ঢাকা, সোমবার 3 December 2018, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

কিউলেক্স মশা নিধনে ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ ডিএসসিসি’র

স্টাফ রিপোর্টার : শীতকালে কিউলেক্স মশা নিধনে ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এই প্রোগ্রামের আওতায় ডিএসসিসির সবগুলো জোনের মশক নিধন যন্ত্র ও জনবল এক করে আগামী পাঁচদিন বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে মশক নিধন করা হবে। গতকাল রোববার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের সামনে থেকে এই ক্রাশ প্রোগ্রামের উদ্বোধন করেন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
মেয়র বলেন, এ বছর ডিএসসিসি মশক নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রাম চালায়। এ বছর আগাম বর্ষা হওয়ায় মশার উপদ্রব বেশি হয়। তবে সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেয়ার ফলে এ বছর চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ ছিল না বললেই চলে। তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুকেও এইবছর যথাযথাভবে মোকাবিলা করা গিয়েছে তবে শীতের সময় যখন তাপমাত্রা কম থাকে এবং আর্দ্রতা কম থাকে সে সময় কিউলেক্স মশার উপদ্রব বাড়ে। এই মশাবাহিত রোগের জীবাণু আশঙ্কাজনকভাবে বিস্তার লাভ না করলেও ডিএসসিসি এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
গতকাল শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের আওতায় প্রথমদিনে জোন-১ সব জোনের শক্তি প্রয়োগ করে মশক নিধন করা হবে। ডিএসসিসি’র ৫৭টি ওয়ার্ডে  ৩৬৭জন মশক নিধনকর্মী, ৩২৪টি হস্তচালিত মেশিন, ২৪৭টি ফগার মেশিন,  ও ২০টি হুইল ব্যারো মেশিন আছে। সবগুলো মেশিন ও কর্মী পর্যায়ক্রমে একত্রে এক একটি এলাকায় গিয়ে মশক নিধন করবে। এরপর যথারীতি যে যার যার এলাকায় মশক নিধনের কাজ করবে।
মেয়র বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় নাগরিকদের মশা প্রজননস্থল ধ্বংস করার উপায় এবং প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন করেছি। তিনি মশক নিধনের এই কর্মসূচিতে নাগরিকদের সহয়তা চান। যদি কোনো নাগরিক মনে করেন তার বাড়িতে মশার ওষুধ স্প্রে করার প্রয়োজনীয়তা আছে বা কর্মী যাচ্ছে না তবে তারা সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক অফিস বা কাউন্সিলরের কার্যালয়েও যোগাযোগ করতে পারে বলে জানান মেয়র।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ