাদপন্থী খুনি ওয়াসিফ ও নাসিম গংদের বিচারের দাবিতে গতকাল রোববার রাজধানী ঢাকার সদরঘাট-গাবতলী রোডে হাজার হাজার তৌহিদী জনতা জড়ো হয়। অবরোধে রূপ নেয় আশেপাশের গোটা সড়ক। বিক্ষুব্ধ তৌহিদী জনতার শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। গতকাল বিকাল ৩টা বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। সভাপতিত্ব করেন হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর সাহেবযাদা বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ও উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন।
এতে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, জাতীয় ইমাম সমাজের মহাসচিব মাওলানা মিনহাজ উদ্দীন, মুফতি বশির, মুফতি ইলিয়াছ কাসেমী, মাওলানা ফজলুল্লাহ, মুফতি হাবীবুর রহমান, মুফতি আ ফ ম আকরাম হুসাইন, মাওলানা সুলাইমান ঢাকুবী, মুফতি আব্দুর রহমান সারওয়ার, মুফতি খায়রুজ্জামান হুযাইফী, মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ নোমানী, মুফতি আব্দুল্লাহ, মুফতি ওমর ফারুক, মুফতি সাইফুল্লাহ নোমানী, মুফতি আব্দুস সালাম প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আতাউল্লাহ বলেন, টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে হামলাকারীদের মূলহোতা সৈয়দ ওয়াসিফ গংদেরকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি দিতে হবে। বিশ্ব ইজতেমা ময়দান দেশের ওলামায়ে কেরামের হাতে তুলে দিতে হবে। সকল হামলাকারী ও তাদের সহযোগীদের তালিকা করে গ্রেপ্তার এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। উগ্র সন্ত্রাসী সা’দপন্থীদের আক্রমণে শহীদ ও হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে অবহেলাকারী আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, তাবলীগের শান্তিপূর্ণ মেহনতের মধ্যে যারা উগ্রতা প্রদর্শন করেছে। তারা মূলত তাবলীগী নয়, এটা তাবলীগের ছয় উসূলের পরিপন্থী। ওরা এতায়াতী। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সাদ ও ওয়াসিফপন্থী এসব এতায়াতী উগ্রহন্থীদের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবী জানান।
সমাবেশ শেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল রণিমার্কেট, বড়গ্রাম ও আলীনগর প্রদক্ষিণ করে থানার সামনে এসে শেষ হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ