ঢাকা, মঙ্গলবার 4 December 2018, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সিজারে সন্তান জন্ম দেয়া নারীর পরবর্তী সন্তান মৃত বা অপরিণত হওয়ার প্রবণতা বেশি

* এসব শিশুর অ্যালার্জি ও অ্যাজমার ঝুঁকি থাকে
* অস্ত্রোপচারে শিশুর জন্ম খুলনায় সবচেয়ে বেশি
* বিশ্বে ২১%
* বাংলাদেশে ৩০.৭%, খুলনায় ৪৩%, সিলেটে ১৯%
মুহাম্মদ নূরে আলম: দেশে স্বাভাবিক প্রসবের তুলনায় সিজারিয়ান পদ্ধতিতে সন্তান জন্ম হওয়ার হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। নারীদের অপ্রয়োজনীয় সিজার স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ায় প্রসূতি ও নবজাতকের সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিবন্ধকতা। অস্ত্রোপচারে সন্তান জন্ম দেয়া নারীর পরবর্তী সন্তান মৃত বা অপরিণত হওয়ার প্রবণতা বেশি। সারাদেশে সিজারে সন্তান জন্ম নেয়া ৩০ দশমিক ৭ ভাগ। এসব শিশুর অ্যালার্জি ও অ্যাজমার ঝুঁকিসহ অতিরিক্ত উচ্চ তাপমাত্রায় হিটস্ট্রোক বা সান স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দেশে অপ্রয়োজনে সিজারিয়ান ডেলিভারির সংখ্যা বাড়ছে, সেই সঙ্গে বাড়ছে নবজাতক ও মাতৃস্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং খরচ। নবজাতক ও মাতৃস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চিকিৎসাশাস্ত্রের বিবেচনায় প্রয়োজন নেই এমন ক্ষেত্রে সিজার করা হলে মায়ের প্রসব-পরবর্তী সংক্রমণ বাড়ে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। অঙ্গহানিও হতে পারে। যা প্রসূতির সুস্থ হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগে। শুধু তাই নয়, অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান ডেলিভারি সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রেও বড় প্রতিবন্ধকতা। অন্যদিকে প্রয়োজনের সময় অনেক দরিদ্র পরিবারের নারী এই জীবন রক্ষাকারী সেবা পাচ্ছেন না। যুক্তরাজ্যভিত্তিক চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য সাময়িকী ল্যানসেট এ তথ্য দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, উচ্চহারে অপ্রয়োজনীয় সিজারের সঙ্গে অপরিণত শিশু জন্মের সম্পর্ক রয়েছে। এতে শিশুর প্রতিবন্ধী হওয়ার ঝুঁকি বেশি। দুটি সন্তান জন্ম দেয়ার পর অন্য কোনো কারণে মায়ের পেটে অস্ত্রোপচার দরকার হলে ঝুঁকি বাড়ে। দেশে অস্ত্রোপচারে বা সিজারে শিশুর জন্ম নেয়ার প্রবণতা খুলনায় সবচেয়ে বেশি। বিশ্বে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি সন্তানের জন্ম হয়, এমন ১০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম এসেছে। দেশে খুলনা বিভাগে এমন অস্ত্রোপচারে শিশু জন্মের হার সবচেয়ে বেশি, ৪৩ শতাংশ। আর সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে, ১৯ শতাংশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গর্ভকালে সমস্যা বা প্রসব জটিলতার কারণে মা ও সন্তানের জীবন রক্ষায় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। একটি জনগোষ্ঠীতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ সন্তান প্রসবে অস্ত্রোপচারের দরকার হতে পারে। এই হারের বেশি হলে তা অপ্রয়োজনীয়। ২০১৬ সালের তথ্য উদ্ধৃত করে ল্যানসেট বলছে, বাংলাদেশে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ৩০ শতাংশের বেশি শিশুর জন্ম হচ্ছে। অস্ত্রোপচারে শিশু জন্মের বৈশ্বিক প্রবণতা নিয়ে চলতি বছর ল্যানসেট তিনটি বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধ প্রকাশ করেছে। প্রবন্ধ তিনটির তথ্য এদিন ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব গাইনোকলজি অ্যান্ড অবসটেট্রিক্স ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে প্রকাশ করা হয়। তালিকায় প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান আছে। এ ছাড়া অন্য দেশের মধ্যে আছে চীন, ইন্দোনেশিয়া, কঙ্গো, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল।
ল্যানসেট বলছে, ২০০০ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিশ্বে অস্ত্রোপচারে শিশু জন্মের হার প্রায় দুই গুণ বেড়েছে। ২০০০ সালে অস্ত্রোপচারে শিশু জন্মের হার ছিল ১২ শতাংশ। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ২১ শতাংশ। বিশ্বের ৬০ শতাংশ দেশে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি অস্ত্রোপচার হচ্ছে। আবার একই দেশের মধ্যে ধনী-দরিদ্র ও অঞ্চলভেদে এই প্রবণতার পার্থক্য আছে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও অস্ত্রোপচারের হারের মধ্যে পার্থক্য আছে।
বাংলাদেশের পরিস্থিতি: বাংলাদেশেও সব অঞ্চলে সমানভাবে শিশু জন্মে অস্ত্রোপচার হয় না। খুলনা বিভাগে শিশু জন্মে অস্ত্রোপচারের হার কেন বেশি, এ বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তারা কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের (মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য কর্মসূচি) সূত্রে জানা যায়, ‘খুলনা অঞ্চলে কেন অস্ত্রোপচারে শিশু জন্মের হার বেশি, তার সঠিক কারণ এই মুহূর্তে আমাদের জানা নেই। তবে আমরা তা জানার চেষ্টা করছি।’
অবশ্য খুলনা জেলার সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি হাসপাতালে ২৫ শতাংশ শিশুর জন্ম হচ্ছে অস্ত্রোপচারে। অন্য দিকে বেসরকারি ক্লিনিকে ৮০-৯০ শতাংশ প্রসব হচ্ছে অস্ত্রোপচারে। কিছু ক্ষেত্রে রোগী নিজে বা তাঁর আত্মীয় অস্ত্রোপচার করাতে চান। এতে অস্ত্রোপচারের হার বাড়ে। এই হার আরও বেড়ে যায় কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক মনোভাবের কারণে। বাংলাদেশে অস্ত্রোপচারে শিশু জন্মের হার দ্রুত বাড়ছে। ২০০১ সালে এই হার ছিল ৪ শতাংশের নিচে। ২০১০ সালের মাতৃস্বাস্থ্য জরিপে দেখা যায়, ওই হার বেড়ে ১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর ল্যানসেট ২০১৬ সালের জরিপের তথ্য উদ্ধৃত করে বলছে, বর্তমানে তা ৩১ দশমিক ৭ শতাংশ। অনুমিত হিসেবে দেশে বছরে প্রায় ১০ লাখ শিশুর জন্ম হচ্ছে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে। বিশ্বব্যাপী অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ল্যানসেট। সাময়িকীটির সম্পাদকীয়তে অস্ত্রোপচারের বর্তমান হারকে নজিরবিহীন ও অন্যায্য বলেছে।
গবেষকেরা বলছেন, স্বাভাবিক প্রসবের তুলনায় অস্ত্রোপচারের সন্তান জন্ম দেওয়া মায়েদের মৃত্যুহার ও রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। অস্ত্রোপচারে সন্তান জন্ম দেওয়া নারীদের জরায়ু ফেটে যাওয়া, অস্বাভাবিক স্থানে গর্ভফুলের অবস্থান ও গর্ভ সঞ্চার, মৃত বা অপরিণত শিশু জন্ম দেওয়ার প্রবণতা বেশি। অস্ত্রোপচারে জন্ম নেওয়া নবজাতকের শারীরিক কিছু পরিবর্তনও ঘটে। এদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতার পরিবর্তন ঘটে, অ্যালার্জি ও অ্যাজমার প্রবণতা বাড়ে। বয়স বাড়লে কৈশোরের শেষ দিকে স্থূল বা অতি মুটিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি। অস্ত্রোপচারে শিশুর জন্মের হার বৃদ্ধি নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে দেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ লক্ষ করা গেছে। বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে প্রতিটি প্রসবের জন্য নির্দিষ্ট ফরম তৈরি করা হচ্ছে। ওই ফরমে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে লিখতে হবে, কেন অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে। সরকারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের ৩ হাজার ১৩১টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে স্বাভাবিক প্রসব বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ২ হাজার ৮০০ কেন্দ্রে সেবা চালু হয়েছে। এসব কেন্দ্রে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা প্রসবসেবা দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, স্বাভাবিক প্রসবের খরচ হয় সর্বোচ্চ তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকা। সিজার হলে খরচ হয় সর্বনিম্ন ২৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। এর বাইরে কেবিন ভাড়াসহ অন্যান্য খরচ তো রয়েছেই। সরকারি জেলা হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রসবের সময় রোগীর পক্ষকে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার ওষুধ কিনলেই চলে, আর সিজার হলে কিনতে হয় কমপক্ষে ৩ হাজার টাকার ওষুধ।
আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের তথ্য মতে, অস্ত্রোপচারে রোগীকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ খরচ করতে হয়। হাসপাতালে অবস্থানের সময় ধরা হয়েছে সাত দিন। প্রত্যক্ষ খরচের মধ্যে আছে ওষুধ, চিকিৎসক, হাসপাতালে থাকা-খওয়া, হাসপাতালে যাওয়া-আসা। পরোক্ষ খরচের মধ্যে ধরা হয়েছে উপার্জনে ক্ষতি (এই বয়সী নারীদের বড় অংশ উপার্জনক্ষম), স্বামীর উপার্জনে ক্ষতি এবং পরিবারের অন্যদের উপার্জনে ক্ষতি। এ ছাড়া ২৫ শতাংশ রোগীকে অস্ত্রোপচার পরবর্তী জটিলতায় ভুগতে হয়, এর কারণে বাড়তি খরচ হয় (১২ দিন ধরা হয়েছে)। এদের ওষুধ, চিকিৎসক, হাসপাতালে থাকা, খাবার এবং আত্মীয়দের হাসপাতালে যাওয়া-আসার জন্য বাড়তি খরচ হয়। সবমিলে একটি অস্ত্রোপচারে গড়ে ৫৫২ মার্কিন ডলার বা ৪৪ হাজার ১৬০ টাকা ব্যয় হয় (উপার্জনের ক্ষতিসহ)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ডেলিভারির ক্ষেত্রে সিজারের দরকার হয়। মায়ের অপুষ্টি ও গর্ভকালীন সমস্যার কারণে প্রসবে জটিলতা দেখা দেয়। মা ও নবজাতকের প্রাণ ও স্বাস্থ্যরক্ষায় অস্ত্রোপচার করতে হয়। বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে (বিডিএইচএস)-২০১৪-এর তথ্য মতে, জাতীয় পর্যায়ে ২০১৭ সালের ৫ এপ্রিল প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে দেশে নরমাল ডেলিভারি ৬২.১ শতাংশ। সিজারিয়ান সেকশন ৩৫.৫ শতাংশ এবং অন্যান্যভাবে ২.৫ শতাংশ। সিজারিয়ান সেকশনের হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জরিপে দেখা গেছে। দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারের হার ২৩ শতাংশ। এতে ৮ শতাংশ সিজারই হচ্ছে অপ্রয়োজনীয়। আর সেভ দ্য চিলড্রেনের সর্বশেষ নতুন বিশ্লেষণ অনুযায়ী দেশের ৭০ শতাংশ সিজারিয়ান ডেলিভারিই অপ্রয়োজনীয়।
ধাত্রী বিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও গাইনি চিকিৎসকদের সংগঠন অবস্ট্রাটিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি)-এর সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. আনোয়ারা বেগম বলেন, নিশ্চিত কিছু লক্ষণ বা উপসর্গ আছে, যা দেখে বলা যায় সিজার লাগবে কি না। কিছু ক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিজারের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক প্রসবের সময়ে হঠাৎ কোনো বিপর্যয় এড়াতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে সিজার করা দরকার হয়ে পড়ে। তবে দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারের সংখ্যা বাড়ছে।
সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. ইশতিয়াক মান্নান বলেন, দেশে ৬৪ শতাংশ প্রসব বাড়িতে ও ৩৭ শতাংশ প্রসব হচ্ছে হাসপাতালে। হাসপাতালে যে প্রসবগুলো হচ্ছে এর প্রায় ৬০ শতাংশই হচ্ছে সিজারের মাধ্যমে। আসলে বেশিরভাগ প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর আয়ের মূল উৎসই হচ্ছে সিজারিয়ান ডেলিভারি।
প্রাইভেট হাসপাতালে ৮০ ভাগ প্রসব হয় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে: বাংলাদেশে সিজারিয়ান বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের হার বাড়ছে। প্রয়োজন ছাড়াই চিকিৎসক ও পরিবার বেছে নিচ্ছেন এ পদ্ধতি। এর জন্য বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মুনাফার লোভ এবং মা ও তাঁর পরিবারের অসচেতনতাই দায়ী।
শারমিন আক্তার ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তিনি প্রথম থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে তাঁর প্রসব হবে নর্মাল বা স্বাভাবিক পদ্ধতির মাধ্যমে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর সেই আশা পূর্ণ হয়নি। চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে অস্ত্রোপচার করতেই হয়েছে। জানতে চেয়েছিলাম কেন সিজার করতে হলো? জবাবে তিনি জানালেন, ‘‘সন্তান প্রসবের সপ্তাহখানেক আগে মাথায় অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায় বলে চিকিৎসকরা এ রকম সিদ্ধান্ত নেন। আমি বিশ্বাস করি চিকিৎসকরা হয়ত সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। তবে আমার পরিচিত কয়েকজনের এ ব্যাপারে অভিজ্ঞতা হলো, চিকিৎসকরা তাদের বিনা প্রয়োজনে সিজারিয়ানের পরামর্শ দিয়েছেন। আমার মনে হয়, এটা হয়ত তারা আর্থিক কারণেই করেছেন।''

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ